লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বোস্টনের মাঠে এমবাপ্পের দাপট, হতাশায় ডুবলো মরক্কো

বোস্টন স্টেডিয়ামে মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নেমে যেন নিজের জাত চেনালেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। পেনাল্টি মিসের হতাশা থাকলেও তিনি দমবার পাত্র নন। খেলার শুরুতেই মরক্কোর মাজরাউয়ি তাকে ফাউল করলে পেনাল্টির সুযোগ আসে, কিন্তু এমবাপ্পের দুর্বল শটটি অনায়াসেই রুখে দেন মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু। এরপর ৬০ মিনিট পর্যন্ত তীব্র লড়াইয়ের পর এমবাপ্পে নিজের নৈপুণ্যে গোল বের করে নেন। তার মাত্র ছয় মিনিট পরেই এমবাপ্পের কারিগরি সহায়তায় উসমান দেম্বেলে গোল করলে মরক্কোর সব স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যায়।

ম্যাচটিতে মরক্কোর পারফরম্যান্স ছিল ছন্দহীন। প্রথমার্ধ থেকেই তাদের দেখে মনে হচ্ছিল, তারা যেন আগে থেকেই পরাজয় মেনে নিয়েছে। কাতার বিশ্বকাপের স্মৃতি তাদের তাড়া করে ফিরেছিল, যেখানে তারা ফ্রান্সের কাছে ২-০ গোলে হেরেছিল। এবারও ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটলো এবং মরক্কানদের বদলা নেওয়ার আগুন নিভে গেল। উল্লেখ্য, এই ম্যাচে মরক্কোর ছয় ফুটবলারের জন্ম ফ্রান্সে হলেও খেলার মাঠে জন্মভূমি কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি।

এমবাপ্পে এবং মরক্কোর হাকিমি ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং একই ক্লাবে খেলেন, যা ম্যাচটির আগে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বেশ চাঞ্চল্য তৈরি করেছিল। তবে এমবাপ্পে তার পেশাদারিত্ব বজায় রেখে পুরো ম্যাচে তিনটি বড় সুযোগ তৈরি করেছেন—যার মধ্যে একটি গোল, একটি পেনাল্টি মিস এবং দেম্বেলের গোলটিতে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। এই বিশ্বকাপে এমবাপ্পের গোল সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮-এ, যা তাকে লিওনেল মেসির সাথে সমান অবস্থানে রেখেছে। বোস্টনের এই জয় শেষে ফুটবল ভক্তরা এখন প্রশ্ন তুলছেন, কাতার বিশ্বকাপের মতো আবারও কি মেসি ও এমবাপ্পের মুখোমুখি লড়াই দেখার অপেক্ষায় ফুটবল বিশ্ব?

জনপ্রিয় সংবাদ

আঙুলের শব্দে আম্পায়ার বিভ্রান্ত, ইংল্যান্ডের ক্রিকেটে প্রতারণার নজির

বোস্টনের মাঠে এমবাপ্পের দাপট, হতাশায় ডুবলো মরক্কো

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:০২:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

বোস্টন স্টেডিয়ামে মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নেমে যেন নিজের জাত চেনালেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। পেনাল্টি মিসের হতাশা থাকলেও তিনি দমবার পাত্র নন। খেলার শুরুতেই মরক্কোর মাজরাউয়ি তাকে ফাউল করলে পেনাল্টির সুযোগ আসে, কিন্তু এমবাপ্পের দুর্বল শটটি অনায়াসেই রুখে দেন মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু। এরপর ৬০ মিনিট পর্যন্ত তীব্র লড়াইয়ের পর এমবাপ্পে নিজের নৈপুণ্যে গোল বের করে নেন। তার মাত্র ছয় মিনিট পরেই এমবাপ্পের কারিগরি সহায়তায় উসমান দেম্বেলে গোল করলে মরক্কোর সব স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যায়।

ম্যাচটিতে মরক্কোর পারফরম্যান্স ছিল ছন্দহীন। প্রথমার্ধ থেকেই তাদের দেখে মনে হচ্ছিল, তারা যেন আগে থেকেই পরাজয় মেনে নিয়েছে। কাতার বিশ্বকাপের স্মৃতি তাদের তাড়া করে ফিরেছিল, যেখানে তারা ফ্রান্সের কাছে ২-০ গোলে হেরেছিল। এবারও ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটলো এবং মরক্কানদের বদলা নেওয়ার আগুন নিভে গেল। উল্লেখ্য, এই ম্যাচে মরক্কোর ছয় ফুটবলারের জন্ম ফ্রান্সে হলেও খেলার মাঠে জন্মভূমি কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি।

এমবাপ্পে এবং মরক্কোর হাকিমি ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং একই ক্লাবে খেলেন, যা ম্যাচটির আগে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বেশ চাঞ্চল্য তৈরি করেছিল। তবে এমবাপ্পে তার পেশাদারিত্ব বজায় রেখে পুরো ম্যাচে তিনটি বড় সুযোগ তৈরি করেছেন—যার মধ্যে একটি গোল, একটি পেনাল্টি মিস এবং দেম্বেলের গোলটিতে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। এই বিশ্বকাপে এমবাপ্পের গোল সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮-এ, যা তাকে লিওনেল মেসির সাথে সমান অবস্থানে রেখেছে। বোস্টনের এই জয় শেষে ফুটবল ভক্তরা এখন প্রশ্ন তুলছেন, কাতার বিশ্বকাপের মতো আবারও কি মেসি ও এমবাপ্পের মুখোমুখি লড়াই দেখার অপেক্ষায় ফুটবল বিশ্ব?