লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিলেটে গৃহকর্মীর প্রেমে ৩ খুন: রংমিস্ত্রি বাবুল গ্রেপ্তার

সিলেটের রায়নগরে গৃহকর্মীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের জেরে একই বাসার তিনজনকে একাই খুন করেছে রংমিস্ত্রি বাবুল মিয়া। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের পর সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে ঘাতক বাবুলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে এই ট্রিপল মার্ডারের কথা স্বীকার করেছে।

এ বিষয়ে সন্ধ্যায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত তথ্য জানান সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম। তিনি জানান, নিহত গৃহকর্তা আব্দুস সাত্তার ও তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া বেগমের সঙ্গে বাবুলের আগে থেকেই পরিচয় ছিল। কাজের সূত্রে সে বিভিন্ন সময় ওই বাসায় যাতায়াত করত। একপর্যায়ে ওই বাসার গৃহকর্মী তাহমিনার সঙ্গে বাবুলের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

পুলিশ কমিশনার জানান, ঘটনার দিন সকালে বাবুল ওই বাসায় যায়। গৃহকর্মী তাহমিনা দরজা খুলে দিলে বাবুল সরাসরি তার ঘরে চলে যায়। সেখানে তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে বাবুল চাকু দিয়ে তাহমিনাকে হত্যা করে। তাহমিনার চিৎকার শুনে সুরাইয়া বেগম এগিয়ে এলে বাবুল তাকেও চাকু দিয়ে খুন করে। সবশেষে ঘরে থাকা আব্দুস সাত্তারকে হত্যা করে সে।

গ্রেপ্তারকৃত বাবুল মিয়া রায়নগর এলাকার আক্তার মিয়ার কলোনির বাসিন্দা এবং মৃত নূর মিয়ার ছেলে। পেশায় সে একজন রংমিস্ত্রি। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, গৃহকর্মীর চিৎকার শুনে সুরাইয়া বেগম যখন এগিয়ে যান, তখন তাঁরও চিৎকার শোনা যায়। পুলিশ জানিয়েছে, তিনজনকে হত্যার পর বাবুল বেলকনি দিয়ে পালিয়ে যায়। পালানোর সময় পাশের একটি ফ্ল্যাটের ফাঁকা জায়গায় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিটি ফেলে যায় সে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পাবনায় ভ্যান নিয়ে নিখোঁজ কিশোরের মরদেহ উদ্ধার, হত্যার সন্দেহ

সিলেটে গৃহকর্মীর প্রেমে ৩ খুন: রংমিস্ত্রি বাবুল গ্রেপ্তার

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:২৫:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

সিলেটের রায়নগরে গৃহকর্মীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের জেরে একই বাসার তিনজনকে একাই খুন করেছে রংমিস্ত্রি বাবুল মিয়া। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের পর সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে ঘাতক বাবুলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে এই ট্রিপল মার্ডারের কথা স্বীকার করেছে।

এ বিষয়ে সন্ধ্যায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত তথ্য জানান সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম। তিনি জানান, নিহত গৃহকর্তা আব্দুস সাত্তার ও তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া বেগমের সঙ্গে বাবুলের আগে থেকেই পরিচয় ছিল। কাজের সূত্রে সে বিভিন্ন সময় ওই বাসায় যাতায়াত করত। একপর্যায়ে ওই বাসার গৃহকর্মী তাহমিনার সঙ্গে বাবুলের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

পুলিশ কমিশনার জানান, ঘটনার দিন সকালে বাবুল ওই বাসায় যায়। গৃহকর্মী তাহমিনা দরজা খুলে দিলে বাবুল সরাসরি তার ঘরে চলে যায়। সেখানে তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে বাবুল চাকু দিয়ে তাহমিনাকে হত্যা করে। তাহমিনার চিৎকার শুনে সুরাইয়া বেগম এগিয়ে এলে বাবুল তাকেও চাকু দিয়ে খুন করে। সবশেষে ঘরে থাকা আব্দুস সাত্তারকে হত্যা করে সে।

গ্রেপ্তারকৃত বাবুল মিয়া রায়নগর এলাকার আক্তার মিয়ার কলোনির বাসিন্দা এবং মৃত নূর মিয়ার ছেলে। পেশায় সে একজন রংমিস্ত্রি। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, গৃহকর্মীর চিৎকার শুনে সুরাইয়া বেগম যখন এগিয়ে যান, তখন তাঁরও চিৎকার শোনা যায়। পুলিশ জানিয়েছে, তিনজনকে হত্যার পর বাবুল বেলকনি দিয়ে পালিয়ে যায়। পালানোর সময় পাশের একটি ফ্ল্যাটের ফাঁকা জায়গায় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিটি ফেলে যায় সে।