লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৮:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাত মাসে ১৫৭১৭ শিশু নিখোঁজ, উদ্ধার ১৩৬৭৯ : পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত সাত মাসে দেশে মোট ১৫ হাজার ৭১৭টি শিশু নিখোঁজের জিডি নথিভুক্ত হয়েছে। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ের মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯টি শিশু উদ্ধার হয়েছে অথবা নিরাপদে পরিবারের কাছে ফিরে এসেছে। তবে এখনো ২ হাজার ৩৮ জন শিশুর সন্ধান পাওয়া যায়নি, যা মোট নিখোঁজের প্রায় ১৩ শতাংশ।

পুলিশের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শূন্য থেকে নয় বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে নিখোঁজের জিডি হয়েছে ৪৭৪টি। এদের মধ্যে ৪০৬ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে এবং ৬৮ জন এখনো উদ্ধার হয়নি। অন্যদিকে, ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের ক্ষেত্রে নিখোঁজের সংখ্যা ১৫ হাজার ২৪৩টি। এই বয়সীদের মধ্যে ১৩ হাজার ২৭৩ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং ১ হাজার ৯৭০ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছে।

গণমাধ্যমে নিখোঁজ শিশুদের নিয়ে প্রকাশিত খবরের প্রেক্ষাপটে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করেছে পুলিশ। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ভাষ্যমতে, গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে উদ্ধার হওয়া শিশুদের তথ্য উল্লেখ না থাকায় প্রকৃত চিত্র আড়াল হয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। স্থানীয় থানাগুলোর মাধ্যমে যাচাই করে এই পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

পুলিশের অনুসন্ধানে ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের ঘর ছাড়ার পেছনে বেশ কিছু কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে অভিমান, পড়ালেখার চাপ, পারিবারিক কলহ ও অশান্তি অন্যতম। এছাড়া স্বাধীনভাবে জীবনযাপনের আকাঙ্ক্ষা, অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়ার পর লজ্জার ভয়ে পালিয়ে থাকা, পরিবারের কাছ থেকে অর্থ বা সুবিধা আদায়ের চেষ্টা এবং বন্ধু বা সহপাঠীদের প্রভাবও শিশু নিখোঁজের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে অষ্টমবারের মতো এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন ভারত

সাত মাসে ১৫৭১৭ শিশু নিখোঁজ, উদ্ধার ১৩৬৭৯ : পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:০১:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত সাত মাসে দেশে মোট ১৫ হাজার ৭১৭টি শিশু নিখোঁজের জিডি নথিভুক্ত হয়েছে। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ের মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯টি শিশু উদ্ধার হয়েছে অথবা নিরাপদে পরিবারের কাছে ফিরে এসেছে। তবে এখনো ২ হাজার ৩৮ জন শিশুর সন্ধান পাওয়া যায়নি, যা মোট নিখোঁজের প্রায় ১৩ শতাংশ।

পুলিশের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শূন্য থেকে নয় বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে নিখোঁজের জিডি হয়েছে ৪৭৪টি। এদের মধ্যে ৪০৬ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে এবং ৬৮ জন এখনো উদ্ধার হয়নি। অন্যদিকে, ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের ক্ষেত্রে নিখোঁজের সংখ্যা ১৫ হাজার ২৪৩টি। এই বয়সীদের মধ্যে ১৩ হাজার ২৭৩ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং ১ হাজার ৯৭০ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছে।

গণমাধ্যমে নিখোঁজ শিশুদের নিয়ে প্রকাশিত খবরের প্রেক্ষাপটে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করেছে পুলিশ। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ভাষ্যমতে, গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে উদ্ধার হওয়া শিশুদের তথ্য উল্লেখ না থাকায় প্রকৃত চিত্র আড়াল হয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। স্থানীয় থানাগুলোর মাধ্যমে যাচাই করে এই পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

পুলিশের অনুসন্ধানে ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের ঘর ছাড়ার পেছনে বেশ কিছু কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে অভিমান, পড়ালেখার চাপ, পারিবারিক কলহ ও অশান্তি অন্যতম। এছাড়া স্বাধীনভাবে জীবনযাপনের আকাঙ্ক্ষা, অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়ার পর লজ্জার ভয়ে পালিয়ে থাকা, পরিবারের কাছ থেকে অর্থ বা সুবিধা আদায়ের চেষ্টা এবং বন্ধু বা সহপাঠীদের প্রভাবও শিশু নিখোঁজের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।