লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১০:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে ৩৮ জনের মৃত্যু, চলছে উদ্ধারকাজ

ইন্দোনেশিয়ায় একের পর এক শক্তিশালী ভূমিকম্পে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে দেশটিতে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এই ভয়াবহ দুর্যোগে এখন পর্যন্ত ৩৮ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো অনেকে আটকে থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ভোরের ওই ভূমিকম্পটি তেনেগ্গারা প্রদেশের পূর্ব নুসার ফ্লোরেস দ্বীপে আঘাত হেনেছিল। এরপর একই দিন স্থানীয় সময় বিকাল ৫টা ৫৪ মিনিটে উত্তর সুমাত্রা প্রদেশের পেমাতাংসিয়ান্তার শহরে ৬ দশমিক ৪ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরি বিষয়ক ওয়েবসাইট ভলকানো ডিসকভারি জানিয়েছে, দ্বিতীয় এই ভূমিকম্পটি মাটি থেকে ১৬৩ কিলোমিটার গভীরে সংঘটিত হয়েছে। পেমাতাংসিয়ান্তার শহরের আশপাশের মানুষ কম্পন অনুভব করলেও সেখানে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।

প্রথম ভূমিকম্পের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলোতে বাড়িঘর ও ভবন ধসে পড়ার চিত্র দেখা গেছে। আতঙ্কে সাধারণ মানুষকে ছোটাছুটি করতে দেখা যায়। পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের সিক্কা শহরের বাসিন্দা ইয়োহান্না এমবু এএফপিকে জানিয়েছেন, তার চোখের সামনেই বন্দর এলাকার একটি ভবন ভেঙে পড়েছে এবং শহরের অনেক বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে।

প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ৫৪টি বাড়ি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া পাঁচটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র, তিনটি উপাসনালয়, ছয়টি সরকারি ভবন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও একটি গুদাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে মাংগারাই প্রদেশকে অন্যতম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

টানা ৯ মাস সমুদ্রে: চরম মানসিক চাপে ৫ হাজার মার্কিন সেনা

ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে ৩৮ জনের মৃত্যু, চলছে উদ্ধারকাজ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:১৫:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ায় একের পর এক শক্তিশালী ভূমিকম্পে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে দেশটিতে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এই ভয়াবহ দুর্যোগে এখন পর্যন্ত ৩৮ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো অনেকে আটকে থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ভোরের ওই ভূমিকম্পটি তেনেগ্গারা প্রদেশের পূর্ব নুসার ফ্লোরেস দ্বীপে আঘাত হেনেছিল। এরপর একই দিন স্থানীয় সময় বিকাল ৫টা ৫৪ মিনিটে উত্তর সুমাত্রা প্রদেশের পেমাতাংসিয়ান্তার শহরে ৬ দশমিক ৪ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরি বিষয়ক ওয়েবসাইট ভলকানো ডিসকভারি জানিয়েছে, দ্বিতীয় এই ভূমিকম্পটি মাটি থেকে ১৬৩ কিলোমিটার গভীরে সংঘটিত হয়েছে। পেমাতাংসিয়ান্তার শহরের আশপাশের মানুষ কম্পন অনুভব করলেও সেখানে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।

প্রথম ভূমিকম্পের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলোতে বাড়িঘর ও ভবন ধসে পড়ার চিত্র দেখা গেছে। আতঙ্কে সাধারণ মানুষকে ছোটাছুটি করতে দেখা যায়। পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের সিক্কা শহরের বাসিন্দা ইয়োহান্না এমবু এএফপিকে জানিয়েছেন, তার চোখের সামনেই বন্দর এলাকার একটি ভবন ভেঙে পড়েছে এবং শহরের অনেক বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে।

প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ৫৪টি বাড়ি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া পাঁচটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র, তিনটি উপাসনালয়, ছয়টি সরকারি ভবন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও একটি গুদাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে মাংগারাই প্রদেশকে অন্যতম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।