লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৫:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তাইওয়ান ইস্যুতে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য নিয়ে কূটনৈতিক বিতর্ক

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কূটনীতিতে মালয়েশিয়া বরাবরই ভারসাম্যের রাজনীতি অনুসরণ করে এসেছে। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাঝেও দেশটি কোনো পক্ষের সঙ্গে পুরোপুরি না গিয়ে নিজস্ব স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি তাইওয়ান নিয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের মন্তব্য সেই পুরোনো নীতির প্রশ্ন আবার সামনে এনেছে। তার বক্তব্যে চীনের প্রতি অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতার ইঙ্গিত দেখছেন কেউ কেউ। তবে বিশ্লেষকদের একটি অংশ বলছে, মালয়েশিয়ার নীতিতে মৌলিক কোনো পরিবর্তন আসেনি।

সম্প্রতি আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আনোয়ার বলেন, তিনি তাইওয়ানকে ‘চীনের অংশ’ হিসেবেই দেখেন। শান্তিপূর্ণভাবে পুনরায় একত্রীকরণ সম্ভব না হলে চীন শক্তি প্রয়োগ করলে তিনি সেটির নিন্দা করবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে আনোয়ার মালয়েশিয়ার একটি রাজ্য বিচ্ছিন্ন হতে চাইলে দেশটির অখণ্ডতা রক্ষায় শক্তি প্রয়োগের উদাহরণ দেন।

আনোয়ারের বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছে বেইজিং। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আবারও বলেছে, তাইওয়ান চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং চীন অবশ্যই পুনরায় একত্রীকরণ করবে। অন্যদিকে তাইওয়ান তার মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে। তাইওয়ানের সরকারের আশঙ্কা, চীনের প্রতি আনোয়ারের একতরফা সমর্থন মালয়েশিয়ায় তাইওয়ানের ব্যবসায়িক বিনিয়োগের আস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ মালয়েশিয়ার সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে তাইওয়ানের বড় বিনিয়োগ রয়েছে।

পরে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে আনোয়ার কিছুটা অবস্থান নরম করে বলেন, মালয়েশিয়া চীনের অবস্থানকে সম্মান করে, তবে তাইওয়ান প্রণালির উত্তেজনার শান্তিপূর্ণ সমাধানই চায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

পীরগঞ্জে বিলের পানিতে ডুবে কৃষকের মৃত্যু

তাইওয়ান ইস্যুতে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য নিয়ে কূটনৈতিক বিতর্ক

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:৩৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কূটনীতিতে মালয়েশিয়া বরাবরই ভারসাম্যের রাজনীতি অনুসরণ করে এসেছে। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাঝেও দেশটি কোনো পক্ষের সঙ্গে পুরোপুরি না গিয়ে নিজস্ব স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি তাইওয়ান নিয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের মন্তব্য সেই পুরোনো নীতির প্রশ্ন আবার সামনে এনেছে। তার বক্তব্যে চীনের প্রতি অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতার ইঙ্গিত দেখছেন কেউ কেউ। তবে বিশ্লেষকদের একটি অংশ বলছে, মালয়েশিয়ার নীতিতে মৌলিক কোনো পরিবর্তন আসেনি।

সম্প্রতি আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আনোয়ার বলেন, তিনি তাইওয়ানকে ‘চীনের অংশ’ হিসেবেই দেখেন। শান্তিপূর্ণভাবে পুনরায় একত্রীকরণ সম্ভব না হলে চীন শক্তি প্রয়োগ করলে তিনি সেটির নিন্দা করবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে আনোয়ার মালয়েশিয়ার একটি রাজ্য বিচ্ছিন্ন হতে চাইলে দেশটির অখণ্ডতা রক্ষায় শক্তি প্রয়োগের উদাহরণ দেন।

আনোয়ারের বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছে বেইজিং। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আবারও বলেছে, তাইওয়ান চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং চীন অবশ্যই পুনরায় একত্রীকরণ করবে। অন্যদিকে তাইওয়ান তার মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে। তাইওয়ানের সরকারের আশঙ্কা, চীনের প্রতি আনোয়ারের একতরফা সমর্থন মালয়েশিয়ায় তাইওয়ানের ব্যবসায়িক বিনিয়োগের আস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ মালয়েশিয়ার সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে তাইওয়ানের বড় বিনিয়োগ রয়েছে।

পরে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে আনোয়ার কিছুটা অবস্থান নরম করে বলেন, মালয়েশিয়া চীনের অবস্থানকে সম্মান করে, তবে তাইওয়ান প্রণালির উত্তেজনার শান্তিপূর্ণ সমাধানই চায়।