লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৪:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ভেরিফিকেশন নিয়ে প্রশ্ন, পুনঃতদন্তের দাবি ইউটিএলের

প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫: ২৮। সহকারী প্রাথমিক শিক্ষক পদে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় মেধার ভিত্তিতে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও গোয়েন্দা ভেরিফিকেশনের নামে শত শত প্রার্থীকে নিয়োগ থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংক (ইউটিএল)। শনিবার এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোঃ আতিয়ার রহমান ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. যুবাঈর মুহাম্মদ এহসান এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

নেতৃবৃন্দ বলেন, বাদ পড়া প্রার্থীরা প্রত্যেকেই নিয়োগ প্রক্রিয়ার সব ধাপ পেরিয়ে মেধার স্বাক্ষর রেখেছিলেন। যদি ভেরিফিকেশনের নামে তাদের বাদ দেওয়া হয়ে থাকে, তবে তার সুনির্দিষ্ট কারণ ও আইনগত ভিত্তি জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে। তাদের মতে, ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়াটি কখনোই রাজনৈতিক-মতাদর্শিক বৈষম্য, হয়রানি বা বাছাইয়ের হাতিয়ার হতে পারে না।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে রাজনৈতিক মতামত বা সরকারের সঙ্গে মতপার্থক্যের কারণে কাউকে চাকরিবঞ্চিত করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিগত ১৭ বছর ধরে গোপন প্রতিবেদনের নামে নাগরিকদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করার যে সংস্কৃতি চলে আসছে, তা আর চলতে দেওয়া যায় না। কোনো সরকারি সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নিয়োগ বাতিল করতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে সেই প্রতিবেদনের যৌক্তিকতা যাচাইয়ের যথাযথ সুযোগ দিতে হবে বলে নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন।

ইউটিএল নেতৃবৃন্দ সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তারা বলেন, জুলাই পরবর্তী সময়ে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক নিয়োগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। সরকারি চাকরি কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতি আনুগত্যের পুরস্কার নয় বলেও তারা মন্তব্য করেন।

সংগঠনটি অবিলম্বে বাদ পড়া সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের ভেরিফিকেশন প্রতিবেদন পুনঃপর্যালোচনা করার আহ্বান জানিয়েছে। প্রয়োজনে পুনঃতদন্তের মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দাবি জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, ভেরিফিকেশনের নামে এই বৈষম্যমূলক বাছাই প্রক্রিয়া ইনসাফভিত্তিক নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষার সাথে সাংঘর্ষিক।

জনপ্রিয় সংবাদ

এটিইউ ও সিটিটিসির নাম বদলে হচ্ছে ‘স্পেশাল রেসপন্স ইউনিট’

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ভেরিফিকেশন নিয়ে প্রশ্ন, পুনঃতদন্তের দাবি ইউটিএলের

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫: ২৮। সহকারী প্রাথমিক শিক্ষক পদে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় মেধার ভিত্তিতে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও গোয়েন্দা ভেরিফিকেশনের নামে শত শত প্রার্থীকে নিয়োগ থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংক (ইউটিএল)। শনিবার এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোঃ আতিয়ার রহমান ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. যুবাঈর মুহাম্মদ এহসান এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

নেতৃবৃন্দ বলেন, বাদ পড়া প্রার্থীরা প্রত্যেকেই নিয়োগ প্রক্রিয়ার সব ধাপ পেরিয়ে মেধার স্বাক্ষর রেখেছিলেন। যদি ভেরিফিকেশনের নামে তাদের বাদ দেওয়া হয়ে থাকে, তবে তার সুনির্দিষ্ট কারণ ও আইনগত ভিত্তি জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে। তাদের মতে, ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়াটি কখনোই রাজনৈতিক-মতাদর্শিক বৈষম্য, হয়রানি বা বাছাইয়ের হাতিয়ার হতে পারে না।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে রাজনৈতিক মতামত বা সরকারের সঙ্গে মতপার্থক্যের কারণে কাউকে চাকরিবঞ্চিত করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিগত ১৭ বছর ধরে গোপন প্রতিবেদনের নামে নাগরিকদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করার যে সংস্কৃতি চলে আসছে, তা আর চলতে দেওয়া যায় না। কোনো সরকারি সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নিয়োগ বাতিল করতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে সেই প্রতিবেদনের যৌক্তিকতা যাচাইয়ের যথাযথ সুযোগ দিতে হবে বলে নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন।

ইউটিএল নেতৃবৃন্দ সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তারা বলেন, জুলাই পরবর্তী সময়ে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক নিয়োগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। সরকারি চাকরি কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতি আনুগত্যের পুরস্কার নয় বলেও তারা মন্তব্য করেন।

সংগঠনটি অবিলম্বে বাদ পড়া সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের ভেরিফিকেশন প্রতিবেদন পুনঃপর্যালোচনা করার আহ্বান জানিয়েছে। প্রয়োজনে পুনঃতদন্তের মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দাবি জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, ভেরিফিকেশনের নামে এই বৈষম্যমূলক বাছাই প্রক্রিয়া ইনসাফভিত্তিক নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষার সাথে সাংঘর্ষিক।