লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৪:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইয়েমেনে সরকারি বাহিনীর অভিযানে ৭ শতাধিক হুথি যোদ্ধা নিহত

ইয়েমেনে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারি বাহিনীর সাম্প্রতিক অভিযানে সাত শতাধিক হুথি যোদ্ধা নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির সামরিক কর্তৃপক্ষ। সরকারি বাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল মাজেদ আবদুল্লাহ আল-নাজিলি শনিবার জানান, গত কয়েক দিনে হুথিদের অবস্থান, সামরিক তৎপরতা ও সক্ষমতা লক্ষ্য করে মোট ২৫৭টি সুনির্দিষ্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসব অভিযানে যুদ্ধবিমান, ড্রোন, কামান, ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট লঞ্চার ব্যবহার করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

অভিযানগুলো সানা, মিদি, বাকিম, আল-জাওফ, মারিব, আল-বায়দা ও লাহিজসহ বিভিন্ন ফ্রন্টে চালানো হয়েছে। তবে বর্তমানে সবচেয়ে তীব্র লড়াই চলছে তাইজ এলাকায়। এর এক দিন আগে সরকারি বাহিনী দাবি করেছিল যে, ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে প্রায় ৫০০টি সামরিক অভিযানে ১ হাজার ৫৪০ জন হুথি যোদ্ধা নিহত বা আহত হয়েছে। তবে সরকারি বাহিনীর নিজস্ব সদস্য হতাহতের বিষয়ে কোনো তথ্য জানানো হয়নি এবং হুথিরাও এসব হতাহতের পরিসংখ্যান স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করেনি।

তাইজ শহরটি বর্তমানে সংঘাতের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, শহরের আশপাশে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক গোলাবর্ষণ চলছে। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব সংঘর্ষে বেসামরিক মানুষেরও প্রাণহানি ঘটছে। ধুবাব এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে গোলার আঘাতে ছড়িয়ে পড়া ধাতব টুকরার আঘাতে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

নিরাপত্তাজনিত কারণে ইয়েমেনি কর্তৃপক্ষ তাইজের আল-হুবান ক্রসিংটিও বন্ধ করে দিয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি হুথিদের নিয়ন্ত্রিত আল-হুবান এলাকার সঙ্গে সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন তাইজ শহরকে যুক্ত করে। কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে, হুথি যোদ্ধাদের শহরে ঢোকার প্রচেষ্টা এবং ওই এলাকায় সামরিক তৎপরতা বেড়ে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য যে, মানবিক কারণে ২০২৪ সালে খুলে দেওয়ার আগে এই ক্রসিংটি টানা নয় বছর বন্ধ ছিল। এদিকে, তীব্র লড়াইয়ের পর সরকারি বাহিনী তাইজের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সামা দুর্গের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারত-বাংলাদেশ দীর্ঘস্থায়ী বন্ধন অটুট থাকবে: এম জে আকবর

ইয়েমেনে সরকারি বাহিনীর অভিযানে ৭ শতাধিক হুথি যোদ্ধা নিহত

প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:৩৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

ইয়েমেনে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারি বাহিনীর সাম্প্রতিক অভিযানে সাত শতাধিক হুথি যোদ্ধা নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির সামরিক কর্তৃপক্ষ। সরকারি বাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল মাজেদ আবদুল্লাহ আল-নাজিলি শনিবার জানান, গত কয়েক দিনে হুথিদের অবস্থান, সামরিক তৎপরতা ও সক্ষমতা লক্ষ্য করে মোট ২৫৭টি সুনির্দিষ্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসব অভিযানে যুদ্ধবিমান, ড্রোন, কামান, ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট লঞ্চার ব্যবহার করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

অভিযানগুলো সানা, মিদি, বাকিম, আল-জাওফ, মারিব, আল-বায়দা ও লাহিজসহ বিভিন্ন ফ্রন্টে চালানো হয়েছে। তবে বর্তমানে সবচেয়ে তীব্র লড়াই চলছে তাইজ এলাকায়। এর এক দিন আগে সরকারি বাহিনী দাবি করেছিল যে, ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে প্রায় ৫০০টি সামরিক অভিযানে ১ হাজার ৫৪০ জন হুথি যোদ্ধা নিহত বা আহত হয়েছে। তবে সরকারি বাহিনীর নিজস্ব সদস্য হতাহতের বিষয়ে কোনো তথ্য জানানো হয়নি এবং হুথিরাও এসব হতাহতের পরিসংখ্যান স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করেনি।

তাইজ শহরটি বর্তমানে সংঘাতের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, শহরের আশপাশে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক গোলাবর্ষণ চলছে। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব সংঘর্ষে বেসামরিক মানুষেরও প্রাণহানি ঘটছে। ধুবাব এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে গোলার আঘাতে ছড়িয়ে পড়া ধাতব টুকরার আঘাতে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

নিরাপত্তাজনিত কারণে ইয়েমেনি কর্তৃপক্ষ তাইজের আল-হুবান ক্রসিংটিও বন্ধ করে দিয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি হুথিদের নিয়ন্ত্রিত আল-হুবান এলাকার সঙ্গে সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন তাইজ শহরকে যুক্ত করে। কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে, হুথি যোদ্ধাদের শহরে ঢোকার প্রচেষ্টা এবং ওই এলাকায় সামরিক তৎপরতা বেড়ে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য যে, মানবিক কারণে ২০২৪ সালে খুলে দেওয়ার আগে এই ক্রসিংটি টানা নয় বছর বন্ধ ছিল। এদিকে, তীব্র লড়াইয়ের পর সরকারি বাহিনী তাইজের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সামা দুর্গের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি করেছে।