লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১০:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিএনপির নতুন মহাসচিব পদে আলোচনায় চার শীর্ষ নেতার নাম

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পদত্যাগের পর বিএনপির মহাসচিব পদটি বর্তমানে শূন্য রয়েছে। দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এই গুরুত্বপূর্ণ পদে কে স্থলাভিষিক্ত হবেন, তা নিয়ে এখন দলের অভ্যন্তরীণ মহলে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। তবে নতুন মহাসচিবের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো জানানো হয়নি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, মহাসচিব কে হচ্ছেন, তা পরে জানানো হবে। দলটির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু জানিয়েছেন, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আপাতত একজন ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব দায়িত্ব পালন করবেন। পরবর্তী সময়ে কাউন্সিলের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ মহাসচিব নির্বাচিত করা হবে।

দলের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আপাতত ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পেতে পারেন। পরে চলতি বছরের ডিসেম্বর বা আগামী জানুয়ারিতে কাউন্সিল হলে তাকে পূর্ণাঙ্গ মহাসচিব করার সম্ভাবনাও রয়েছে। রুহুল কবির রিজভীর দীর্ঘদিন দলের সাংগঠনিক ও দপ্তর কার্যক্রম পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে। গত দেড় দশকে মামলা, হামলা ও কারাবরণের মধ্যেও তিনি দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। বিএনপি সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্ব পেলেও নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের কার্যক্রমে তার সম্পৃক্ততা অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে মহাসচিব পদে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, দলীয় নীতিনির্ধারণে ভূমিকা এবং আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়তার কারণে তাকে গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।

এছাড়া মহাসচিব পদে আলোচনায় রয়েছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সাবেক ছাত্রদল সভাপতি ও যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল। দুজনেরই ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা এবং রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় থাকার অভিজ্ঞতা রয়েছে। দলীয় সূত্রগুলো বলছে, অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা, রাজপথের ভূমিকা ও নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার মতো বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়েই নতুন মহাসচিব বেছে নেওয়া হতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত আলোচিত চারজনের বাইরে অন্য কোনো নেতাকেও দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

শার্শা সীমান্তে অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল উদ্ধার

বিএনপির নতুন মহাসচিব পদে আলোচনায় চার শীর্ষ নেতার নাম

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:১৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পদত্যাগের পর বিএনপির মহাসচিব পদটি বর্তমানে শূন্য রয়েছে। দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এই গুরুত্বপূর্ণ পদে কে স্থলাভিষিক্ত হবেন, তা নিয়ে এখন দলের অভ্যন্তরীণ মহলে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। তবে নতুন মহাসচিবের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো জানানো হয়নি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, মহাসচিব কে হচ্ছেন, তা পরে জানানো হবে। দলটির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু জানিয়েছেন, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আপাতত একজন ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব দায়িত্ব পালন করবেন। পরবর্তী সময়ে কাউন্সিলের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ মহাসচিব নির্বাচিত করা হবে।

দলের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আপাতত ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পেতে পারেন। পরে চলতি বছরের ডিসেম্বর বা আগামী জানুয়ারিতে কাউন্সিল হলে তাকে পূর্ণাঙ্গ মহাসচিব করার সম্ভাবনাও রয়েছে। রুহুল কবির রিজভীর দীর্ঘদিন দলের সাংগঠনিক ও দপ্তর কার্যক্রম পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে। গত দেড় দশকে মামলা, হামলা ও কারাবরণের মধ্যেও তিনি দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। বিএনপি সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্ব পেলেও নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের কার্যক্রমে তার সম্পৃক্ততা অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে মহাসচিব পদে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, দলীয় নীতিনির্ধারণে ভূমিকা এবং আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়তার কারণে তাকে গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।

এছাড়া মহাসচিব পদে আলোচনায় রয়েছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সাবেক ছাত্রদল সভাপতি ও যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল। দুজনেরই ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা এবং রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় থাকার অভিজ্ঞতা রয়েছে। দলীয় সূত্রগুলো বলছে, অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা, রাজপথের ভূমিকা ও নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার মতো বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়েই নতুন মহাসচিব বেছে নেওয়া হতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত আলোচিত চারজনের বাইরে অন্য কোনো নেতাকেও দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।