লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশের সাত বিভাগীয় হাসপাতালে বসছে আধুনিক রোগ নির্ণয় যন্ত্র

ঢাকাসহ দেশের সাতটি বিভাগীয় মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের রোগ নির্ণয় ব্যবস্থার আধুনিকীকরণে নতুন যন্ত্রপাতি স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে মোট ৩৬৯ কোটি ৪৯ লাখ ৪০ হাজার ৩০৬ টাকা ব্যয়ে দুটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

‘শিশু ও মাতৃস্বাস্থ্য এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন (কম্পোনেন্ট-২): দেশের ৮টি বিভাগীয় মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ডায়াগনস্টিক ইমেজিং ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ (২য় সংশোধিত)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এই সরঞ্জামগুলো কেনা হচ্ছে। ২০১৬ সালের ১ জুলাই শুরু হওয়া এই প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকল্পের মোট সংশোধিত ব্যয় ১ হাজার ২০২ কোটি ৩৯ লাখ ২৭ হাজার টাকা, যার মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ২৭৫ কোটি ৮৮ লাখ ৯ হাজার টাকা এবং জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) ঋণ ৯২৬ কোটি ৫১ লাখ ১৮ হাজার টাকা।

প্রস্তাবিত যন্ত্রপাতিগুলোর মধ্যে রয়েছে ডিজিটাল এক্স-রে, এনজিওগ্রাফি, গ্যাস্ট্রোস্কোপি, কোলনোস্কোপি, এমআরআই, সিটি স্ক্যানার, ম্যামোগ্রাফি ও আলট্রাসনোগ্রাফি। এই সরঞ্জামগুলো ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, রংপুর, সিলেট ও বরিশাল বিভাগের মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডায়াগনস্টিক ইমেজিং ব্যবস্থায় যুক্ত করা হবে।

প্রথম প্যাকেজের আওতায় ডিজিটাল এক্স-রে, এনজিওগ্রাফি, গ্যাস্ট্রোস্কোপি, কোলনোস্কোপি এবং পিএসিএস/আরআইএস কেনা হবে, যার জন্য আরডিপিপিতে বরাদ্দ রয়েছে ২১৪ কোটি ৬২ লাখ টাকা। এই প্যাকেজে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে জাপানের এরবিস ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেডকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে, যাদের দর নির্ধারিত বিনিময় হার অনুযায়ী ২০২ কোটি ৩৬ লাখ ৯১ হাজার ৩০৬ টাকা।

দ্বিতীয় প্যাকেজে এমআরআই, সিটি স্ক্যানার, ম্যামোগ্রাফি ও আলট্রাসনোগ্রাফি কেনা হবে। এই প্যাকেজে বরাদ্দ রয়েছে ২১৫ কোটি ৩২ লাখ টাকা এবং এর বিপরীতে ব্যয় হবে ১৬৭ কোটি ১২ লাখ ৪৯ হাজার টাকা। সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে ফুজিফিল্ম হেলথ কেয়ার এশিয়া প্যাসিফিক পিটিই লিমিটেড ও ফুজিফিল্ম মিডল ইস্ট এফজেডই দুবাইয়ের যৌথ উদ্যোগকে সরবরাহকারী হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রকল্পের ক্রয় প্রক্রিয়ায় কারিগরি মূল্যায়নের পর ২০২৬ সালের ২০ এপ্রিল জাইকার অনাপত্তি পাওয়া যায় এবং ২৪ মে আর্থিক প্রস্তাব খোলা হয়। পরবর্তীতে ২৯ জুলাই জাইকার চূড়ান্ত অনাপত্তি পাওয়ার পর এই অনুমোদনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলো।

জনপ্রিয় সংবাদ

যাত্রাবাড়ীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে প্রাণ গেল ২০ বছর বয়সী যুবকের

দেশের সাত বিভাগীয় হাসপাতালে বসছে আধুনিক রোগ নির্ণয় যন্ত্র

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৩০:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকাসহ দেশের সাতটি বিভাগীয় মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের রোগ নির্ণয় ব্যবস্থার আধুনিকীকরণে নতুন যন্ত্রপাতি স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে মোট ৩৬৯ কোটি ৪৯ লাখ ৪০ হাজার ৩০৬ টাকা ব্যয়ে দুটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

‘শিশু ও মাতৃস্বাস্থ্য এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন (কম্পোনেন্ট-২): দেশের ৮টি বিভাগীয় মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ডায়াগনস্টিক ইমেজিং ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ (২য় সংশোধিত)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এই সরঞ্জামগুলো কেনা হচ্ছে। ২০১৬ সালের ১ জুলাই শুরু হওয়া এই প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকল্পের মোট সংশোধিত ব্যয় ১ হাজার ২০২ কোটি ৩৯ লাখ ২৭ হাজার টাকা, যার মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ২৭৫ কোটি ৮৮ লাখ ৯ হাজার টাকা এবং জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) ঋণ ৯২৬ কোটি ৫১ লাখ ১৮ হাজার টাকা।

প্রস্তাবিত যন্ত্রপাতিগুলোর মধ্যে রয়েছে ডিজিটাল এক্স-রে, এনজিওগ্রাফি, গ্যাস্ট্রোস্কোপি, কোলনোস্কোপি, এমআরআই, সিটি স্ক্যানার, ম্যামোগ্রাফি ও আলট্রাসনোগ্রাফি। এই সরঞ্জামগুলো ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, রংপুর, সিলেট ও বরিশাল বিভাগের মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডায়াগনস্টিক ইমেজিং ব্যবস্থায় যুক্ত করা হবে।

প্রথম প্যাকেজের আওতায় ডিজিটাল এক্স-রে, এনজিওগ্রাফি, গ্যাস্ট্রোস্কোপি, কোলনোস্কোপি এবং পিএসিএস/আরআইএস কেনা হবে, যার জন্য আরডিপিপিতে বরাদ্দ রয়েছে ২১৪ কোটি ৬২ লাখ টাকা। এই প্যাকেজে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে জাপানের এরবিস ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেডকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে, যাদের দর নির্ধারিত বিনিময় হার অনুযায়ী ২০২ কোটি ৩৬ লাখ ৯১ হাজার ৩০৬ টাকা।

দ্বিতীয় প্যাকেজে এমআরআই, সিটি স্ক্যানার, ম্যামোগ্রাফি ও আলট্রাসনোগ্রাফি কেনা হবে। এই প্যাকেজে বরাদ্দ রয়েছে ২১৫ কোটি ৩২ লাখ টাকা এবং এর বিপরীতে ব্যয় হবে ১৬৭ কোটি ১২ লাখ ৪৯ হাজার টাকা। সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে ফুজিফিল্ম হেলথ কেয়ার এশিয়া প্যাসিফিক পিটিই লিমিটেড ও ফুজিফিল্ম মিডল ইস্ট এফজেডই দুবাইয়ের যৌথ উদ্যোগকে সরবরাহকারী হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রকল্পের ক্রয় প্রক্রিয়ায় কারিগরি মূল্যায়নের পর ২০২৬ সালের ২০ এপ্রিল জাইকার অনাপত্তি পাওয়া যায় এবং ২৪ মে আর্থিক প্রস্তাব খোলা হয়। পরবর্তীতে ২৯ জুলাই জাইকার চূড়ান্ত অনাপত্তি পাওয়ার পর এই অনুমোদনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলো।