লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হরমুজের উত্তাপে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯০ ডলার

মধ্যপ্রাচ্যে জাহাজের ওপর হামলার ঘটনার জেরে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর বিষয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। এর সরাসরি প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে অনেকটাই বেড়ে গেছে। বুধবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ২ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৯০ ডলারে গিয়ে ঠেকেছে।

অক্টোবর মাসের সরবরাহের জন্য ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৮৯ দশমিক ৬১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এই দাম গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় প্রায় ২৪ শতাংশ বেশি। বিশ্লেষকদের মতে, দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি ছাড়া আলোচনা দীর্ঘায়িত হওয়া এবং ইরানের পক্ষ থেকে যুদ্ধক্ষতিপূরণ ও অবরোধ প্রত্যাহারের মতো জটিল শর্ত দেওয়ার কারণে বাজারের আস্থা ক্রমশ কমছে।

কাতারের মধ্যস্থতায় ওমান ও ইরানের মধ্যে আলোচনা চলমান থাকলেও তেহরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, শর্ত পূরণ না হলে এই জলপথ বন্ধই থাকবে। যুদ্ধের আগে হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৩০টি জাহাজ চলাচল করলেও বর্তমানে তা কমে মাত্র ১০টিতে নেমে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে তেল উৎপাদন যুদ্ধপূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরতে ২০২৭ সাল পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারির দায়িত্ব ছাড়ছেন ক্যারোলিন লেভিট

হরমুজের উত্তাপে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯০ ডলার

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:৩৬:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে জাহাজের ওপর হামলার ঘটনার জেরে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর বিষয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। এর সরাসরি প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে অনেকটাই বেড়ে গেছে। বুধবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ২ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৯০ ডলারে গিয়ে ঠেকেছে।

অক্টোবর মাসের সরবরাহের জন্য ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৮৯ দশমিক ৬১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এই দাম গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় প্রায় ২৪ শতাংশ বেশি। বিশ্লেষকদের মতে, দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি ছাড়া আলোচনা দীর্ঘায়িত হওয়া এবং ইরানের পক্ষ থেকে যুদ্ধক্ষতিপূরণ ও অবরোধ প্রত্যাহারের মতো জটিল শর্ত দেওয়ার কারণে বাজারের আস্থা ক্রমশ কমছে।

কাতারের মধ্যস্থতায় ওমান ও ইরানের মধ্যে আলোচনা চলমান থাকলেও তেহরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, শর্ত পূরণ না হলে এই জলপথ বন্ধই থাকবে। যুদ্ধের আগে হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৩০টি জাহাজ চলাচল করলেও বর্তমানে তা কমে মাত্র ১০টিতে নেমে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে তেল উৎপাদন যুদ্ধপূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরতে ২০২৭ সাল পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে।