লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গৃহকর্মীকে গরম কড়াইয়ের ছ্যাঁকা, খুলনায় পুলিশ দম্পতি গ্রেপ্তার

খুলনার সোনাডাঙ্গা এলাকায় এক কিশোরী গৃহকর্মীকে গরম কড়াই দিয়ে ছ্যাঁকা ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে পুলিশের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযুক্তরা হলেন সোনাডাঙ্গা থানায় কর্মরত সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সঞ্জয় মিত্র ও তার স্ত্রী এএসআই পপি মিত্র।

বৃহস্পতিবার সকালে ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পরপরই পুলিশ অভিযুক্ত ওই দম্পতিকে গ্রেপ্তার দেখায়। নির্যাতনের শিকার কিশোরীকে চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরে সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার সোলার পার্ক সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসায় এই নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানালা দিয়ে দেখতে পান, গরম কড়াই দিয়ে মেয়েটির মুখ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছ্যাঁকা দেওয়া হচ্ছে। ভুক্তভোগী যন্ত্রণায় মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে তাকে কান ধরে ওঠবস করানো হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, হাত থেকে তরকারি পড়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে গৃহকর্ত্রী পপি মিত্র ওই কিশোরীর ওপর নির্যাতন চালান। প্রতিবেশীদের অভিযোগ, সঞ্জয় মিত্র ও পপি মিত্র দীর্ঘ দিন ধরেই গৃহকর্মীকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করতেন। ভুক্তভোগীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে পুরোনো আঘাতের চিহ্নও পরিলক্ষিত হয়েছে।

ঘটনার সময় স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে কিশোরীকে উদ্ধার করে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে নিয়ে যান। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ভোরে নরসিংদী থেকে খুলনায় এসে ভুক্তভোগীর মা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং তারা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

আঙুলের শব্দে আম্পায়ার বিভ্রান্ত, ইংল্যান্ডের ক্রিকেটে প্রতারণার নজির

গৃহকর্মীকে গরম কড়াইয়ের ছ্যাঁকা, খুলনায় পুলিশ দম্পতি গ্রেপ্তার

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৩০:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

খুলনার সোনাডাঙ্গা এলাকায় এক কিশোরী গৃহকর্মীকে গরম কড়াই দিয়ে ছ্যাঁকা ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে পুলিশের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযুক্তরা হলেন সোনাডাঙ্গা থানায় কর্মরত সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সঞ্জয় মিত্র ও তার স্ত্রী এএসআই পপি মিত্র।

বৃহস্পতিবার সকালে ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পরপরই পুলিশ অভিযুক্ত ওই দম্পতিকে গ্রেপ্তার দেখায়। নির্যাতনের শিকার কিশোরীকে চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরে সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার সোলার পার্ক সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসায় এই নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানালা দিয়ে দেখতে পান, গরম কড়াই দিয়ে মেয়েটির মুখ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছ্যাঁকা দেওয়া হচ্ছে। ভুক্তভোগী যন্ত্রণায় মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে তাকে কান ধরে ওঠবস করানো হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, হাত থেকে তরকারি পড়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে গৃহকর্ত্রী পপি মিত্র ওই কিশোরীর ওপর নির্যাতন চালান। প্রতিবেশীদের অভিযোগ, সঞ্জয় মিত্র ও পপি মিত্র দীর্ঘ দিন ধরেই গৃহকর্মীকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করতেন। ভুক্তভোগীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে পুরোনো আঘাতের চিহ্নও পরিলক্ষিত হয়েছে।

ঘটনার সময় স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে কিশোরীকে উদ্ধার করে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে নিয়ে যান। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ভোরে নরসিংদী থেকে খুলনায় এসে ভুক্তভোগীর মা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং তারা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।