লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৬:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানে টানা দশম দিনের মতো মার্কিন হামলা, পাল্টা আঘাতের দাবি আইআরজিসির

টানা দশম রাতের মতো ইরানের বিভিন্ন এলাকায় বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই ধারাবাহিক হামলার সময় দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, সম্প্রতি তিন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার ঘটনার উপযুক্ত জবাব না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের বিরুদ্ধে এই সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে। তবে একই সঙ্গে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ বজায় রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এই অভিযানের পাল্টা জবাব দেওয়ার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। সংগঠনটির দাবি, তারা কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। আইআরজিসির ভাষ্যমতে, এই হামলায় কুয়েতে মার্কিন দীর্ঘপাল্লার রাডার, টেলিযোগাযোগ কেন্দ্র, স্যাটেলাইট গ্রহণ ব্যবস্থা এবং আলি আল সালেম বিমানঘাঁটির একটি এমকিউ-৯ ড্রোনের হ্যাঙ্গার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডার ও প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায়ও তারা হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে।

আইআরজিসি আরও জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির দক্ষিণাঞ্চলে বিস্ফোরণের পর দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে এবং উদ্ধারকারী দল নাবিকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার কাজ করছে। ইরানের পক্ষ থেকে কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান যদি অব্যাহত থাকে, তবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়া হবে। এর ফলে ওই পথ দিয়ে তেল, গ্যাস ও রাসায়নিক সার রপ্তানি সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাউজানে আলোচিত করিম হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৪

ইরানে টানা দশম দিনের মতো মার্কিন হামলা, পাল্টা আঘাতের দাবি আইআরজিসির

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:০২:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

টানা দশম রাতের মতো ইরানের বিভিন্ন এলাকায় বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই ধারাবাহিক হামলার সময় দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, সম্প্রতি তিন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার ঘটনার উপযুক্ত জবাব না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের বিরুদ্ধে এই সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে। তবে একই সঙ্গে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ বজায় রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এই অভিযানের পাল্টা জবাব দেওয়ার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। সংগঠনটির দাবি, তারা কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। আইআরজিসির ভাষ্যমতে, এই হামলায় কুয়েতে মার্কিন দীর্ঘপাল্লার রাডার, টেলিযোগাযোগ কেন্দ্র, স্যাটেলাইট গ্রহণ ব্যবস্থা এবং আলি আল সালেম বিমানঘাঁটির একটি এমকিউ-৯ ড্রোনের হ্যাঙ্গার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডার ও প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায়ও তারা হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে।

আইআরজিসি আরও জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির দক্ষিণাঞ্চলে বিস্ফোরণের পর দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে এবং উদ্ধারকারী দল নাবিকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার কাজ করছে। ইরানের পক্ষ থেকে কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান যদি অব্যাহত থাকে, তবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়া হবে। এর ফলে ওই পথ দিয়ে তেল, গ্যাস ও রাসায়নিক সার রপ্তানি সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাবে।