লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানে সামরিক হামলা আপাতত স্থগিত রাখলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরানে গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলমান সামরিক অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার তিনি মার্কিন সামরিক বাহিনীকে নতুন কোনো আক্রমণ না চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্রের বরাত দিয়ে অ্যাক্সিওস এই তথ্য জানিয়েছে।

গত ১৩ দিন ধরে ধারাবাহিকভাবে বিমান হামলার অনুমোদন দেওয়ার পর, শুক্রবারের নতুন কোনো হামলার পরিকল্পনায় ট্রাম্প সম্মতি প্রদান করেননি। তবে এই স্থগিতাদেশ সাময়িক নাকি কোনো বড় ধরনের নীতি পরিবর্তনের ইঙ্গিত—তা এখনো স্পষ্ট নয়। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত নির্দেশ করে যে তিনি ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার জন্য আরও পথ খোলা রাখতে চাচ্ছেন। একইসঙ্গে তিনি মনে করছেন, নতুন করে বড় কোনো যুদ্ধে না জড়িয়ে বর্তমান সামরিক হামলার পরিধি ইতোমধ্যে তার সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছে গেছে।

যদিও মার্কিন সামরিক বাহিনী সম্ভাব্য সংঘাত বৃদ্ধির প্রস্তুতি অব্যাহত রেখেছে, তবুও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখন পর্যন্ত নতুন কোনো পদক্ষেপের নির্দেশ দেননি। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প জানান, তিনি চাইলে ইরানের সব কিছু ধূলিসাৎ করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন, তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছানোই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

ট্রাম্প বলেন, বর্তমানে তাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং দিন যত যাচ্ছে, ইরানিরা বিষয়টি নিয়ে তত বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি আরও যোগ করেন, তারা যেকোনো পরিস্থিতির জন্য শতভাগ প্রস্তুত বা 'লকড অ্যান্ড লোডেড', কিন্তু বর্তমানে আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান খোঁজার চেষ্টা চলছে। পরবর্তীতে হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নৈশভোজে ট্রাম্প মন্তব্য করেন যে, ইরান এখনো কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে প্রস্তুত না হলেও তিনি তাদের কথা শুনতে রাজি আছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

আঙুলের শব্দে আম্পায়ার বিভ্রান্ত, ইংল্যান্ডের ক্রিকেটে প্রতারণার নজির

ইরানে সামরিক হামলা আপাতত স্থগিত রাখলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:৫৪:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

ইরানে গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলমান সামরিক অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার তিনি মার্কিন সামরিক বাহিনীকে নতুন কোনো আক্রমণ না চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্রের বরাত দিয়ে অ্যাক্সিওস এই তথ্য জানিয়েছে।

গত ১৩ দিন ধরে ধারাবাহিকভাবে বিমান হামলার অনুমোদন দেওয়ার পর, শুক্রবারের নতুন কোনো হামলার পরিকল্পনায় ট্রাম্প সম্মতি প্রদান করেননি। তবে এই স্থগিতাদেশ সাময়িক নাকি কোনো বড় ধরনের নীতি পরিবর্তনের ইঙ্গিত—তা এখনো স্পষ্ট নয়। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত নির্দেশ করে যে তিনি ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার জন্য আরও পথ খোলা রাখতে চাচ্ছেন। একইসঙ্গে তিনি মনে করছেন, নতুন করে বড় কোনো যুদ্ধে না জড়িয়ে বর্তমান সামরিক হামলার পরিধি ইতোমধ্যে তার সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছে গেছে।

যদিও মার্কিন সামরিক বাহিনী সম্ভাব্য সংঘাত বৃদ্ধির প্রস্তুতি অব্যাহত রেখেছে, তবুও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখন পর্যন্ত নতুন কোনো পদক্ষেপের নির্দেশ দেননি। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প জানান, তিনি চাইলে ইরানের সব কিছু ধূলিসাৎ করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন, তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছানোই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

ট্রাম্প বলেন, বর্তমানে তাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং দিন যত যাচ্ছে, ইরানিরা বিষয়টি নিয়ে তত বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি আরও যোগ করেন, তারা যেকোনো পরিস্থিতির জন্য শতভাগ প্রস্তুত বা 'লকড অ্যান্ড লোডেড', কিন্তু বর্তমানে আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান খোঁজার চেষ্টা চলছে। পরবর্তীতে হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নৈশভোজে ট্রাম্প মন্তব্য করেন যে, ইরান এখনো কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে প্রস্তুত না হলেও তিনি তাদের কথা শুনতে রাজি আছেন।