লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসরাইল ছাড়ছেন ২০ বৃটিশ কূটনীতিক, কনস্যুলেটের নতুন নাম ‘ইউকে মিশন’

ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতি স্থাপন এবং এর সম্প্রসারণকে কেন্দ্র করে বৃটেন ও ইসরাইলের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। এই বসতি স্থাপনকারীদের দ্বারা ফিলিস্তিনিদের ওপর নির্যাতন এবং ইসরাইলি সেনাদের নীরব ভূমিকার প্রতিবাদে বৃটেন পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতিগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এই ঘটনাপ্রবাহের জেরে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কে তীব্র টানাপোড়েন শুরু হয়।

উত্তেজনা প্রশমনে এবং দ্বিপক্ষীয় সমঝোতার অংশ হিসেবে ইসরাইল থেকে ২০ জন বৃটিশ কূটনীতিককে সরিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর ফলে বৃহস্পতিবার থেকে পূর্ব জেরুজালেমে অবস্থিত বৃটিশ কনস্যুলেট জেনারেল আর আগের কাঠামোয় কার্যক্রম পরিচালনা করবে না। ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সা’আর জানিয়েছেন, এই সমঝোতার ফলে কনসাল জেনারেলসহ ২০ জন কূটনীতিক ইসরাইল ত্যাগ করবেন। তবে বৃটিশ সরকারের মালিকানাধীন ভবনটিতে সাতজন কর্মীর মাধ্যমে সীমিত পরিসরে কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। ইতিমধ্যে ভবনটি থেকে ‘বৃটিশ কনস্যুলেট জেনারেল’ লেখা ফলক ও কনস্যুলার বিভাগের সাইনবোর্ড সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

ইসরাইলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী সা’আর দাবি করেন, ইসরাইলের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়া হলে তার পাল্টা ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে নতুন এই সমঝোতার আওতায় বৃটেনে দায়িত্বরত ইসরাইলি কূটনীতিকদের বহিষ্কার না করে নিজ নিজ পদে বহাল রাখার অনুমতি দেয়া হয়েছে।

বৃটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড এক বিবৃতিতে জানান, জেরুজালেমে প্রায় ২০০ বছর ধরে থাকা কনস্যুলেট জেনারেল বন্ধ করার আইনগত অধিকার ইসরাইলের থাকলেও, বৃটেন তা মেনে নেবে না। তিনি আরও বলেন, পূর্ব জেরুজালেম একটি দখলকৃত ভূখণ্ড। এখন থেকে কনস্যুলেটটির নতুন নাম হবে ‘ইউকে মিশন, জেরুজালেম’, যা ফিলিস্তিনি জনগণের সঙ্গে কাজ এবং সেবা প্রদান অব্যাহত রাখবে। কর্মীদের সরিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্তকে তিনি সাময়িক নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে অভিহিত করেছেন। একই সঙ্গে তিনি দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সমর্থনে ৮ই সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সমন্বয় করে নেয়া বৃটেনের অবস্থানে অটল থাকার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

মোহাম্মদপুরে চালক হত্যা মামলা: শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের চার্জগঠন পিছিয়ে ২৬ অক্টোবর

ইসরাইল ছাড়ছেন ২০ বৃটিশ কূটনীতিক, কনস্যুলেটের নতুন নাম ‘ইউকে মিশন’

প্রকাশিত হয়েছে: ০৭:৪৫:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতি স্থাপন এবং এর সম্প্রসারণকে কেন্দ্র করে বৃটেন ও ইসরাইলের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। এই বসতি স্থাপনকারীদের দ্বারা ফিলিস্তিনিদের ওপর নির্যাতন এবং ইসরাইলি সেনাদের নীরব ভূমিকার প্রতিবাদে বৃটেন পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতিগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এই ঘটনাপ্রবাহের জেরে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কে তীব্র টানাপোড়েন শুরু হয়।

উত্তেজনা প্রশমনে এবং দ্বিপক্ষীয় সমঝোতার অংশ হিসেবে ইসরাইল থেকে ২০ জন বৃটিশ কূটনীতিককে সরিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর ফলে বৃহস্পতিবার থেকে পূর্ব জেরুজালেমে অবস্থিত বৃটিশ কনস্যুলেট জেনারেল আর আগের কাঠামোয় কার্যক্রম পরিচালনা করবে না। ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সা’আর জানিয়েছেন, এই সমঝোতার ফলে কনসাল জেনারেলসহ ২০ জন কূটনীতিক ইসরাইল ত্যাগ করবেন। তবে বৃটিশ সরকারের মালিকানাধীন ভবনটিতে সাতজন কর্মীর মাধ্যমে সীমিত পরিসরে কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। ইতিমধ্যে ভবনটি থেকে ‘বৃটিশ কনস্যুলেট জেনারেল’ লেখা ফলক ও কনস্যুলার বিভাগের সাইনবোর্ড সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

ইসরাইলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী সা’আর দাবি করেন, ইসরাইলের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়া হলে তার পাল্টা ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে নতুন এই সমঝোতার আওতায় বৃটেনে দায়িত্বরত ইসরাইলি কূটনীতিকদের বহিষ্কার না করে নিজ নিজ পদে বহাল রাখার অনুমতি দেয়া হয়েছে।

বৃটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড এক বিবৃতিতে জানান, জেরুজালেমে প্রায় ২০০ বছর ধরে থাকা কনস্যুলেট জেনারেল বন্ধ করার আইনগত অধিকার ইসরাইলের থাকলেও, বৃটেন তা মেনে নেবে না। তিনি আরও বলেন, পূর্ব জেরুজালেম একটি দখলকৃত ভূখণ্ড। এখন থেকে কনস্যুলেটটির নতুন নাম হবে ‘ইউকে মিশন, জেরুজালেম’, যা ফিলিস্তিনি জনগণের সঙ্গে কাজ এবং সেবা প্রদান অব্যাহত রাখবে। কর্মীদের সরিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্তকে তিনি সাময়িক নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে অভিহিত করেছেন। একই সঙ্গে তিনি দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সমর্থনে ৮ই সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সমন্বয় করে নেয়া বৃটেনের অবস্থানে অটল থাকার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন।