লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৬:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইন্দোনেশিয়ার জাভা সাগরে ৬.৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়ায় ৬ দশমিক ৫ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় শনিবার ভোর ৪টা ২৩ মিনিটে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়। ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূ-পদার্থবিদ্যা সংস্থা (বেএমকেজি) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল জাকার্তার থাউজেন্ড আইল্যান্ডস বা কেপুলাউয়ান সেরিবু থেকে ৬৯ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে জাভা সাগরে। ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩৬৮ কিলোমিটার গভীরে এর অবস্থান ছিল।

বিএমকেজি-এর ভূমিকম্প ও সুনামি পরিচালক ড. উইজায়ান্তো জানান, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল এবং হাইপোসেন্টারের গভীরতা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এটি ছিল ইন্ট্রাস্ল্যাব অ্যাক্টিভিটির কারণে সৃষ্ট একটি গভীর ভূমিকম্প। এই পরিস্থিতির কারণে সুনামি মডেলিংয়ে কোনো সুনামির হুমকি দেখা যায়নি বলে নিশ্চিত করেছে সংস্থাটি।

ভূমিকম্পের তীব্রতা বেশ শক্তিশালী হওয়ায় ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তাসহ জাভা ও সুমাত্রার কিছু অংশেও এটি অনুভূত হয়। তবে প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। কেবল তাক থেকে কিছু জিনিসপত্র পড়ে যাওয়া বা জানালা ভেঙে যাওয়ার মতো সামান্য কিছু ঘটনার খবর পাওয়া গেছে।

ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ইন্দোনেশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত, যা অত্যন্ত ভূমিকম্পপ্রবণ। ইউরোপ ও এশিয়ার টেকটনিক প্লেটের সক্রিয়তা এবং প্রায় ১৩০টি সক্রিয় আগ্নেয়গিরির উপস্থিতির কারণে দেশটিতে নিয়মিত ভূমিকম্প মোকাবিলা করতে হয়। এর আগে গত আগস্ট মাসে দেশটির তেনেগ্গারা প্রদেশের পূর্ব নুসার ফ্লোরেস দ্বীপে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার গভীরে উৎপত্তিস্থল থাকা ওই ভূমিকম্পে একাধিক বাড়িঘর ভেঙে পড়ে এবং অঞ্চলজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল।

জনপ্রিয় সংবাদ

চাটমোহরে তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু

ইন্দোনেশিয়ার জাভা সাগরে ৬.৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:৪১:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়ায় ৬ দশমিক ৫ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় শনিবার ভোর ৪টা ২৩ মিনিটে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়। ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূ-পদার্থবিদ্যা সংস্থা (বেএমকেজি) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল জাকার্তার থাউজেন্ড আইল্যান্ডস বা কেপুলাউয়ান সেরিবু থেকে ৬৯ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে জাভা সাগরে। ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩৬৮ কিলোমিটার গভীরে এর অবস্থান ছিল।

বিএমকেজি-এর ভূমিকম্প ও সুনামি পরিচালক ড. উইজায়ান্তো জানান, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল এবং হাইপোসেন্টারের গভীরতা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এটি ছিল ইন্ট্রাস্ল্যাব অ্যাক্টিভিটির কারণে সৃষ্ট একটি গভীর ভূমিকম্প। এই পরিস্থিতির কারণে সুনামি মডেলিংয়ে কোনো সুনামির হুমকি দেখা যায়নি বলে নিশ্চিত করেছে সংস্থাটি।

ভূমিকম্পের তীব্রতা বেশ শক্তিশালী হওয়ায় ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তাসহ জাভা ও সুমাত্রার কিছু অংশেও এটি অনুভূত হয়। তবে প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। কেবল তাক থেকে কিছু জিনিসপত্র পড়ে যাওয়া বা জানালা ভেঙে যাওয়ার মতো সামান্য কিছু ঘটনার খবর পাওয়া গেছে।

ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ইন্দোনেশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত, যা অত্যন্ত ভূমিকম্পপ্রবণ। ইউরোপ ও এশিয়ার টেকটনিক প্লেটের সক্রিয়তা এবং প্রায় ১৩০টি সক্রিয় আগ্নেয়গিরির উপস্থিতির কারণে দেশটিতে নিয়মিত ভূমিকম্প মোকাবিলা করতে হয়। এর আগে গত আগস্ট মাসে দেশটির তেনেগ্গারা প্রদেশের পূর্ব নুসার ফ্লোরেস দ্বীপে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার গভীরে উৎপত্তিস্থল থাকা ওই ভূমিকম্পে একাধিক বাড়িঘর ভেঙে পড়ে এবং অঞ্চলজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল।