লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১০:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে আজ আপিল বিভাগের রায়

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে আনা বিভিন্ন বিষয়কে অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের চূড়ান্ত শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ৯ জুলাই প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করবেন।

এর আগে, গত বছরের ১৩ নভেম্বর তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দিয়েছিলেন। ২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর পৃথক দুটি রিট আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্ট পঞ্চদশ সংশোধনীর কিছু অংশ অসাংবিধানিক ও বাতিল ঘোষণা করে রায় দিয়েছিলেন।

তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পাস করেছিল। এর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলোপসহ সংবিধানে মোট ৫৪টি ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনা হয়। এই সংশোধনীর বিরুদ্ধে সুশাসনের জন্য নাগরিকের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ চার ব্যক্তি, নওগাঁর বাসিন্দা মো. মোফাজ্জল হোসেন এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে পৃথক তিনটি আপিল দায়ের করা হয়।

শুনানি চলাকালে সুশাসনের জন্য নাগরিকের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারের আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া পঞ্চদশ সংশোধনীকে ‘প্রতারণা’ হিসেবে উল্লেখ করে তা পুরোপুরি বাতিলের দাবি জানান। তবে তিনি সংবিধানের ৯৬ ও ১০২ অনুচ্ছেদের সুরক্ষা চেয়েছেন। অন্যদিকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আইনজীবী শিশির মনির পঞ্চদশ সংশোধনীর যে অংশগুলো সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর সঙ্গে সাংঘর্ষিক, সেগুলো বাতিল এবং বাকি অংশ সংসদের বিবেচনার ওপর ছেড়ে দেওয়ার আবেদন জানিয়ে শুনানি শেষ করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউএইতে কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়া ঠেকাতে তৎপর জনতা ব্যাংক

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে আজ আপিল বিভাগের রায়

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:০০:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে আনা বিভিন্ন বিষয়কে অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের চূড়ান্ত শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ৯ জুলাই প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করবেন।

এর আগে, গত বছরের ১৩ নভেম্বর তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দিয়েছিলেন। ২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর পৃথক দুটি রিট আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্ট পঞ্চদশ সংশোধনীর কিছু অংশ অসাংবিধানিক ও বাতিল ঘোষণা করে রায় দিয়েছিলেন।

তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পাস করেছিল। এর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলোপসহ সংবিধানে মোট ৫৪টি ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনা হয়। এই সংশোধনীর বিরুদ্ধে সুশাসনের জন্য নাগরিকের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ চার ব্যক্তি, নওগাঁর বাসিন্দা মো. মোফাজ্জল হোসেন এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে পৃথক তিনটি আপিল দায়ের করা হয়।

শুনানি চলাকালে সুশাসনের জন্য নাগরিকের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারের আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া পঞ্চদশ সংশোধনীকে ‘প্রতারণা’ হিসেবে উল্লেখ করে তা পুরোপুরি বাতিলের দাবি জানান। তবে তিনি সংবিধানের ৯৬ ও ১০২ অনুচ্ছেদের সুরক্ষা চেয়েছেন। অন্যদিকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আইনজীবী শিশির মনির পঞ্চদশ সংশোধনীর যে অংশগুলো সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর সঙ্গে সাংঘর্ষিক, সেগুলো বাতিল এবং বাকি অংশ সংসদের বিবেচনার ওপর ছেড়ে দেওয়ার আবেদন জানিয়ে শুনানি শেষ করেন।