লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের ওপর নতুন অর্থনৈতিক যুদ্ধের কৌশল নিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো সামরিক অভিযান পরিচালনার পথে আর হাঁটতে চান না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর পরিবর্তে তিনি দেশটিতে ‘নতুন যুদ্ধ’ চাপিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। মার্কিন এই প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়িয়ে যুদ্ধাবস্থা বজায় রাখাই এখন ওয়াশিংটনের মূল কৌশল।

যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম এক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, আপাতত সামরিক পদক্ষেপের চেয়ে ইরানের অর্থনৈতিক সংকটকে আরও গভীর হতে দেওয়ার ওপর জোর দিচ্ছে ওয়াশিংটন। মাত্র এক সপ্তাহ আগেও তিনি ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের কথা বলেছিলেন, তবে এবার তিনি নতুন কোনো সামরিক হুমকির কথা উল্লেখ করেননি। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল পুনরায় চালুর বিষয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে সমঝোতা বিলম্বিত হওয়ায়ও তিনি প্রকাশ্যে কোনো ক্ষোভ দেখাননি।

ট্রাম্প বলেন, আমরা বিষয়টি খুব বেশি সামনে আনছি না। তাদের সঙ্গে আমরা শুধু আংশিকভাবে আলোচনা করছি। আমরা ইরানের ব্যাপক মূল্যস্ফীতি এবং অর্থের সংকট পর্যবেক্ষণ করছি। মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, ইরানের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বর্তমানে অত্যন্ত খারাপ এবং দেশটির সেনাদের বেতন দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত অর্থও তাদের হাতে নেই। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ ইরানের এই অর্থনৈতিক সংকটকে আরও তীব্র করে তুলেছে।

এদিকে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও ওমানের মধ্যে আলোচনা চলমান থাকলেও এখনো কোনো চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। ইরান জাহাজ চলাচলের অনুমতির জন্য নতুন কিছু শর্তারোপ করেছে। তবে ট্রাম্প দাবি করেছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৭৫ ডলারের কিছু বেশি থাকায় যুদ্ধের কারণে মার্কিন ভোক্তাদের ওপর জ্বালানি ব্যয়ের চাপ তুলনামূলকভাবে কম রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি বাসায় ভাড়াটে রাখলে বরাদ্দ বাতিল করবে আবাসন পরিদপ্তর

ইরানের ওপর নতুন অর্থনৈতিক যুদ্ধের কৌশল নিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:২৯:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো সামরিক অভিযান পরিচালনার পথে আর হাঁটতে চান না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর পরিবর্তে তিনি দেশটিতে ‘নতুন যুদ্ধ’ চাপিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। মার্কিন এই প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়িয়ে যুদ্ধাবস্থা বজায় রাখাই এখন ওয়াশিংটনের মূল কৌশল।

যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম এক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, আপাতত সামরিক পদক্ষেপের চেয়ে ইরানের অর্থনৈতিক সংকটকে আরও গভীর হতে দেওয়ার ওপর জোর দিচ্ছে ওয়াশিংটন। মাত্র এক সপ্তাহ আগেও তিনি ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের কথা বলেছিলেন, তবে এবার তিনি নতুন কোনো সামরিক হুমকির কথা উল্লেখ করেননি। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল পুনরায় চালুর বিষয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে সমঝোতা বিলম্বিত হওয়ায়ও তিনি প্রকাশ্যে কোনো ক্ষোভ দেখাননি।

ট্রাম্প বলেন, আমরা বিষয়টি খুব বেশি সামনে আনছি না। তাদের সঙ্গে আমরা শুধু আংশিকভাবে আলোচনা করছি। আমরা ইরানের ব্যাপক মূল্যস্ফীতি এবং অর্থের সংকট পর্যবেক্ষণ করছি। মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, ইরানের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বর্তমানে অত্যন্ত খারাপ এবং দেশটির সেনাদের বেতন দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত অর্থও তাদের হাতে নেই। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ ইরানের এই অর্থনৈতিক সংকটকে আরও তীব্র করে তুলেছে।

এদিকে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও ওমানের মধ্যে আলোচনা চলমান থাকলেও এখনো কোনো চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। ইরান জাহাজ চলাচলের অনুমতির জন্য নতুন কিছু শর্তারোপ করেছে। তবে ট্রাম্প দাবি করেছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৭৫ ডলারের কিছু বেশি থাকায় যুদ্ধের কারণে মার্কিন ভোক্তাদের ওপর জ্বালানি ব্যয়ের চাপ তুলনামূলকভাবে কম রয়েছে।