লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেত্রকোণায় উপদাখালি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, প্লাবিত নিম্নাঞ্চল

পাহাড়ি ঢলের কারণে নেত্রকোণার প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, কলমাকান্দা পয়েন্টে উপদাখালি নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সোমবার সকাল ৯টার পর্যবেক্ষণ তথ্যে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শাখাওয়াত হোসেন।

জেলার অন্যান্য নদ-নদীর পানিও বৃদ্ধি পাচ্ছে। সোমেশ্বরী, ধনু, মগড়া ও কংশ নদীর পানি বাড়ছে, তবে তা এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর মধ্যে খালিয়াজুরী পয়েন্টে ধনু নদী বিপৎসীমার ১ দশমিক ২১ মিটার নিচে, আটপাড়া উপজেলার মগড়া নদী ৫০ সেন্টিমিটার নিচে এবং জারিয়া পয়েন্টে কংশ নদী ১ দশমিক ৩২ মিটার নিচ দিয়ে বইছে। এছাড়া সোমেশ্বরী নদীর পানি বিজয়পুর পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩ দশমিক ১০ মিটার এবং দুর্গাপুর পয়েন্টে ১ দশমিক ৭৩ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে কলমাকান্দা উপজেলার খারনৈ ও নাজিরপুর ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের তথ্যমতে, পানির তোড়ে স্থানীয় সড়ক তলিয়ে গেছে এবং অনেক পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। প্রবল স্রোতের কারণে খারনৈ ইউনিয়নের গজারমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনের একাংশ ধসে পড়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, তারা নদ-নদীর পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরিস্থিতির অবনতি হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঘরের মাঠে ৩ প্রীতি ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা, সূচি প্রকাশ

নেত্রকোণায় উপদাখালি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, প্লাবিত নিম্নাঞ্চল

প্রকাশিত হয়েছে: ০৭:০০:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

পাহাড়ি ঢলের কারণে নেত্রকোণার প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, কলমাকান্দা পয়েন্টে উপদাখালি নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সোমবার সকাল ৯টার পর্যবেক্ষণ তথ্যে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শাখাওয়াত হোসেন।

জেলার অন্যান্য নদ-নদীর পানিও বৃদ্ধি পাচ্ছে। সোমেশ্বরী, ধনু, মগড়া ও কংশ নদীর পানি বাড়ছে, তবে তা এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর মধ্যে খালিয়াজুরী পয়েন্টে ধনু নদী বিপৎসীমার ১ দশমিক ২১ মিটার নিচে, আটপাড়া উপজেলার মগড়া নদী ৫০ সেন্টিমিটার নিচে এবং জারিয়া পয়েন্টে কংশ নদী ১ দশমিক ৩২ মিটার নিচ দিয়ে বইছে। এছাড়া সোমেশ্বরী নদীর পানি বিজয়পুর পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩ দশমিক ১০ মিটার এবং দুর্গাপুর পয়েন্টে ১ দশমিক ৭৩ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে কলমাকান্দা উপজেলার খারনৈ ও নাজিরপুর ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের তথ্যমতে, পানির তোড়ে স্থানীয় সড়ক তলিয়ে গেছে এবং অনেক পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। প্রবল স্রোতের কারণে খারনৈ ইউনিয়নের গজারমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনের একাংশ ধসে পড়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, তারা নদ-নদীর পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরিস্থিতির অবনতি হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।