লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার সুরক্ষায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গুরুত্বারোপ

মানবাধিকার, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা অবশ্যই সুরক্ষিত রাখতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার ‘বে অব বেঙ্গল কনফারেন্সে-২০২৬’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, শক্তিশালী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য। তার সরকার প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে সুদৃঢ় করার কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, আইনের শাসন প্রতিটি নাগরিকের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হওয়া উচিত এবং এমন একটি প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতি গড়ে তোলা হবে যেখানে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকবে।

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে একটি বড় বৈশ্বিক দায়িত্ব পালন করছে। তার মূল লক্ষ্য মিয়ানমারে এই শরণার্থীদের দ্রুত, স্বেচ্ছায়, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে এ বিষয়ে অব্যাহত রাজনৈতিক সমর্থন ও অর্থায়ন প্রত্যাশা করেছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, মিয়ানমারে যে সংকটের উৎপত্তি, তার সমাপ্তিও সেখানে হওয়া জরুরি।

বঙ্গোপসাগরের কৌশলগত গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এই সমুদ্র উপকূলীয় অর্থনীতি, নৌপথ ও বন্দর বিশ্ব বাণিজ্যের সাথে যুক্ত হওয়ার অপার সম্ভাবনা রাখে। তিনি মৎস্যসম্পদ, জাহাজ চলাচল, পর্যটন, জ্বালানি এবং আঞ্চলিক সরবরাহ চেইনের উন্নয়নে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সমতা ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে শক্তিশালী সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের জন্য নতুন বাজার ও সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে সংলাপ, অংশীদারিত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জানান, বাংলাদেশ তার জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বদ্ধপরিকর, তবে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অংশীদারদের সাথে শান্তি ও সম্প্রীতির ভিত্তিতে কাজ করে যেতে চায়। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলটি এমন একটি স্থানে পরিণত হবে যেখানে রাষ্ট্রগুলো একসাথে বিকশিত হবে এবং নাগরিকরা পারস্পরিক সহযোগিতার হাত প্রসারিত করবে। এই লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশ তার যথাযথ ভূমিকা পালনে প্রস্তুত বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।

মুকসুদপুরে ইমাদ পরিবহনের বাসের ধাক্কায় বাইসাইকেল আরোহী নিহত

মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার সুরক্ষায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গুরুত্বারোপ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:৩১:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

মানবাধিকার, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা অবশ্যই সুরক্ষিত রাখতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার ‘বে অব বেঙ্গল কনফারেন্সে-২০২৬’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, শক্তিশালী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য। তার সরকার প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে সুদৃঢ় করার কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, আইনের শাসন প্রতিটি নাগরিকের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হওয়া উচিত এবং এমন একটি প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতি গড়ে তোলা হবে যেখানে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকবে।

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে একটি বড় বৈশ্বিক দায়িত্ব পালন করছে। তার মূল লক্ষ্য মিয়ানমারে এই শরণার্থীদের দ্রুত, স্বেচ্ছায়, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে এ বিষয়ে অব্যাহত রাজনৈতিক সমর্থন ও অর্থায়ন প্রত্যাশা করেছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, মিয়ানমারে যে সংকটের উৎপত্তি, তার সমাপ্তিও সেখানে হওয়া জরুরি।

বঙ্গোপসাগরের কৌশলগত গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এই সমুদ্র উপকূলীয় অর্থনীতি, নৌপথ ও বন্দর বিশ্ব বাণিজ্যের সাথে যুক্ত হওয়ার অপার সম্ভাবনা রাখে। তিনি মৎস্যসম্পদ, জাহাজ চলাচল, পর্যটন, জ্বালানি এবং আঞ্চলিক সরবরাহ চেইনের উন্নয়নে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সমতা ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে শক্তিশালী সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের জন্য নতুন বাজার ও সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে সংলাপ, অংশীদারিত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জানান, বাংলাদেশ তার জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বদ্ধপরিকর, তবে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অংশীদারদের সাথে শান্তি ও সম্প্রীতির ভিত্তিতে কাজ করে যেতে চায়। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলটি এমন একটি স্থানে পরিণত হবে যেখানে রাষ্ট্রগুলো একসাথে বিকশিত হবে এবং নাগরিকরা পারস্পরিক সহযোগিতার হাত প্রসারিত করবে। এই লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশ তার যথাযথ ভূমিকা পালনে প্রস্তুত বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।