লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টানা বর্ষণে সাজেকে আটকা পাঁচ শতাধিক পর্যটক

টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে রাঙামাটির জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাজেকে পাঁচ শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন। বাঘাইছড়ি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা মারজান জানিয়েছেন, খাগড়াছড়ির দিঘীনালা-বাঘাইহাট-সাজেক সড়কের বিভিন্ন নিচু স্থানে পাহাড়ি ঢলের পানি ওঠায় যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের স্থানীয় রিসোর্ট ও কটেজে অবস্থান করতে বলা হয়েছে। পরিস্থিতি নিরাপদ হলে পর্যায়ক্রমে তাদের গন্তব্যে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।

গত ২৪ ঘণ্টায় পাহাড়ি এলাকায় ২৮৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। অতিরিক্ত বৃষ্টির ফলে মাটি নরম হয়ে যাওয়ায় পাহাড়ধসের ঝুঁকি বেড়েছে। এছাড়া পাহাড়ি ছড়া ও ঝিরির পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনা ঘটছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসন সাজেকসহ রাঙামাটির সব পর্যটন স্পটে ভ্রমণ সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে এবং পর্যটকদের পাহাড়ি এলাকায় ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন রাঙামাটির ১০ উপজেলায় ২১২টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রেখেছে। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে রাঙামাটি সদর, কাউখালী, কাপ্তাই ও বাঘাইছড়ি উপজেলার ১৫টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৭৪২ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে তাদের মাঝে শুকনো খাবার ও প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে রাঙামাটি জেলার সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা সফরে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত সার্জিও গোর

টানা বর্ষণে সাজেকে আটকা পাঁচ শতাধিক পর্যটক

প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:৩১:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে রাঙামাটির জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাজেকে পাঁচ শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন। বাঘাইছড়ি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা মারজান জানিয়েছেন, খাগড়াছড়ির দিঘীনালা-বাঘাইহাট-সাজেক সড়কের বিভিন্ন নিচু স্থানে পাহাড়ি ঢলের পানি ওঠায় যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের স্থানীয় রিসোর্ট ও কটেজে অবস্থান করতে বলা হয়েছে। পরিস্থিতি নিরাপদ হলে পর্যায়ক্রমে তাদের গন্তব্যে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।

গত ২৪ ঘণ্টায় পাহাড়ি এলাকায় ২৮৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। অতিরিক্ত বৃষ্টির ফলে মাটি নরম হয়ে যাওয়ায় পাহাড়ধসের ঝুঁকি বেড়েছে। এছাড়া পাহাড়ি ছড়া ও ঝিরির পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনা ঘটছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসন সাজেকসহ রাঙামাটির সব পর্যটন স্পটে ভ্রমণ সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে এবং পর্যটকদের পাহাড়ি এলাকায় ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন রাঙামাটির ১০ উপজেলায় ২১২টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রেখেছে। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে রাঙামাটি সদর, কাউখালী, কাপ্তাই ও বাঘাইছড়ি উপজেলার ১৫টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৭৪২ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে তাদের মাঝে শুকনো খাবার ও প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে রাঙামাটি জেলার সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।