লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৯:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিএনপির সব পরিকল্পনা ও কর্মসূচি সবসময় জনবান্ধব: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন যে, বিএনপির প্রতিটি পরিকল্পনা ও কর্মসূচি সবসময়ই জনবান্ধব। সোমবার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘এসডিজি অর্জনে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো: নীতি, অংশীদারত্ব ও অগ্রাধিকার’ শীর্ষক এক জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, জনগণের স্বার্থ নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য এবং তাদের নীতি হলো ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’।

তারেক রহমান বলেন, এসডিজির মূলনীতি ‘কাউকে পেছনে ফেলে নয়’-এর সঙ্গে বর্তমান সরকারের জননীতির গভীর মিল রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশ ও জনগণের উন্নয়নে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়ার ‘ভিশন ২০৩০’ এবং বর্তমানের রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার প্রতিটি রূপকল্প ও লক্ষ্যের সঙ্গে এমডিজি কিংবা বর্তমানের এসডিজির খুব বেশি অমিল নেই।

দীর্ঘ সময়ের শোষণ ও শাসনে বাংলাদেশ যে ঋণনির্ভর ও আমদানিনির্ভর ভঙ্গুর রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছিল, তা পুনর্গঠন এখন জরুরি বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, দেশ পুনর্গঠনে সরকার ‘পুনরুদ্ধার-পুনর্বাসন-পুনর্গঠন’—এই তিন স্তরবিশিষ্ট কৌশল গ্রহণ করেছে। এর পাশাপাশি দারিদ্র্য বিমোচন, সামাজিক সুরক্ষা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, জেন্ডার সমতা, জলবায়ু সহনশীলতা এবং সুশাসনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

সরকার প্রান্তিক কৃষক, স্বল্প আয়ের পরিবার ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কাছে সহায়তা পৌঁছে দিতে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও ই-হেলথ কার্ডের মতো বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে বলেও জানান তিনি। এসডিজি বাস্তবায়নে সরকার, বেসরকারি খাত, উন্নয়ন সহযোগী, এনজিও, সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম ও নাগরিকদের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সবাইকে দৃঢ় সংকল্প নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।

জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তানের পেশোয়ারে স্কুলের ছাদ ধসে ১৬ শিশুর মৃত্যু

বিএনপির সব পরিকল্পনা ও কর্মসূচি সবসময় জনবান্ধব: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৩০:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন যে, বিএনপির প্রতিটি পরিকল্পনা ও কর্মসূচি সবসময়ই জনবান্ধব। সোমবার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘এসডিজি অর্জনে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো: নীতি, অংশীদারত্ব ও অগ্রাধিকার’ শীর্ষক এক জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, জনগণের স্বার্থ নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য এবং তাদের নীতি হলো ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’।

তারেক রহমান বলেন, এসডিজির মূলনীতি ‘কাউকে পেছনে ফেলে নয়’-এর সঙ্গে বর্তমান সরকারের জননীতির গভীর মিল রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশ ও জনগণের উন্নয়নে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়ার ‘ভিশন ২০৩০’ এবং বর্তমানের রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার প্রতিটি রূপকল্প ও লক্ষ্যের সঙ্গে এমডিজি কিংবা বর্তমানের এসডিজির খুব বেশি অমিল নেই।

দীর্ঘ সময়ের শোষণ ও শাসনে বাংলাদেশ যে ঋণনির্ভর ও আমদানিনির্ভর ভঙ্গুর রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছিল, তা পুনর্গঠন এখন জরুরি বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, দেশ পুনর্গঠনে সরকার ‘পুনরুদ্ধার-পুনর্বাসন-পুনর্গঠন’—এই তিন স্তরবিশিষ্ট কৌশল গ্রহণ করেছে। এর পাশাপাশি দারিদ্র্য বিমোচন, সামাজিক সুরক্ষা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, জেন্ডার সমতা, জলবায়ু সহনশীলতা এবং সুশাসনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

সরকার প্রান্তিক কৃষক, স্বল্প আয়ের পরিবার ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কাছে সহায়তা পৌঁছে দিতে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও ই-হেলথ কার্ডের মতো বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে বলেও জানান তিনি। এসডিজি বাস্তবায়নে সরকার, বেসরকারি খাত, উন্নয়ন সহযোগী, এনজিও, সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম ও নাগরিকদের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সবাইকে দৃঢ় সংকল্প নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।