লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বামী ও প্রেমিককে নিয়ে এক ছাদের নিচে সংসার করতে চান নারী

ভারতের উত্তরপ্রদেশের সীতাপুর জেলায় এক নারী তার স্বামী ও প্রেমিক—দুজনের সঙ্গেই একই ছাদের নিচে বসবাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এমন বিরল ঘটনাটি ঘটেছে সীতাপুরের মাহমুদাবাদ এলাকায়। জানা গেছে, ওই নারীর নাম অঞ্জু বর্মা এবং তার স্বামীর নাম শুভম বর্মা। দাম্পত্য জীবনে তাদের দুটি সন্তানও রয়েছে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিবাহিত জীবনের বাইরে অঞ্জু পাশের গ্রামের নীতিন বিশ্বকর্মার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে স্বামী ও প্রেমিকের মধ্যে একজনকে বেছে নেওয়ার পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে অঞ্জু কাউকেই ছেড়ে দিতে রাজি হননি। এর পরিবর্তে তিনি স্বামী শুভম ও প্রেমিক নীতিনকে নিয়ে একসঙ্গে সংসার করার ইচ্ছা পোষণ করেন।

অঞ্জুর এই অস্বাভাবিক পারিবারিক সিদ্ধান্তের কথা জানতে পেরে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি সহজভাবে মেনে নিতে পারেননি। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে অঞ্জু, তার স্বামী শুভম এবং প্রেমিক নীতিন থানায় যান। সেখানে অঞ্জু পুলিশকে জানান যে তিনি স্বামী ও প্রেমিক উভয়ের সঙ্গেই থাকতে চান। পুলিশের উপস্থিতিতে স্বামী শুভম জানান, স্ত্রীর এই সিদ্ধান্তে তার কোনো আপত্তি নেই এবং প্রয়োজনে তিনি বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র থাকতেও প্রস্তুত। অন্যদিকে নীতিনও অঞ্জু ও শুভমের সঙ্গে একই বাড়িতে থাকার বিষয়ে সম্মতি প্রকাশ করেন।

পুলিশ কর্মকর্তারা তিনজনকে দীর্ঘ সময় ধরে বোঝানোর চেষ্টা করলেও তাদের সিদ্ধান্তে কোনো পরিবর্তন আসেনি। অবাক করার মতো বিষয় হলো, অঞ্জু ও শুভমের দুই সন্তানও এই পরিস্থিতিতে আপত্তি জানায়নি। তারা মা, বাবা এবং নীতিনকে নিয়ে একসঙ্গে থাকতে রাজি বলে জানা গেছে। তবে এই পারিবারিক সিদ্ধান্ত বাস্তবে কীভাবে কার্যকর হবে এবং তারা শেষ পর্যন্ত একই ছাদের নিচে সংসার করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নভেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন

স্বামী ও প্রেমিককে নিয়ে এক ছাদের নিচে সংসার করতে চান নারী

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:০১:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

ভারতের উত্তরপ্রদেশের সীতাপুর জেলায় এক নারী তার স্বামী ও প্রেমিক—দুজনের সঙ্গেই একই ছাদের নিচে বসবাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এমন বিরল ঘটনাটি ঘটেছে সীতাপুরের মাহমুদাবাদ এলাকায়। জানা গেছে, ওই নারীর নাম অঞ্জু বর্মা এবং তার স্বামীর নাম শুভম বর্মা। দাম্পত্য জীবনে তাদের দুটি সন্তানও রয়েছে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিবাহিত জীবনের বাইরে অঞ্জু পাশের গ্রামের নীতিন বিশ্বকর্মার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে স্বামী ও প্রেমিকের মধ্যে একজনকে বেছে নেওয়ার পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে অঞ্জু কাউকেই ছেড়ে দিতে রাজি হননি। এর পরিবর্তে তিনি স্বামী শুভম ও প্রেমিক নীতিনকে নিয়ে একসঙ্গে সংসার করার ইচ্ছা পোষণ করেন।

অঞ্জুর এই অস্বাভাবিক পারিবারিক সিদ্ধান্তের কথা জানতে পেরে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি সহজভাবে মেনে নিতে পারেননি। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে অঞ্জু, তার স্বামী শুভম এবং প্রেমিক নীতিন থানায় যান। সেখানে অঞ্জু পুলিশকে জানান যে তিনি স্বামী ও প্রেমিক উভয়ের সঙ্গেই থাকতে চান। পুলিশের উপস্থিতিতে স্বামী শুভম জানান, স্ত্রীর এই সিদ্ধান্তে তার কোনো আপত্তি নেই এবং প্রয়োজনে তিনি বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র থাকতেও প্রস্তুত। অন্যদিকে নীতিনও অঞ্জু ও শুভমের সঙ্গে একই বাড়িতে থাকার বিষয়ে সম্মতি প্রকাশ করেন।

পুলিশ কর্মকর্তারা তিনজনকে দীর্ঘ সময় ধরে বোঝানোর চেষ্টা করলেও তাদের সিদ্ধান্তে কোনো পরিবর্তন আসেনি। অবাক করার মতো বিষয় হলো, অঞ্জু ও শুভমের দুই সন্তানও এই পরিস্থিতিতে আপত্তি জানায়নি। তারা মা, বাবা এবং নীতিনকে নিয়ে একসঙ্গে থাকতে রাজি বলে জানা গেছে। তবে এই পারিবারিক সিদ্ধান্ত বাস্তবে কীভাবে কার্যকর হবে এবং তারা শেষ পর্যন্ত একই ছাদের নিচে সংসার করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।