লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৫:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো জাতীয় তাফসির প্রতিযোগিতা

বর্তমান সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা ও নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ‘জাতীয় তাফসির প্রতিযোগিতা’ আয়োজন করতে যাচ্ছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। সোমবার এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই আয়োজনের ঘোষণা দেওয়া হয়। আল-কোরআনের সহিহ তাফসির সম্পর্কে জ্ঞানচর্চা, গবেষণামনস্কতা বৃদ্ধি, প্রজ্ঞাবান আলেম ও মুফাসসির তৈরি এবং নৈতিক মূল্যবোধভিত্তিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রতিযোগিতাটি দুটি গ্রুপে অনুষ্ঠিত হবে। ‘ক’ গ্রুপে অংশ নিতে পারবেন ফাজিল, জালালাইন, দাওরায়ে হাদিস, কামিল, আরবি ও ইসলামিক স্টাডিজে অধ্যয়নরত অনূর্ধ্ব ৩০ বছর বয়সী শিক্ষার্থীরা। এই গ্রুপের জন্য সূরা ফাতিহা, সূরা আল-বাকারা ও সূরা আল-আলাক তাফসিরের বিষয় হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। অন্যদিকে, ‘খ’ গ্রুপে অংশ নিতে পারবেন কামিল, দাওরায়ে হাদিস, আরবি ও ইসলামিক স্টাডিজে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী মাদ্রাসা শিক্ষক, খতিব, ইমাম, গবেষক, দাঈ, ইসলামী লেখক, ওয়ায়েজ ও সংস্কৃতিকর্মীরা। এই গ্রুপের অংশগ্রহণকারীদের বয়স অনূর্ধ্ব ৪০ বছর হতে হবে এবং তাদের জন্য সূরা আন-নূর, সূরা ইয়াসিন, সূরা আল-হুজুরাত, সূরা আর-রহমান ও সূরা আল-ওয়াকিয়া নির্ধারিত হয়েছে।

জাতীয় পর্যায়ে দুই গ্রুপে ছয়জন বিজয়ীকে মোট ৯ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। প্রতিটি গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন পাবেন ২ লাখ টাকা, প্রথম রানারআপ ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং দ্বিতীয় রানারআপ ১ লাখ টাকা। বিজয়ীদের ক্রেস্ট ও সনদপত্রও প্রদান করা হবে। এছাড়া বিভাগীয় পর্যায়ে প্রতিটি বিভাগে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীকে যথাক্রমে ২০ হাজার, ১৫ হাজার ও ১০ হাজার টাকা করে পুরস্কার দেওয়া হবে। আটটি বিভাগে মোট ৪৮ জন বিজয়ীকে সব মিলিয়ে ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদনকারীকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। পাশাপাশি আরবি ভাষায় কথা বলায় পারদর্শী এবং পবিত্র কোরআনের শব্দার্থসহ তরজমা করার যোগ্যতা থাকতে হবে। এছাড়া উলুমুল কোরআন, উসুলুত তাফসির, হাদিস, ফিকহ, ইলমুন নাহু, ইলমুস সরফ ও বালাগাতসহ প্রয়োজনীয় বিষয়ে জ্ঞান থাকা আবশ্যক। প্রতিযোগিতার সহায়ক গ্রন্থ হিসেবে সাফওয়াতুত তাফাসির, কালিমাতুল কোরআন, তাফসিরে জালালাইন, তাফসিরে মাজহারি, তাফসিরে ইবনে কাছির ও তাফসিরে মারেফুল কোরআন বিবেচিত হবে।

আগ্রহী প্রার্থীদের আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নির্ধারিত অনলাইন লিংকের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আবেদন করার সময় প্রতিযোগীদের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আটটি বিভাগীয় কার্যালয়ের—ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ—যেকোনো একটির মাধ্যমে অংশগ্রহণের বিষয়টি উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গুজব ছড়ানো পেজ ও অনিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো জাতীয় তাফসির প্রতিযোগিতা

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:০০:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

বর্তমান সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা ও নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ‘জাতীয় তাফসির প্রতিযোগিতা’ আয়োজন করতে যাচ্ছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। সোমবার এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই আয়োজনের ঘোষণা দেওয়া হয়। আল-কোরআনের সহিহ তাফসির সম্পর্কে জ্ঞানচর্চা, গবেষণামনস্কতা বৃদ্ধি, প্রজ্ঞাবান আলেম ও মুফাসসির তৈরি এবং নৈতিক মূল্যবোধভিত্তিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রতিযোগিতাটি দুটি গ্রুপে অনুষ্ঠিত হবে। ‘ক’ গ্রুপে অংশ নিতে পারবেন ফাজিল, জালালাইন, দাওরায়ে হাদিস, কামিল, আরবি ও ইসলামিক স্টাডিজে অধ্যয়নরত অনূর্ধ্ব ৩০ বছর বয়সী শিক্ষার্থীরা। এই গ্রুপের জন্য সূরা ফাতিহা, সূরা আল-বাকারা ও সূরা আল-আলাক তাফসিরের বিষয় হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। অন্যদিকে, ‘খ’ গ্রুপে অংশ নিতে পারবেন কামিল, দাওরায়ে হাদিস, আরবি ও ইসলামিক স্টাডিজে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী মাদ্রাসা শিক্ষক, খতিব, ইমাম, গবেষক, দাঈ, ইসলামী লেখক, ওয়ায়েজ ও সংস্কৃতিকর্মীরা। এই গ্রুপের অংশগ্রহণকারীদের বয়স অনূর্ধ্ব ৪০ বছর হতে হবে এবং তাদের জন্য সূরা আন-নূর, সূরা ইয়াসিন, সূরা আল-হুজুরাত, সূরা আর-রহমান ও সূরা আল-ওয়াকিয়া নির্ধারিত হয়েছে।

জাতীয় পর্যায়ে দুই গ্রুপে ছয়জন বিজয়ীকে মোট ৯ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। প্রতিটি গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন পাবেন ২ লাখ টাকা, প্রথম রানারআপ ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং দ্বিতীয় রানারআপ ১ লাখ টাকা। বিজয়ীদের ক্রেস্ট ও সনদপত্রও প্রদান করা হবে। এছাড়া বিভাগীয় পর্যায়ে প্রতিটি বিভাগে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীকে যথাক্রমে ২০ হাজার, ১৫ হাজার ও ১০ হাজার টাকা করে পুরস্কার দেওয়া হবে। আটটি বিভাগে মোট ৪৮ জন বিজয়ীকে সব মিলিয়ে ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদনকারীকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। পাশাপাশি আরবি ভাষায় কথা বলায় পারদর্শী এবং পবিত্র কোরআনের শব্দার্থসহ তরজমা করার যোগ্যতা থাকতে হবে। এছাড়া উলুমুল কোরআন, উসুলুত তাফসির, হাদিস, ফিকহ, ইলমুন নাহু, ইলমুস সরফ ও বালাগাতসহ প্রয়োজনীয় বিষয়ে জ্ঞান থাকা আবশ্যক। প্রতিযোগিতার সহায়ক গ্রন্থ হিসেবে সাফওয়াতুত তাফাসির, কালিমাতুল কোরআন, তাফসিরে জালালাইন, তাফসিরে মাজহারি, তাফসিরে ইবনে কাছির ও তাফসিরে মারেফুল কোরআন বিবেচিত হবে।

আগ্রহী প্রার্থীদের আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নির্ধারিত অনলাইন লিংকের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আবেদন করার সময় প্রতিযোগীদের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আটটি বিভাগীয় কার্যালয়ের—ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ—যেকোনো একটির মাধ্যমে অংশগ্রহণের বিষয়টি উল্লেখ করতে হবে।