লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাজেকে আটকা পাঁচ শতাধিক পর্যটক, ভাড়া নিচ্ছেন না রিসোর্ট মালিকরা

টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে খাগড়াছড়ি-সাজেক সড়কের বিভিন্ন অংশ প্লাবিত হয়েছে। এতে সাজেক ভ্যালিতে আটকা পড়েছেন প্রায় পাঁচ শতাধিক পর্যটক। যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় পর্যটকরা চরম বিপাকে পড়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন স্থানীয় রিসোর্ট মালিকরা। সাজেক কুটির শিল্প ও রিসোর্ট মালিক সমিতি উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনা করে আটকে পড়া পর্যটকদের কাছ থেকে কোনো রুম ভাড়া না নেওয়ার যৌথ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

সাজেক কটেস অ্যান্ড রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব সাজেকের দপ্তর সম্পাদক এস এম জিয়াউল হক (যুবরাজ) জানিয়েছেন, বাঘাইহাট ও মাচালং এলাকার নিচু সড়কে পানি ওঠায় পর্যটকরা ফিরতে পারছেন না। সমিতির পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, আটকে থাকা পর্যটকদের কাছ থেকে শুধুমাত্র পানি এবং প্রয়োজনীয় ইউটিলিটি বিল নেওয়া হবে। এছাড়া এলাকার খাবারের দোকানগুলো সীমিত খরচে পর্যটকদের খাবারের ব্যবস্থা করবে।

পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় জেলা প্রশাসন মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে। তবে এই ঘোষণার আগেই সেখানে শত শত পর্যটক অবস্থান করায় তারা আটকা পড়েছেন। টানা বৃষ্টিতে মাইনী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বাঘাইছড়ি-দীঘিনালা ও লংগদু-দীঘিনালা সড়কের বিভিন্ন অংশ তলিয়ে গেছে। একই কারণে রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের নানিয়ারচরের কেঙ্গেলছড়ি এলাকায়ও যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া বেশ কিছু স্থানে পাহাড়ধস ও সড়কের মাটি সরে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

লংগদু-দীঘিনালা সড়কের মেরুং এলাকায় পানি ওঠায় সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। অনেক স্থানে হাঁটুসমান পানি জমে স্থানীয় বাসিন্দাদের জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতার পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। তাই প্রয়োজন ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ভ্রমণ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

‎সাজেক কটেস অ্যান্ড রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ সাজেকের দপ্তর সম্পাদক এস এম জিয়াউল হক (যুবরাজ) বলেন, বাঘাইহাট ও মাচালং এলাকার নিচু এলাকায় সড়কে পানি উঠায় সাজেকে প্রায় ৫ শতাধিক পর্যটক আটকে পড়েছেন। সমিতির পক্ষ থেকে আটকে পড়া পর্যটকদের কাছ থেকে শুধুমাত্র পানি এবং ইউটিলিটি বিল নেওয়া হবে। এছাড়া খাবার দোকানগুলো সীমিত খরচে ত

জনপ্রিয় সংবাদ

আঙুলের শব্দে আম্পায়ার বিভ্রান্ত, ইংল্যান্ডের ক্রিকেটে প্রতারণার নজির

সাজেকে আটকা পাঁচ শতাধিক পর্যটক, ভাড়া নিচ্ছেন না রিসোর্ট মালিকরা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:১৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে খাগড়াছড়ি-সাজেক সড়কের বিভিন্ন অংশ প্লাবিত হয়েছে। এতে সাজেক ভ্যালিতে আটকা পড়েছেন প্রায় পাঁচ শতাধিক পর্যটক। যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় পর্যটকরা চরম বিপাকে পড়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন স্থানীয় রিসোর্ট মালিকরা। সাজেক কুটির শিল্প ও রিসোর্ট মালিক সমিতি উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনা করে আটকে পড়া পর্যটকদের কাছ থেকে কোনো রুম ভাড়া না নেওয়ার যৌথ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

সাজেক কটেস অ্যান্ড রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব সাজেকের দপ্তর সম্পাদক এস এম জিয়াউল হক (যুবরাজ) জানিয়েছেন, বাঘাইহাট ও মাচালং এলাকার নিচু সড়কে পানি ওঠায় পর্যটকরা ফিরতে পারছেন না। সমিতির পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, আটকে থাকা পর্যটকদের কাছ থেকে শুধুমাত্র পানি এবং প্রয়োজনীয় ইউটিলিটি বিল নেওয়া হবে। এছাড়া এলাকার খাবারের দোকানগুলো সীমিত খরচে পর্যটকদের খাবারের ব্যবস্থা করবে।

পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় জেলা প্রশাসন মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে। তবে এই ঘোষণার আগেই সেখানে শত শত পর্যটক অবস্থান করায় তারা আটকা পড়েছেন। টানা বৃষ্টিতে মাইনী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বাঘাইছড়ি-দীঘিনালা ও লংগদু-দীঘিনালা সড়কের বিভিন্ন অংশ তলিয়ে গেছে। একই কারণে রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের নানিয়ারচরের কেঙ্গেলছড়ি এলাকায়ও যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া বেশ কিছু স্থানে পাহাড়ধস ও সড়কের মাটি সরে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

লংগদু-দীঘিনালা সড়কের মেরুং এলাকায় পানি ওঠায় সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। অনেক স্থানে হাঁটুসমান পানি জমে স্থানীয় বাসিন্দাদের জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতার পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। তাই প্রয়োজন ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ভ্রমণ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

‎সাজেক কটেস অ্যান্ড রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ সাজেকের দপ্তর সম্পাদক এস এম জিয়াউল হক (যুবরাজ) বলেন, বাঘাইহাট ও মাচালং এলাকার নিচু এলাকায় সড়কে পানি উঠায় সাজেকে প্রায় ৫ শতাধিক পর্যটক আটকে পড়েছেন। সমিতির পক্ষ থেকে আটকে পড়া পর্যটকদের কাছ থেকে শুধুমাত্র পানি এবং ইউটিলিটি বিল নেওয়া হবে। এছাড়া খাবার দোকানগুলো সীমিত খরচে ত