লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তিব্বতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে ১৮ জনের মৃত্যু, ধসে পড়েছে তিন শতাধিক ঘরবাড়ি

চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল তিব্বতে আঘাত হেনেছে ৭ মাত্রার এক শক্তিশালী ভূমিকম্প। গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৩৩ মিনিটে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে অন্তত ১৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল তিব্বতের নাগছু শহর থেকে প্রায় ১৯০ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তরপূর্বের একটি পাহাড়ি এলাকা। অঞ্চলটির রাজধানী লাসা থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৩৯০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে।

চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভির প্রতিবেদনে স্থানীয় কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, এই ভূমিকম্পে আরও ৪৬ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ১১ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। ভূমিকম্পের ফলে ৩৩৯টি ঘরবাড়ি ধসে পড়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ধ্বংসস্তূপের নিচে উদ্ধারকাজ জোরদার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে তিব্বতের তিংশি কাউন্টিতে এক প্রাণঘাতী ভূমিকম্পে অন্তত ১২৬ জন নিহত হয়েছিলেন। এছাড়া, কয়েক সপ্তাহ আগেই নেপাল-তিব্বত সীমান্ত এলাকায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় ১,৪০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। ওই বন্যার উৎপত্তিস্থল ছিল নেপাল-তিব্বত সীমান্তের কাছাকাছি এলাকা, যা নেপালের উত্তরাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলের বহু ঘরবাড়ি ও ভবন ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছিল।

জনপ্রিয় সংবাদ

গর্তে আট মাস লুকিয়ে থাকার পর ড্রোনে উদ্ধার দুই পা হারানো ইউক্রেনীয় সেনা

তিব্বতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে ১৮ জনের মৃত্যু, ধসে পড়েছে তিন শতাধিক ঘরবাড়ি

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৩১:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল তিব্বতে আঘাত হেনেছে ৭ মাত্রার এক শক্তিশালী ভূমিকম্প। গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৩৩ মিনিটে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে অন্তত ১৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল তিব্বতের নাগছু শহর থেকে প্রায় ১৯০ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তরপূর্বের একটি পাহাড়ি এলাকা। অঞ্চলটির রাজধানী লাসা থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৩৯০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে।

চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভির প্রতিবেদনে স্থানীয় কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, এই ভূমিকম্পে আরও ৪৬ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ১১ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। ভূমিকম্পের ফলে ৩৩৯টি ঘরবাড়ি ধসে পড়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ধ্বংসস্তূপের নিচে উদ্ধারকাজ জোরদার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে তিব্বতের তিংশি কাউন্টিতে এক প্রাণঘাতী ভূমিকম্পে অন্তত ১২৬ জন নিহত হয়েছিলেন। এছাড়া, কয়েক সপ্তাহ আগেই নেপাল-তিব্বত সীমান্ত এলাকায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় ১,৪০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। ওই বন্যার উৎপত্তিস্থল ছিল নেপাল-তিব্বত সীমান্তের কাছাকাছি এলাকা, যা নেপালের উত্তরাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলের বহু ঘরবাড়ি ও ভবন ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছিল।