লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারের সুযোগ দেওয়ায় ভারতের প্রতি ঢাকার ক্ষোভ

নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনাকে সরাসরি সংবাদ সম্মেলনের সুযোগ দেওয়ায় তীব্র ক্ষোভ ও গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার রাতে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় জানায়, জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালনকালে ভারতের মাটিতে দণ্ডপ্রাপ্ত ও গণহত্যার আসামি হাসিনার এই বক্তব্য বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি সরাসরি আঘাত এবং শহীদদের প্রতি চরম অবমাননা।

মন্ত্রণালয়ের ভাষ্যমতে, এই অনুষ্ঠান আয়োজনের সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে ভারত সরকারকে আগেভাগেই অবহিত করা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হতে দেওয়ায় ঢাকা গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছে। জাতিসংঘ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত জুলাই-আগস্টের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তথ্য অস্বীকারের এই চেষ্টাকে ইতিহাসের গতিপথ পাল্টানোর ব্যর্থ প্রয়াস হিসেবে অভিহিত করেছে মন্ত্রণালয়। বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয় যে, দণ্ডপ্রাপ্ত গণহত্যাকারী হাসিনা ও তার অপরাধী চক্রের বাংলাদেশের রাজনীতিতে আর কোনো স্থান নেই।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে সার্বভৌম সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার ভিত্তিতে গঠনমূলক ও ফলপ্রসূ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। তবে ২০১৩ সালের প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর জন্য বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও ভারতের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া মেলেনি বলে মন্ত্রণালয় আক্ষেপ প্রকাশ করে। উল্টো তাকে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেওয়া দুই দেশের সুসম্পর্ক উন্নয়নের জন্য ক্ষতিকর এবং বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতিতে আঘাতকারী বলে মন্ত্রণালয় মন্তব্য করেছে।

পরিশেষে, জুলাই বিপ্লবের চেতনা সমুন্নত রেখে বাংলাদেশ আর কখনো ফ্যাসিবাদের অন্ধকার যুগে ফিরে যাবে না এবং কোনো রাষ্ট্রের করদ রাজ্যে পরিণত হবে না বলে জনগণ দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ বলে মন্ত্রণালয় পুনর্ব্যক্ত করেছে।

মন্ত্রণালয় উল্লেখ করে, ‘বাংলাদেশ যখন জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালন করছে, সে দিনই ভারতের মাটিতে হাসিনার এই বক্তব্য বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি আঘাত এবং জুলাই বিপ্লবের শহীদদের প্রতি চরম অবমাননা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। জাতিসংঘ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত সত্য—২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ফ্যাসিবাদী শাসনামলে নিরীহ নাগরিক ও শিশু

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসলামে সৎ ব্যবসায়ীদের গুণাবলি ও সততার পুরস্কার

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারের সুযোগ দেওয়ায় ভারতের প্রতি ঢাকার ক্ষোভ

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৩৬:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনাকে সরাসরি সংবাদ সম্মেলনের সুযোগ দেওয়ায় তীব্র ক্ষোভ ও গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার রাতে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় জানায়, জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালনকালে ভারতের মাটিতে দণ্ডপ্রাপ্ত ও গণহত্যার আসামি হাসিনার এই বক্তব্য বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি সরাসরি আঘাত এবং শহীদদের প্রতি চরম অবমাননা।

মন্ত্রণালয়ের ভাষ্যমতে, এই অনুষ্ঠান আয়োজনের সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে ভারত সরকারকে আগেভাগেই অবহিত করা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হতে দেওয়ায় ঢাকা গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছে। জাতিসংঘ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত জুলাই-আগস্টের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তথ্য অস্বীকারের এই চেষ্টাকে ইতিহাসের গতিপথ পাল্টানোর ব্যর্থ প্রয়াস হিসেবে অভিহিত করেছে মন্ত্রণালয়। বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয় যে, দণ্ডপ্রাপ্ত গণহত্যাকারী হাসিনা ও তার অপরাধী চক্রের বাংলাদেশের রাজনীতিতে আর কোনো স্থান নেই।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে সার্বভৌম সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার ভিত্তিতে গঠনমূলক ও ফলপ্রসূ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। তবে ২০১৩ সালের প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর জন্য বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও ভারতের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া মেলেনি বলে মন্ত্রণালয় আক্ষেপ প্রকাশ করে। উল্টো তাকে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেওয়া দুই দেশের সুসম্পর্ক উন্নয়নের জন্য ক্ষতিকর এবং বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতিতে আঘাতকারী বলে মন্ত্রণালয় মন্তব্য করেছে।

পরিশেষে, জুলাই বিপ্লবের চেতনা সমুন্নত রেখে বাংলাদেশ আর কখনো ফ্যাসিবাদের অন্ধকার যুগে ফিরে যাবে না এবং কোনো রাষ্ট্রের করদ রাজ্যে পরিণত হবে না বলে জনগণ দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ বলে মন্ত্রণালয় পুনর্ব্যক্ত করেছে।

মন্ত্রণালয় উল্লেখ করে, ‘বাংলাদেশ যখন জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালন করছে, সে দিনই ভারতের মাটিতে হাসিনার এই বক্তব্য বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি আঘাত এবং জুলাই বিপ্লবের শহীদদের প্রতি চরম অবমাননা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। জাতিসংঘ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত সত্য—২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ফ্যাসিবাদী শাসনামলে নিরীহ নাগরিক ও শিশু