লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৫:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দক্ষিণ চীন সাগরে নতুন সামরিক স্থাপনা বেইজিংয়ের, স্যাটেলাইট চিত্রে ইঙ্গিত

দক্ষিণ চীন সাগরের পারাসেল দ্বীপপুঞ্জের একটি ছোট দ্বীপে চীন নতুন করে সামরিক স্থাপনা নির্মাণ করছে বলে স্যাটেলাইট চিত্রে তথ্য পাওয়া গেছে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, বেইজিং সম্ভবত এই স্থাপনাগুলোকে রাডার বা আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইয়াগং দ্বীপে এই নতুন নির্মাণকাজ চলছে।

বাণিজ্যিক স্যাটেলাইট ছবি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ভ্যান্টর জানিয়েছে, তাদের তোলা সর্বশেষ ১৭ আগস্টের ছবিতে এই নির্মাণকাজের প্রমাণ পাওয়া গেছে। ছবিগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এই কার্যক্রম মূলত মার্চ ও এপ্রিল মাসের দিকে শুরু হয়েছিল। দ্বীপটি অ্যান্টিলোপ রিফের মাত্র ১৪ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, নির্মাণকাজের প্রাথমিক ধাপটি ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। প্রায় ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এই কৃত্রিম দ্বীপটির এক প্রান্তে ৩ কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ একটি সরল উপকূল তৈরি করা হয়েছে, যেখানে রানওয়ে নির্মাণের সম্ভাবনা রয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। যদিও বেইজিং এখনো এই স্থাপনাগুলোর সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।

ভ্যান্টরের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, স্থাপনাগুলোর আকৃতি দক্ষিণ চীন সাগরের অন্যান্য এলাকায় থাকা বিদ্যমান সামরিক রাডার ও আগাম সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সিঙ্গাপুরভিত্তিক নিরাপত্তা গবেষক কলিন কোহও এটিকে একটি রাডার স্টেশন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে মন্তব্য করেছেন। তবে তিনি এও জানিয়েছেন যে, স্থাপনাটি ছোট আকারের হওয়ার কারণে এটি স্বতন্ত্র কোনো পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রও হতে পারে।

উল্লেখ্য যে, ১৯৭৪ সালে সাবেক দক্ষিণ ভিয়েতনামের নৌবাহিনীর কাছ থেকে পারাসেল দ্বীপপুঞ্জ দখল করে নেয় চীন। ভিয়েতনাম এখনো পুরো দ্বীপপুঞ্জটির ওপর নিজেদের মালিকানা দাবি করে আসছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পাঁচ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

দক্ষিণ চীন সাগরে নতুন সামরিক স্থাপনা বেইজিংয়ের, স্যাটেলাইট চিত্রে ইঙ্গিত

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

দক্ষিণ চীন সাগরের পারাসেল দ্বীপপুঞ্জের একটি ছোট দ্বীপে চীন নতুন করে সামরিক স্থাপনা নির্মাণ করছে বলে স্যাটেলাইট চিত্রে তথ্য পাওয়া গেছে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, বেইজিং সম্ভবত এই স্থাপনাগুলোকে রাডার বা আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইয়াগং দ্বীপে এই নতুন নির্মাণকাজ চলছে।

বাণিজ্যিক স্যাটেলাইট ছবি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ভ্যান্টর জানিয়েছে, তাদের তোলা সর্বশেষ ১৭ আগস্টের ছবিতে এই নির্মাণকাজের প্রমাণ পাওয়া গেছে। ছবিগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এই কার্যক্রম মূলত মার্চ ও এপ্রিল মাসের দিকে শুরু হয়েছিল। দ্বীপটি অ্যান্টিলোপ রিফের মাত্র ১৪ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, নির্মাণকাজের প্রাথমিক ধাপটি ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। প্রায় ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এই কৃত্রিম দ্বীপটির এক প্রান্তে ৩ কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ একটি সরল উপকূল তৈরি করা হয়েছে, যেখানে রানওয়ে নির্মাণের সম্ভাবনা রয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। যদিও বেইজিং এখনো এই স্থাপনাগুলোর সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।

ভ্যান্টরের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, স্থাপনাগুলোর আকৃতি দক্ষিণ চীন সাগরের অন্যান্য এলাকায় থাকা বিদ্যমান সামরিক রাডার ও আগাম সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সিঙ্গাপুরভিত্তিক নিরাপত্তা গবেষক কলিন কোহও এটিকে একটি রাডার স্টেশন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে মন্তব্য করেছেন। তবে তিনি এও জানিয়েছেন যে, স্থাপনাটি ছোট আকারের হওয়ার কারণে এটি স্বতন্ত্র কোনো পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রও হতে পারে।

উল্লেখ্য যে, ১৯৭৪ সালে সাবেক দক্ষিণ ভিয়েতনামের নৌবাহিনীর কাছ থেকে পারাসেল দ্বীপপুঞ্জ দখল করে নেয় চীন। ভিয়েতনাম এখনো পুরো দ্বীপপুঞ্জটির ওপর নিজেদের মালিকানা দাবি করে আসছে।