লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৭:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লংমার্চে জনভোগান্তি ও জ্বালানি অপচয় বাড়ছে: রাশেদ খান

জামায়াতে ইসলামীর ঘোষিত লংমার্চের জেরে মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। এই কর্মসূচির ফলে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি অপচয় হচ্ছে, যা দেশের চলমান সংকটকে আরও ঘনীভূত করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খান। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই অভিযোগ করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাশেদ খান দাবি করেন, জামায়াত নেতৃত্বাধীন ৯ দলীয় জোটের এই কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষের কোনো অংশগ্রহণ বা আগ্রহ নেই। তিনি উল্লেখ করেন, বিরোধী জোটটি বড় অঙ্কের দেশি-বিদেশি অর্থ বিনিয়োগ করেও সাধারণ জনগণকে আকৃষ্ট করতে ব্যর্থ হয়েছে, যার ফলে বিরোধী নেতাদের মাঝে স্পষ্ট হতাশা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও গ্যাস সংকটের বিষয়ে সাধারণ মানুষ সচেতন দাবি করে রাশেদ খান বলেন, বিগত ১৮ থেকে ২০ বছরের দীর্ঘ অব্যবস্থাপনার দায় মাত্র ছয় মাসের একটি সরকারের ওপর চাপানোর চেষ্টা মূর্খতার সামিল। তিনি আরও জানান, সরকার ইতিমধ্যে স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক সহকারী বলেন, বিরোধী দলের ছয় দফা দাবির প্রতি জনগণের আগ্রহ নেই। লংমার্চের মাধ্যমে সড়ক-মহাসড়ক অবরুদ্ধ করে প্রায় এক লাখ লিটার জ্বালানি তেলের অপচয় ঘটানো হচ্ছে। বিশেষ করে দেশের প্রধান অর্থনৈতিক ধমনী ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল করে। এই লংমার্চের নামে যানবাহন বন্ধ রাখায় রাষ্ট্রীয়ভাবে কোটি কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সবশেষে রাশেদ খান অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে জামায়াত সাধারণ জনগণের ওপর এই অহেতুক আন্দোলন জোরপূর্বক চাপিয়ে দিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মিরপুরে শ্রমিক বিক্ষোভের পেছনে সরকারবিরোধী চক্র থাকতে পারে: পুলিশ

লংমার্চে জনভোগান্তি ও জ্বালানি অপচয় বাড়ছে: রাশেদ খান

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৩১:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জামায়াতে ইসলামীর ঘোষিত লংমার্চের জেরে মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। এই কর্মসূচির ফলে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি অপচয় হচ্ছে, যা দেশের চলমান সংকটকে আরও ঘনীভূত করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খান। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই অভিযোগ করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাশেদ খান দাবি করেন, জামায়াত নেতৃত্বাধীন ৯ দলীয় জোটের এই কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষের কোনো অংশগ্রহণ বা আগ্রহ নেই। তিনি উল্লেখ করেন, বিরোধী জোটটি বড় অঙ্কের দেশি-বিদেশি অর্থ বিনিয়োগ করেও সাধারণ জনগণকে আকৃষ্ট করতে ব্যর্থ হয়েছে, যার ফলে বিরোধী নেতাদের মাঝে স্পষ্ট হতাশা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও গ্যাস সংকটের বিষয়ে সাধারণ মানুষ সচেতন দাবি করে রাশেদ খান বলেন, বিগত ১৮ থেকে ২০ বছরের দীর্ঘ অব্যবস্থাপনার দায় মাত্র ছয় মাসের একটি সরকারের ওপর চাপানোর চেষ্টা মূর্খতার সামিল। তিনি আরও জানান, সরকার ইতিমধ্যে স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক সহকারী বলেন, বিরোধী দলের ছয় দফা দাবির প্রতি জনগণের আগ্রহ নেই। লংমার্চের মাধ্যমে সড়ক-মহাসড়ক অবরুদ্ধ করে প্রায় এক লাখ লিটার জ্বালানি তেলের অপচয় ঘটানো হচ্ছে। বিশেষ করে দেশের প্রধান অর্থনৈতিক ধমনী ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল করে। এই লংমার্চের নামে যানবাহন বন্ধ রাখায় রাষ্ট্রীয়ভাবে কোটি কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সবশেষে রাশেদ খান অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে জামায়াত সাধারণ জনগণের ওপর এই অহেতুক আন্দোলন জোরপূর্বক চাপিয়ে দিয়েছে।