লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বকাপে রেফারি নির্বাচনের প্রক্রিয়া ও ফিফার মূল্যায়ন পদ্ধতি

বিশ্বকাপ ফুটবলে রেফারিং নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু বিতর্ক তৈরি হয়েছে। শেষ ষোলোর ম্যাচে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে রেফারিং এবং ভিএআর দলের সিদ্ধান্ত নিয়ে মিসর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানিয়েছে। তারা ফরাসি রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়েরের দায়িত্ব পালন নিয়ে তদন্তের দাবি তোলার পাশাপাশি তাকে বাকি টুর্নামেন্ট থেকে সরিয়ে দেওয়ার আবেদন করেছে। এছাড়া কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স–মরক্কো ম্যাচে রেফারিং দলের সবাই আর্জেন্টিনার হওয়ায় নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে, বিশ্বকাপে কোন ম্যাচে কোন রেফারি দায়িত্ব পাবেন তা কীভাবে নির্ধারিত হয়? ফিফা মূলত টুর্নামেন্ট শুরুর অনেক আগে থেকেই রেফারি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করে। ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য ফিফা ৫২ জন রেফারি, ৮৮ জন সহকারী রেফারি এবং ৩০ জন ভিডিও ম্যাচ অফিশিয়াল (ভিএমও) নিয়ে ‘ফিফা টিম ওয়ান’ গঠন করেছে। ৬টি কনফেডারেশন ও ৫০টি সদস্যদেশ থেকে আসা এই কর্মকর্তাদের দীর্ঘ তিন বছরের বেশি সময় ধরে বিস্তৃত মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বাছাই করা হয়েছে। গত ৯ এপ্রিল এই তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।

ফিফার প্রধান রেফারিং কর্মকর্তা পিয়েরলুইজি কলিনার মতে, নির্বাচিত রেফারিরা দীর্ঘ সময় ধরে কঠোর পর্যবেক্ষণের মধ্যে ছিলেন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া প্রতিযোগিতার পাশাপাশি ফিফা টুর্নামেন্ট এবং সেমিনারে তাদের পারফরম্যান্স ধারাবাহিকভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে।

ফিফার রেফারিং পরিচালক মাসিমো বুসাক্কা জানান, ২০২২ বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পরপরই পরবর্তী আসরের জন্য রেফারি বাছাই কার্যক্রম শুরু হয়। এই মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় শুধু রেফারিং প্রশিক্ষকরাই নন, বরং ফিটনেস কোচ, চিকিৎসক ও ফিজিওথেরাপিস্টরাও যুক্ত ছিলেন। অর্থাৎ, রেফারিং দক্ষতার পাশাপাশি শারীরিক সক্ষমতা ও পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতাকে সমান গুরুত্ব দিয়ে রেফারিদের চূড়ান্ত করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার গুরুত্ব ও ইসলামের নির্দেশনা

বিশ্বকাপে রেফারি নির্বাচনের প্রক্রিয়া ও ফিফার মূল্যায়ন পদ্ধতি

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:২০:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপ ফুটবলে রেফারিং নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু বিতর্ক তৈরি হয়েছে। শেষ ষোলোর ম্যাচে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে রেফারিং এবং ভিএআর দলের সিদ্ধান্ত নিয়ে মিসর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানিয়েছে। তারা ফরাসি রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়েরের দায়িত্ব পালন নিয়ে তদন্তের দাবি তোলার পাশাপাশি তাকে বাকি টুর্নামেন্ট থেকে সরিয়ে দেওয়ার আবেদন করেছে। এছাড়া কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স–মরক্কো ম্যাচে রেফারিং দলের সবাই আর্জেন্টিনার হওয়ায় নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে, বিশ্বকাপে কোন ম্যাচে কোন রেফারি দায়িত্ব পাবেন তা কীভাবে নির্ধারিত হয়? ফিফা মূলত টুর্নামেন্ট শুরুর অনেক আগে থেকেই রেফারি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করে। ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য ফিফা ৫২ জন রেফারি, ৮৮ জন সহকারী রেফারি এবং ৩০ জন ভিডিও ম্যাচ অফিশিয়াল (ভিএমও) নিয়ে ‘ফিফা টিম ওয়ান’ গঠন করেছে। ৬টি কনফেডারেশন ও ৫০টি সদস্যদেশ থেকে আসা এই কর্মকর্তাদের দীর্ঘ তিন বছরের বেশি সময় ধরে বিস্তৃত মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বাছাই করা হয়েছে। গত ৯ এপ্রিল এই তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।

ফিফার প্রধান রেফারিং কর্মকর্তা পিয়েরলুইজি কলিনার মতে, নির্বাচিত রেফারিরা দীর্ঘ সময় ধরে কঠোর পর্যবেক্ষণের মধ্যে ছিলেন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া প্রতিযোগিতার পাশাপাশি ফিফা টুর্নামেন্ট এবং সেমিনারে তাদের পারফরম্যান্স ধারাবাহিকভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে।

ফিফার রেফারিং পরিচালক মাসিমো বুসাক্কা জানান, ২০২২ বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পরপরই পরবর্তী আসরের জন্য রেফারি বাছাই কার্যক্রম শুরু হয়। এই মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় শুধু রেফারিং প্রশিক্ষকরাই নন, বরং ফিটনেস কোচ, চিকিৎসক ও ফিজিওথেরাপিস্টরাও যুক্ত ছিলেন। অর্থাৎ, রেফারিং দক্ষতার পাশাপাশি শারীরিক সক্ষমতা ও পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতাকে সমান গুরুত্ব দিয়ে রেফারিদের চূড়ান্ত করা হয়েছে।