লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাউজানে যুবদল কর্মী হত্যার পর ফেসবুকে গুলি ছোড়ার ভিডিও প্রকাশ

চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল কর্মী মুহাম্মদ করিমকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার কয়েক ঘণ্টা পর মো. রায়হান নামে এক ব্যক্তি ফেসবুকে পিস্তল দিয়ে গুলি ছোড়ার ভিডিও প্রকাশ করেছেন।

চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল কর্মী মুহাম্মদ করিমকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা পর মো. রায়হান নামের এক ব্যক্তি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টের স্টোরিতে পিস্তল দিয়ে গুলি ছোড়ার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটিতে দেখা যায়, রায়হান একটি নাইন এমএম পিস্তল হাতে নিয়ে পরপর তিনটি গুলি ছুড়ছেন। তবে এই ভিডিওটি কখন বা কোথায় ধারণ করা হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) মো. রাসেল জানিয়েছেন, পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে যে এটি বর্তমান সময়ের নাকি পুরোনো ভিডিও।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৩৫ বছর বয়সী রায়হান একসময় সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালাতেন এবং ছদ্মবেশে চোলাই মদ বিক্রি করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি বিদেশে পলাতক সাজ্জাদ হোসেনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। পুলিশের ভাষ্যমতে, একটি হত্যাচেষ্টার মামলায় কারাগারে থাকার সময় সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদের সঙ্গে রায়হানের পরিচয় হয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর থেকে তিনি বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সাজ্জাদ বর্তমানে কারাগারে থাকলেও তাঁর অস্ত্রভান্ডারের দেখভাল রায়হান করছেন বলে পুলিশের দাবি। গত ২৯ জুলাই পুলিশ মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনকে যশোর থেকে গ্রেপ্তার করে এবং একই দিনে রায়হানকে গ্রেপ্তারের জন্য নোয়াখালীতে অভিযান চালানো হলেও তিনি পালিয়ে যান।

এর আগে, গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাউজান উপজেলার উরকিরচর ইউনিয়নের কেরানীহাট এলাকায় যুবদল কর্মী মুহাম্মদ করিমকে গুলি করে হত্যা করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, করিম বাজারে প্রবেশ করার পর চার থেকে পাঁচটি মোটরসাইকেলে একদল অস্ত্রধারী তাঁকে ঘিরে ফেলে। তাঁদের মধ্যে একজন কিরিচ দিয়ে করিমের ঘাড় ও মাথায় আঘাত করেন। তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে গেলে অস্ত্রধারীরা তাঁকে গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করেন এবং পরে মোটরসাইকেলে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। নিহত মুহাম্মদ করিমের বিরুদ্ধে চুরি, মাদক, ডাকাতি, ছিনতাই ও অপহরণসহ অন্তত ১০টি মামলা রয়েছে এবং তিনি একাধিকবার কারাগারেও ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনে দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচে ড্র করল বাংলাদেশ হকি দল

রাউজানে যুবদল কর্মী হত্যার পর ফেসবুকে গুলি ছোড়ার ভিডিও প্রকাশ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:০৪:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল কর্মী মুহাম্মদ করিমকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা পর মো. রায়হান নামের এক ব্যক্তি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টের স্টোরিতে পিস্তল দিয়ে গুলি ছোড়ার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটিতে দেখা যায়, রায়হান একটি নাইন এমএম পিস্তল হাতে নিয়ে পরপর তিনটি গুলি ছুড়ছেন। তবে এই ভিডিওটি কখন বা কোথায় ধারণ করা হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) মো. রাসেল জানিয়েছেন, পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে যে এটি বর্তমান সময়ের নাকি পুরোনো ভিডিও।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৩৫ বছর বয়সী রায়হান একসময় সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালাতেন এবং ছদ্মবেশে চোলাই মদ বিক্রি করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি বিদেশে পলাতক সাজ্জাদ হোসেনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। পুলিশের ভাষ্যমতে, একটি হত্যাচেষ্টার মামলায় কারাগারে থাকার সময় সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদের সঙ্গে রায়হানের পরিচয় হয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর থেকে তিনি বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সাজ্জাদ বর্তমানে কারাগারে থাকলেও তাঁর অস্ত্রভান্ডারের দেখভাল রায়হান করছেন বলে পুলিশের দাবি। গত ২৯ জুলাই পুলিশ মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনকে যশোর থেকে গ্রেপ্তার করে এবং একই দিনে রায়হানকে গ্রেপ্তারের জন্য নোয়াখালীতে অভিযান চালানো হলেও তিনি পালিয়ে যান।

এর আগে, গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাউজান উপজেলার উরকিরচর ইউনিয়নের কেরানীহাট এলাকায় যুবদল কর্মী মুহাম্মদ করিমকে গুলি করে হত্যা করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, করিম বাজারে প্রবেশ করার পর চার থেকে পাঁচটি মোটরসাইকেলে একদল অস্ত্রধারী তাঁকে ঘিরে ফেলে। তাঁদের মধ্যে একজন কিরিচ দিয়ে করিমের ঘাড় ও মাথায় আঘাত করেন। তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে গেলে অস্ত্রধারীরা তাঁকে গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করেন এবং পরে মোটরসাইকেলে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। নিহত মুহাম্মদ করিমের বিরুদ্ধে চুরি, মাদক, ডাকাতি, ছিনতাই ও অপহরণসহ অন্তত ১০টি মামলা রয়েছে এবং তিনি একাধিকবার কারাগারেও ছিলেন।