লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৫:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতে বসে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতে পারবেন না শেখ হাসিনা: মোদি সরকার

ভারতে আশ্রয় নেওয়া বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশটির ভূখণ্ড ব্যবহার করে কোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারবেন না। ভারতীয় সংসদের পররাষ্ট্রবিষয়ক স্থায়ী কমিটির সর্বশেষ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার এ কথা স্পষ্ট করেছে। কংগ্রেস নেতা শশী থারুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে বিষয়টি জানানো হয়।

কমিটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, শেখ হাসিনাকে ভারতে অবস্থানের সুযোগ দেওয়া হয়েছে মূলত দেশটির মানবিক ঐতিহ্য এবং সংকটাপন্ন ব্যক্তিদের আশ্রয় দেওয়ার দীর্ঘদিনের নীতির আলোকে। তবে ভারত তার ভূখণ্ড থেকে অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অনুমতি না দেওয়ার নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করে।

সম্প্রতি শেখ হাসিনা চলতি বছরের শেষ নাগাদ দেশে ফেরার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করার পর বিষয়টি আলোচনায় আসে। ওই বৈঠকে বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী এম আসাদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন। তিনি উল্লেখ করেন, শেখ হাসিনা ভারত থেকে দেশে ফিরলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেফতার করা হতে পারে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কমিটিকে জানিয়েছে, শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের জন্য ঢাকা থেকে যে অনুরোধ পাঠানো হয়েছে, তা ভারতের প্রচলিত আইন ও নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পর্যালোচনা করছে।

সংসদীয় কমিটি সরকারকে মানবিক ও নীতিনিষ্ঠ অবস্থান বজায় রাখার পাশাপাশি এ ধরনের সংবেদনশীল পরিস্থিতি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পরিচালনার সুপারিশ করেছে। এছাড়া, কমিটি বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য দ্রুত স্বাভাবিক ভিসা কার্যক্রম চালুর আহ্বান জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভিসা প্রক্রিয়াকরণ কমে যাওয়ায় দুই দেশের জনগণের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হচ্ছে, যা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলছে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে পর্যটক ভিসা স্থগিত করার প্রায় দুই বছর পর ২০২৬ সালের ২৮ জুন ভারত বাংলাদেশিদের জন্য পুনরায় পর্যটক ভিসা চালু করে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্যানসারের ভ্যাকসিন নিওঅনকোভ্যাকের প্রথম প্রয়োগে আশাব্যঞ্জক ফল

ভারতে বসে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতে পারবেন না শেখ হাসিনা: মোদি সরকার

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:০১:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

ভারতে আশ্রয় নেওয়া বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশটির ভূখণ্ড ব্যবহার করে কোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারবেন না। ভারতীয় সংসদের পররাষ্ট্রবিষয়ক স্থায়ী কমিটির সর্বশেষ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার এ কথা স্পষ্ট করেছে। কংগ্রেস নেতা শশী থারুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে বিষয়টি জানানো হয়।

কমিটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, শেখ হাসিনাকে ভারতে অবস্থানের সুযোগ দেওয়া হয়েছে মূলত দেশটির মানবিক ঐতিহ্য এবং সংকটাপন্ন ব্যক্তিদের আশ্রয় দেওয়ার দীর্ঘদিনের নীতির আলোকে। তবে ভারত তার ভূখণ্ড থেকে অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অনুমতি না দেওয়ার নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করে।

সম্প্রতি শেখ হাসিনা চলতি বছরের শেষ নাগাদ দেশে ফেরার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করার পর বিষয়টি আলোচনায় আসে। ওই বৈঠকে বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী এম আসাদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন। তিনি উল্লেখ করেন, শেখ হাসিনা ভারত থেকে দেশে ফিরলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেফতার করা হতে পারে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কমিটিকে জানিয়েছে, শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের জন্য ঢাকা থেকে যে অনুরোধ পাঠানো হয়েছে, তা ভারতের প্রচলিত আইন ও নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পর্যালোচনা করছে।

সংসদীয় কমিটি সরকারকে মানবিক ও নীতিনিষ্ঠ অবস্থান বজায় রাখার পাশাপাশি এ ধরনের সংবেদনশীল পরিস্থিতি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পরিচালনার সুপারিশ করেছে। এছাড়া, কমিটি বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য দ্রুত স্বাভাবিক ভিসা কার্যক্রম চালুর আহ্বান জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভিসা প্রক্রিয়াকরণ কমে যাওয়ায় দুই দেশের জনগণের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হচ্ছে, যা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলছে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে পর্যটক ভিসা স্থগিত করার প্রায় দুই বছর পর ২০২৬ সালের ২৮ জুন ভারত বাংলাদেশিদের জন্য পুনরায় পর্যটক ভিসা চালু করে।