লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, ২০২৯ সালে নতুন কার্যালয়ে কার্যক্রম শুরু

বাংলাদেশ সচিবালয়কে রাজধানীর আবদুল গনি রোড থেকে সরিয়ে শেরেবাংলা নগরে স্থানান্তরের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রোববার বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়। নতুন জায়গায় ২০২৯ সাল থেকে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

মন্ত্রিসভার এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একটি বিশেষ সভায় সচিবালয় স্থানান্তরের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছিল। সেই সভায় গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, গণপূর্ত অধিদপ্তর এবং স্থাপত্য অধিদপ্তরের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নীতিগত সিদ্ধান্তের পরপরই সচিবালয় স্থানান্তরের প্রকল্পটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত করার জন্য পরিকল্পনা কমিশনের কাছে চিঠি পাঠিয়েছিল গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। সেই ধারাবাহিকতায় আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রকল্পটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত হলো।

জনপ্রিয় সংবাদ

সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের এমডিদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল

শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, ২০২৯ সালে নতুন কার্যালয়ে কার্যক্রম শুরু

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৩৩:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশ সচিবালয়কে রাজধানীর আবদুল গনি রোড থেকে সরিয়ে শেরেবাংলা নগরে স্থানান্তরের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রোববার বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়। নতুন জায়গায় ২০২৯ সাল থেকে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

মন্ত্রিসভার এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একটি বিশেষ সভায় সচিবালয় স্থানান্তরের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছিল। সেই সভায় গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, গণপূর্ত অধিদপ্তর এবং স্থাপত্য অধিদপ্তরের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নীতিগত সিদ্ধান্তের পরপরই সচিবালয় স্থানান্তরের প্রকল্পটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত করার জন্য পরিকল্পনা কমিশনের কাছে চিঠি পাঠিয়েছিল গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। সেই ধারাবাহিকতায় আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রকল্পটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত হলো।