লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৩:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতীয় বৃক্ষমেলায় নজর কাড়ছে আলী-জাহান অ্যাগ্রো নার্সারির বৈচিত্র্য

“বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গত ৯ জুলাই ২০২৬ থেকে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে মাসব্যাপী ‘জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬’। ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এই মেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি জাতীয় পরিবেশ পদক-২০২৫, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জাতীয় পুরস্কার-২০২৬, বৃক্ষরোপণে জাতীয় পুরস্কার-২০২৫ প্রদান করেন এবং সামাজিক বনায়নের উপকারভোগীদের মাঝে লভ্যাংশের চেক বিতরণ করেন। পরিবেশ সংরক্ষণ ও বনায়ন বাড়াতে মেলায় সরকারি প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন নার্সারির মোট ১২০টি স্টল অংশগ্রহণ করেছে।

মেলা প্রাঙ্গণে দর্শনার্থী ও বৃক্ষপ্রেমীদের বিপুল সমাগমে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। এবারের আসরে নান্দনিক অলংকরণ ও সমৃদ্ধ চারা প্রদর্শনীর মাধ্যমে বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করছে ৪৫ নম্বর স্টলের ‘আলী-জাহান অ্যাগ্রো’। স্টলটিতে বিপুলসংখ্যক দেশি-বিদেশি ফুল, ফল, বনজ ও ঔষধি বৃক্ষের সমৃদ্ধ সংগ্রহ থাকায় এটি মেলার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। নগর জীবনে সুস্থ ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ বজায় রাখতে প্রতিষ্ঠানটি পরিকল্পিত সবুজায়নের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষ করে মেগাসিটি ঢাকার পরিবেশ রক্ষায় বাসাবাড়ির ছাদ, বেলকনি এবং ইনডোর স্পেসের জন্য উপযুক্ত ও স্বাস্থ্যবান্ধব বৃক্ষের সমাহার ঘটিয়েছে তারা, যা সুলভ মূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে।

এদিকে জাতীয় বননীতির আওতায় বৃক্ষরোপণকে রাষ্ট্রীয় আন্দোলনে রূপ দিতে কাজ করছে সরকার। আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে একটি বিশেষ সেল গঠন করা হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় জিআইএস (GIS), রিমোট সেন্সিং, ন্যাশনাল ট্রি ডাটাবেজ এবং ড্রোন প্রযুক্তির মাধ্যমে ডিজিটালি বনায়ন পর্যবেক্ষণ করা হবে। সরকারের এই উদ্যোগের ফলে প্রায় ৩.৫ লক্ষাধিক নতুন ‘সবুজ কর্মসংস্থান’ সৃষ্টি এবং ১০,০০০ নতুন নার্সারি উদ্যোক্তা গড়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। সরকারের এই কেন্দ্রীয় পরিবেশ পরিকল্পনার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে আলী-জাহান অ্যাগ্রো সবুজায়ন বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকায় তিন দিনের সফরে মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গর

জাতীয় বৃক্ষমেলায় নজর কাড়ছে আলী-জাহান অ্যাগ্রো নার্সারির বৈচিত্র্য

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

“বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গত ৯ জুলাই ২০২৬ থেকে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে মাসব্যাপী ‘জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬’। ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এই মেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি জাতীয় পরিবেশ পদক-২০২৫, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জাতীয় পুরস্কার-২০২৬, বৃক্ষরোপণে জাতীয় পুরস্কার-২০২৫ প্রদান করেন এবং সামাজিক বনায়নের উপকারভোগীদের মাঝে লভ্যাংশের চেক বিতরণ করেন। পরিবেশ সংরক্ষণ ও বনায়ন বাড়াতে মেলায় সরকারি প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন নার্সারির মোট ১২০টি স্টল অংশগ্রহণ করেছে।

মেলা প্রাঙ্গণে দর্শনার্থী ও বৃক্ষপ্রেমীদের বিপুল সমাগমে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। এবারের আসরে নান্দনিক অলংকরণ ও সমৃদ্ধ চারা প্রদর্শনীর মাধ্যমে বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করছে ৪৫ নম্বর স্টলের ‘আলী-জাহান অ্যাগ্রো’। স্টলটিতে বিপুলসংখ্যক দেশি-বিদেশি ফুল, ফল, বনজ ও ঔষধি বৃক্ষের সমৃদ্ধ সংগ্রহ থাকায় এটি মেলার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। নগর জীবনে সুস্থ ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ বজায় রাখতে প্রতিষ্ঠানটি পরিকল্পিত সবুজায়নের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষ করে মেগাসিটি ঢাকার পরিবেশ রক্ষায় বাসাবাড়ির ছাদ, বেলকনি এবং ইনডোর স্পেসের জন্য উপযুক্ত ও স্বাস্থ্যবান্ধব বৃক্ষের সমাহার ঘটিয়েছে তারা, যা সুলভ মূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে।

এদিকে জাতীয় বননীতির আওতায় বৃক্ষরোপণকে রাষ্ট্রীয় আন্দোলনে রূপ দিতে কাজ করছে সরকার। আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে একটি বিশেষ সেল গঠন করা হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় জিআইএস (GIS), রিমোট সেন্সিং, ন্যাশনাল ট্রি ডাটাবেজ এবং ড্রোন প্রযুক্তির মাধ্যমে ডিজিটালি বনায়ন পর্যবেক্ষণ করা হবে। সরকারের এই উদ্যোগের ফলে প্রায় ৩.৫ লক্ষাধিক নতুন ‘সবুজ কর্মসংস্থান’ সৃষ্টি এবং ১০,০০০ নতুন নার্সারি উদ্যোক্তা গড়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। সরকারের এই কেন্দ্রীয় পরিবেশ পরিকল্পনার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে আলী-জাহান অ্যাগ্রো সবুজায়ন বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।