লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৮:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারি হাসপাতালই হবে মানুষের একমাত্র ভরসার জায়গা: প্রধানমন্ত্রী

সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও সহজলভ্য করার লক্ষ্যে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষ যেন সরকারি হাসপাতালে কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই সহজে চিকিৎসা সেবা পায়। গ্রামের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চিকিৎসার জন্য যেন তাদের আর অন্য কোথাও যেতে না হয়, সেই লক্ষ্যে সরকারি হাসপাতালগুলোকেই একমাত্র ভরসার জায়গা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী এই প্রথম স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অডিটোরিয়ামে গিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করেন। বৈঠকের শুরুতে তিনি বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর গত পাঁচ মাসে স্বাস্থ্যখাতের অর্জন সম্পর্কে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিবদের কাছে জানতে চান। এ সময় দায়িত্বশীলরা অভিযোগ করেন যে, বিগত সরকার স্বাস্থ্যখাতকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল, যা থেকে উত্তরণের জন্য তারা বর্তমানে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

চিকিৎসকদের দায়িত্ববোধের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী কড়া বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, রোগীদের সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের আরও আন্তরিক হতে হবে। উপজেলা পর্যায়ে চিকিৎসক থাকা সত্ত্বেও রোগীদের সন্তোষজনক সেবা না পাওয়া বা দায়িত্ব অবহেলার যে অভিযোগ গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উঠে আসে, তা আমলে নিয়ে তিনি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, গ্রামের মানুষের জন্য পর্যাপ্ত ওষুধ এবং মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।

কিডনি রোগীদের দুর্ভোগ কমাতে প্রধানমন্ত্রী জেলা পর্যায়ে ৫০ শয্যার ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা তুলে ধরেন। বর্তমানে যেসব জেলায় ১০ শয্যার কেন্দ্র রয়েছে, সেগুলো ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হবে এবং আগামী তিন বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে সব উপজেলা পর্যায়ে ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপন করা হবে। এজন্য দক্ষ জনবল তৈরি ও লজিস্টিক সাপোর্ট নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো ৫১ শয্যা থেকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে অবকাঠামোগত নকশা ও জনবল নিয়োগের বিষয়টিও বৈঠকে আলোচনা করা হয়েছে।

বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম এ মুহিতসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ঢাকার বিভিন্ন শীর্ষ হাসপাতালের পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা।

আজ সোমবার (২০ জুলাই) বিকেলে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে গিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করে এই নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। এই প্রথম প্রধানমন্ত্রী নিজে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অডিটোরিয়ামে গিয়ে বৈঠক করেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, বৈঠকে বেশ কয়েকটি নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকের শুরুতে তিনি বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এ পর্যন্ত স্বাস্থ্যখাতে গত ৫ মাসের অর্জন সম্পর্কে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সচিবসহ উপস্থিত সংশ্লিষ্টদের কাছে জানতে চান। তারা সেগু

জনপ্রিয় সংবাদ

কুয়ালালামপুরে জাল নথি চক্রে ২৭ বাংলাদেশি আটক, জব্দ ১০ পাসপোর্ট

সরকারি হাসপাতালই হবে মানুষের একমাত্র ভরসার জায়গা: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৩১:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও সহজলভ্য করার লক্ষ্যে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষ যেন সরকারি হাসপাতালে কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই সহজে চিকিৎসা সেবা পায়। গ্রামের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চিকিৎসার জন্য যেন তাদের আর অন্য কোথাও যেতে না হয়, সেই লক্ষ্যে সরকারি হাসপাতালগুলোকেই একমাত্র ভরসার জায়গা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী এই প্রথম স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অডিটোরিয়ামে গিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করেন। বৈঠকের শুরুতে তিনি বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর গত পাঁচ মাসে স্বাস্থ্যখাতের অর্জন সম্পর্কে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিবদের কাছে জানতে চান। এ সময় দায়িত্বশীলরা অভিযোগ করেন যে, বিগত সরকার স্বাস্থ্যখাতকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল, যা থেকে উত্তরণের জন্য তারা বর্তমানে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

চিকিৎসকদের দায়িত্ববোধের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী কড়া বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, রোগীদের সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের আরও আন্তরিক হতে হবে। উপজেলা পর্যায়ে চিকিৎসক থাকা সত্ত্বেও রোগীদের সন্তোষজনক সেবা না পাওয়া বা দায়িত্ব অবহেলার যে অভিযোগ গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উঠে আসে, তা আমলে নিয়ে তিনি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, গ্রামের মানুষের জন্য পর্যাপ্ত ওষুধ এবং মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।

কিডনি রোগীদের দুর্ভোগ কমাতে প্রধানমন্ত্রী জেলা পর্যায়ে ৫০ শয্যার ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা তুলে ধরেন। বর্তমানে যেসব জেলায় ১০ শয্যার কেন্দ্র রয়েছে, সেগুলো ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হবে এবং আগামী তিন বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে সব উপজেলা পর্যায়ে ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপন করা হবে। এজন্য দক্ষ জনবল তৈরি ও লজিস্টিক সাপোর্ট নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো ৫১ শয্যা থেকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে অবকাঠামোগত নকশা ও জনবল নিয়োগের বিষয়টিও বৈঠকে আলোচনা করা হয়েছে।

বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম এ মুহিতসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ঢাকার বিভিন্ন শীর্ষ হাসপাতালের পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা।

আজ সোমবার (২০ জুলাই) বিকেলে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে গিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করে এই নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। এই প্রথম প্রধানমন্ত্রী নিজে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অডিটোরিয়ামে গিয়ে বৈঠক করেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, বৈঠকে বেশ কয়েকটি নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকের শুরুতে তিনি বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এ পর্যন্ত স্বাস্থ্যখাতে গত ৫ মাসের অর্জন সম্পর্কে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সচিবসহ উপস্থিত সংশ্লিষ্টদের কাছে জানতে চান। তারা সেগু