লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিটার লাগানোর আগেই গ্রাহকের নামে ৬৯২ টাকার বিদ্যুৎ বিল

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের তেঘরিয়া বাজার এলাকায় এক অদ্ভুত ঘটনার সাক্ষী হয়েছেন গ্রাহক শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকার। তার নামে নতুন একটি বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য আবেদন করা হলেও, মিটার স্থাপন বা বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার আগেই তার কাছে ৬৯২ টাকার একটি বিদ্যুৎ বিল পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী গ্রাহক তীব্র বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।

নিমাই চন্দ্র সরকার জানান, তার বাসভবনে বর্তমানে দুটি আবাসিক ও দুটি বাণিজ্যিক মিটার রয়েছে। এর বাইরে নতুন একটি সংযোগের জন্য তিনি আবেদন করেছিলেন। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে দেখা যায়, নতুন মিটারের জন্য প্রয়োজনীয় ওয়্যারিং বোর্ড প্রস্তুত করা হলেও সেখানে কোনো মিটার লাগানো হয়নি। অথচ আগস্ট মাসের জন্য তার নামে ৬৯২ টাকার বিল ইস্যু করা হয়েছে। সব মিলিয়ে তার নামে মোট পাঁচটি বিদ্যুৎ বিলের কাগজ এসেছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

মিটার বা সংযোগ ছাড়াই বিল তৈরির বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগের বিলিং ব্যবস্থাপনা ও তদারকি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা। ভুক্তভোগীরা বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে তেঘরিয়া অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ মোখলেছুর রহমান স্বীকার করেন যে, বিলটি ভুলবশত হয়েছে। তিনি বলেন, গ্রাহকের সঙ্গে কথা বলেই বিলটি করা হয়েছিল। অন্যদিকে, জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (ওএন্ডএম) আবু সালেহ মো. নাঈম দাবি করেন, সফটওয়্যার পরিবর্তনের কারণে এই ত্রুটি হয়েছে। তবে মিটার বা সংযোগ না থাকা অবস্থায় কেন বিল তৈরি হলো, তার কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা তিনি দিতে পারেননি।

একই জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) সৈয়দা ফারজানা ইয়াসমিনও বিষয়টির কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, মিটার বা সংযোগ ছাড়া কেন বিল এসেছে, তা তার জানা নেই এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনে দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচে ড্র করল বাংলাদেশ হকি দল

মিটার লাগানোর আগেই গ্রাহকের নামে ৬৯২ টাকার বিদ্যুৎ বিল

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:০১:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের তেঘরিয়া বাজার এলাকায় এক অদ্ভুত ঘটনার সাক্ষী হয়েছেন গ্রাহক শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকার। তার নামে নতুন একটি বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য আবেদন করা হলেও, মিটার স্থাপন বা বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার আগেই তার কাছে ৬৯২ টাকার একটি বিদ্যুৎ বিল পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী গ্রাহক তীব্র বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।

নিমাই চন্দ্র সরকার জানান, তার বাসভবনে বর্তমানে দুটি আবাসিক ও দুটি বাণিজ্যিক মিটার রয়েছে। এর বাইরে নতুন একটি সংযোগের জন্য তিনি আবেদন করেছিলেন। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে দেখা যায়, নতুন মিটারের জন্য প্রয়োজনীয় ওয়্যারিং বোর্ড প্রস্তুত করা হলেও সেখানে কোনো মিটার লাগানো হয়নি। অথচ আগস্ট মাসের জন্য তার নামে ৬৯২ টাকার বিল ইস্যু করা হয়েছে। সব মিলিয়ে তার নামে মোট পাঁচটি বিদ্যুৎ বিলের কাগজ এসেছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

মিটার বা সংযোগ ছাড়াই বিল তৈরির বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগের বিলিং ব্যবস্থাপনা ও তদারকি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা। ভুক্তভোগীরা বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে তেঘরিয়া অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ মোখলেছুর রহমান স্বীকার করেন যে, বিলটি ভুলবশত হয়েছে। তিনি বলেন, গ্রাহকের সঙ্গে কথা বলেই বিলটি করা হয়েছিল। অন্যদিকে, জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (ওএন্ডএম) আবু সালেহ মো. নাঈম দাবি করেন, সফটওয়্যার পরিবর্তনের কারণে এই ত্রুটি হয়েছে। তবে মিটার বা সংযোগ না থাকা অবস্থায় কেন বিল তৈরি হলো, তার কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা তিনি দিতে পারেননি।

একই জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) সৈয়দা ফারজানা ইয়াসমিনও বিষয়টির কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, মিটার বা সংযোগ ছাড়া কেন বিল এসেছে, তা তার জানা নেই এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।