লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাঁদাবাজির শেষ চাই — End Extortion Now

আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে প্রথম অগ্রাধিকার—নির্বাচিত হলেই ঘোষণা প্রার্থীর

আইনশৃঙ্খলার অবনতি, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা। নির্বাচিত হলে প্রথম দিন থেকেই পুলিশ সংস্কার ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি।

দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন ক্রমেই কঠিন ও অনিরাপদ হয়ে উঠেছে। সৎভাবে জীবনযাপন, পরিশ্রম করে রুটি-রুজি করা এবং পরিবার নিয়ে শান্তিতে বসবাস—এই স্বাভাবিক চাহিদাটুকুও আজ হুমকির মুখে।
একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীকে ব্যবসা চালাতে স্থানীয় মাস্তানের হাতে চাঁদা দিতে বাধ্য হতে হচ্ছে। আবার যেসব প্রতিষ্ঠান নাগরিকদের নিরাপত্তা দেওয়ার কথা, সেখানেও দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার দেখা যাচ্ছে। রাস্তায় মোবাইল ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও বেআইনি কর্মকাণ্ড আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার ভয়াবহ দুর্বলতারই প্রতিচ্ছবি।
এই প্রেক্ষাপটে এক নির্বাচনী বক্তব্যে প্রার্থী বলেন,
“আমি নির্বাচিত হলে আইনশৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠাই হবে আমার এক নম্বর অগ্রাধিকার—প্রথম দিন, প্রথম ঘণ্টা থেকেই।”
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা ছাড়া কোনো স্থিতিশীলতা নেই, নেই নিরাপত্তা বা শান্তি। জুলাই বিপ্লবের পর দেশের তরুণ সমাজ ও জেনারেশন জেড যে শৃঙ্খলা ও সংযম দেখিয়েছে, তা প্রমাণ করে জনগণ পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত।
তিনি আরও জানান, পুলিশের কাঠামোগত সংস্কার করে জনআস্থা ফিরিয়ে আনা হবে। সমাজের প্রতিটি স্তর থেকে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দখলদারিত্ব নির্মূল করা হবে।
“কোনো নাগরিক যেন অপরাধী বা রাষ্ট্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কারও কাছেই ভীত না থাকে।”
সবশেষে তিনি বলেন, দেশের তরুণরা যেন পড়াশোনা করে, কাজ করে গর্বের সঙ্গে এই দেশকে নিজের ঘর বলতে পারে—এটি শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, বরং তাঁর দায়িত্ব।

Restoring Law and Order Will Be My First Priority from Day One, Says Election Candidate

জনপ্রিয় সংবাদ

আঙুলের শব্দে আম্পায়ার বিভ্রান্ত, ইংল্যান্ডের ক্রিকেটে প্রতারণার নজির

চাঁদাবাজির শেষ চাই — End Extortion Now

প্রকাশিত হয়েছে: ০৭:৫৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে প্রথম অগ্রাধিকার—নির্বাচিত হলেই ঘোষণা প্রার্থীর

আইনশৃঙ্খলার অবনতি, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা। নির্বাচিত হলে প্রথম দিন থেকেই পুলিশ সংস্কার ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি।

দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন ক্রমেই কঠিন ও অনিরাপদ হয়ে উঠেছে। সৎভাবে জীবনযাপন, পরিশ্রম করে রুটি-রুজি করা এবং পরিবার নিয়ে শান্তিতে বসবাস—এই স্বাভাবিক চাহিদাটুকুও আজ হুমকির মুখে।
একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীকে ব্যবসা চালাতে স্থানীয় মাস্তানের হাতে চাঁদা দিতে বাধ্য হতে হচ্ছে। আবার যেসব প্রতিষ্ঠান নাগরিকদের নিরাপত্তা দেওয়ার কথা, সেখানেও দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার দেখা যাচ্ছে। রাস্তায় মোবাইল ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও বেআইনি কর্মকাণ্ড আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার ভয়াবহ দুর্বলতারই প্রতিচ্ছবি।
এই প্রেক্ষাপটে এক নির্বাচনী বক্তব্যে প্রার্থী বলেন,
“আমি নির্বাচিত হলে আইনশৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠাই হবে আমার এক নম্বর অগ্রাধিকার—প্রথম দিন, প্রথম ঘণ্টা থেকেই।”
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা ছাড়া কোনো স্থিতিশীলতা নেই, নেই নিরাপত্তা বা শান্তি। জুলাই বিপ্লবের পর দেশের তরুণ সমাজ ও জেনারেশন জেড যে শৃঙ্খলা ও সংযম দেখিয়েছে, তা প্রমাণ করে জনগণ পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত।
তিনি আরও জানান, পুলিশের কাঠামোগত সংস্কার করে জনআস্থা ফিরিয়ে আনা হবে। সমাজের প্রতিটি স্তর থেকে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দখলদারিত্ব নির্মূল করা হবে।
“কোনো নাগরিক যেন অপরাধী বা রাষ্ট্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কারও কাছেই ভীত না থাকে।”
সবশেষে তিনি বলেন, দেশের তরুণরা যেন পড়াশোনা করে, কাজ করে গর্বের সঙ্গে এই দেশকে নিজের ঘর বলতে পারে—এটি শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, বরং তাঁর দায়িত্ব।

Restoring Law and Order Will Be My First Priority from Day One, Says Election Candidate