লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত অর্থনৈতিক যুদ্ধের হুঁশিয়ারি মার্কিন অর্থমন্ত্রীর

ইরানের বিরুদ্ধে ‘এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় আর্থিক অভিযান’ চালানোর হুমকি দিয়েছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। তিনি দাবি করেছেন, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধ বর্তমানে এক চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসে প্রকাশিত একটি মতামত নিবন্ধে বেসেন্ট এই নতুন অর্থনৈতিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তার ভাষায়, তেহরান সম্পূর্ণ একা না হওয়া পর্যন্ত তাদের স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখা প্রতিটি অর্থনৈতিক লাইফলাইন বিচ্ছিন্ন করাই যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী এই পরিকল্পনাকে ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, ইরানের সঙ্গে সব ধরনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার পাশাপাশি যারা তেহরানের সঙ্গে ব্যবসা বা লেনদেন করবে, সেই দেশগুলোকেও আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করা হবে। তবে ঠিক কী ধরনের সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা নেয়া হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেননি তিনি। ধারণা করা হচ্ছে, সোমবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাবেন তিনি।

মার্কিন এই হুঁশিয়ারি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ইরান পাল্টা হুমকি দিয়ে বলেছে, যুদ্ধ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে তারা ওই অঞ্চল থেকে সব ধরনের তেল রপ্তানি বন্ধ করে দেবে। এছাড়া জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রেও নতুন সতর্কতা জারি করেছে দেশটি। ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তাদের অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করতে পারবে না।

বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে সংঘাত শুরুর পর থেকেই ইরান কার্যত এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের মাধ্যমে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ রেখেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব হলেন মো. ইউনুস আলী

ইরানের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত অর্থনৈতিক যুদ্ধের হুঁশিয়ারি মার্কিন অর্থমন্ত্রীর

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৩১:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

ইরানের বিরুদ্ধে ‘এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় আর্থিক অভিযান’ চালানোর হুমকি দিয়েছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। তিনি দাবি করেছেন, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধ বর্তমানে এক চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসে প্রকাশিত একটি মতামত নিবন্ধে বেসেন্ট এই নতুন অর্থনৈতিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তার ভাষায়, তেহরান সম্পূর্ণ একা না হওয়া পর্যন্ত তাদের স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখা প্রতিটি অর্থনৈতিক লাইফলাইন বিচ্ছিন্ন করাই যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী এই পরিকল্পনাকে ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, ইরানের সঙ্গে সব ধরনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার পাশাপাশি যারা তেহরানের সঙ্গে ব্যবসা বা লেনদেন করবে, সেই দেশগুলোকেও আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করা হবে। তবে ঠিক কী ধরনের সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা নেয়া হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেননি তিনি। ধারণা করা হচ্ছে, সোমবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাবেন তিনি।

মার্কিন এই হুঁশিয়ারি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ইরান পাল্টা হুমকি দিয়ে বলেছে, যুদ্ধ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে তারা ওই অঞ্চল থেকে সব ধরনের তেল রপ্তানি বন্ধ করে দেবে। এছাড়া জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রেও নতুন সতর্কতা জারি করেছে দেশটি। ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তাদের অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করতে পারবে না।

বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে সংঘাত শুরুর পর থেকেই ইরান কার্যত এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের মাধ্যমে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ রেখেছে।