লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৫:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পঞ্চমবারের মতো শাহজালাল মাজারের দানবাক্স খোলা হচ্ছে আজ

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের তিনটি ঐতিহাসিক ডেগ এবং জেলা প্রশাসনের স্থাপিত দানবাক্সগুলো পঞ্চমবারের মতো আজ শনিবার খোলা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়াটি সকাল ৯টা থেকে শুরু হবে এবং সকাল সাড়ে ৯টা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে টাকা গণনার কাজ শুরু হবে। প্রায় ১ মাস ৫ দিন বা ৩৫ দিন বিরতির পর দানবাক্সগুলো আবারও খোলা হচ্ছে।

টাকা গণনার সময় মাজার পরিচালনা কমিটি ও জেলা প্রশাসনের দায়িত্বশীল প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। এর আগে সর্বশেষ গত ১৯ সেপ্টেম্বর চতুর্থবারের মতো দানবাক্স ও ডেগগুলো খোলা হয়েছিল।

উল্লেখ্য যে, গত ২২ জুন থেকে মাজারের দানবাক্সের টাকা প্রকাশ্যে গণনার নতুন প্রথা চালু হয়। তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের উদ্যোগে দানবাক্স স্থাপনের মাত্র চার দিনের মাথায় প্রথম গণনায় ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। এরপর ১১ জুলাই দ্বিতীয়বার খোলা হলে নগদ ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকাসহ বিভিন্ন দেশের মুদ্রা ও অলংকার পাওয়া যায়। ১৫ আগস্ট তৃতীয়বারের গণনায় নগদ ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা এবং ১৯ সেপ্টেম্বর চতুর্থবার গণনায় প্রায় ৮৯ লাখ টাকা সংগৃহীত হয়।

মাজার পরিচালনা কমিটির সদস্য রেজাউল হাসান কয়েস লোদী জানিয়েছেন, মাজারের তহবিলে জমা হওয়া যাবতীয় অর্থ ও সামগ্রী প্রশাসনের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে রাখা হচ্ছে এবং এর সুনির্দিষ্ট হিসাব সংরক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মার্কিন চাপে ইরানের সীমান্তপথ বন্ধ করলো পাকিস্তান ও ইরাক

পঞ্চমবারের মতো শাহজালাল মাজারের দানবাক্স খোলা হচ্ছে আজ

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:০১:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের তিনটি ঐতিহাসিক ডেগ এবং জেলা প্রশাসনের স্থাপিত দানবাক্সগুলো পঞ্চমবারের মতো আজ শনিবার খোলা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়াটি সকাল ৯টা থেকে শুরু হবে এবং সকাল সাড়ে ৯টা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে টাকা গণনার কাজ শুরু হবে। প্রায় ১ মাস ৫ দিন বা ৩৫ দিন বিরতির পর দানবাক্সগুলো আবারও খোলা হচ্ছে।

টাকা গণনার সময় মাজার পরিচালনা কমিটি ও জেলা প্রশাসনের দায়িত্বশীল প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। এর আগে সর্বশেষ গত ১৯ সেপ্টেম্বর চতুর্থবারের মতো দানবাক্স ও ডেগগুলো খোলা হয়েছিল।

উল্লেখ্য যে, গত ২২ জুন থেকে মাজারের দানবাক্সের টাকা প্রকাশ্যে গণনার নতুন প্রথা চালু হয়। তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের উদ্যোগে দানবাক্স স্থাপনের মাত্র চার দিনের মাথায় প্রথম গণনায় ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। এরপর ১১ জুলাই দ্বিতীয়বার খোলা হলে নগদ ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকাসহ বিভিন্ন দেশের মুদ্রা ও অলংকার পাওয়া যায়। ১৫ আগস্ট তৃতীয়বারের গণনায় নগদ ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা এবং ১৯ সেপ্টেম্বর চতুর্থবার গণনায় প্রায় ৮৯ লাখ টাকা সংগৃহীত হয়।

মাজার পরিচালনা কমিটির সদস্য রেজাউল হাসান কয়েস লোদী জানিয়েছেন, মাজারের তহবিলে জমা হওয়া যাবতীয় অর্থ ও সামগ্রী প্রশাসনের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে রাখা হচ্ছে এবং এর সুনির্দিষ্ট হিসাব সংরক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।