লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৭:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে মনোনয়ন দাখিল শেষ, প্রার্থী সংখ্যা বেড়েছে

পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে মনোনয়ন দাখিল শেষ, প্রার্থী সংখ্যা বেড়েছে

নতুন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী পাবনা-১ ও পাবনা-২ সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল রোববার। শেষ দিন পর্যন্ত দুই আসনে একাধিক প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, পাবনা-১ আসনে মোট সাতজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এদের মধ্যে বিএনপি থেকে মো. শামসুর রহমান, জামায়াতে ইসলামী থেকে মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মো. আবদুল গণি মনোনয়ন জমা দেন।
এ ছাড়া পাবনা-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন খয়রুন নাহার খানম, অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, মো. মাসুদুল হক ও মো. তাজুল ইসলাম।
অন্যদিকে, পাবনা-২ আসনে পাঁচজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর প্রত্যাহার ও প্রতীক বরাদ্দের মাধ্যমে নির্বাচনী মাঠ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

বকশীগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে যুবককে ৬ মাসের কারাদণ্ড

পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে মনোনয়ন দাখিল শেষ, প্রার্থী সংখ্যা বেড়েছে

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:২০:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে মনোনয়ন দাখিল শেষ, প্রার্থী সংখ্যা বেড়েছে

নতুন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী পাবনা-১ ও পাবনা-২ সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল রোববার। শেষ দিন পর্যন্ত দুই আসনে একাধিক প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, পাবনা-১ আসনে মোট সাতজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এদের মধ্যে বিএনপি থেকে মো. শামসুর রহমান, জামায়াতে ইসলামী থেকে মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মো. আবদুল গণি মনোনয়ন জমা দেন।
এ ছাড়া পাবনা-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন খয়রুন নাহার খানম, অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, মো. মাসুদুল হক ও মো. তাজুল ইসলাম।
অন্যদিকে, পাবনা-২ আসনে পাঁচজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর প্রত্যাহার ও প্রতীক বরাদ্দের মাধ্যমে নির্বাচনী মাঠ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।