লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন নিয়ে সংসদে বিরোধী দলের ওয়াকআউট

গণভোটের রায় উপেক্ষা করে সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন করার অভিযোগ তুলে জাতীয় সংসদের অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সদস্যরা। সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদে চিফ হুইপ নরুল ইসলাম মনি সংবিধান সংশোধনসংক্রান্ত বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে গঠিত এই বিশেষ কমিটির সভাপতি করা হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেন।

ওয়াকআউটের আগে সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা দুটি শপথ নিয়েছি, একটি সংসদ সদস্য হিসেবে এবং অন্যটি সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে। এই দুটি শপথই এখন বিদ্যমান আছে। যদি এসবকে পাশ কাটিয়ে নতুন কমিটি করা হয়, তবে তা আমরা প্রত্যাখ্যান করছি। আমরা আমাদের আগের অবস্থানেই অটল আছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা মনে করি গণতন্ত্রের মূল দাবিই হচ্ছে জনগণের মতামতকে মেনে নেওয়া। ৭০ শতাংশের পাশাপাশি জনগণের গণভোটের মতামত যদি এভাবে উপেক্ষা করা হয়, তবে মানুষ ভবিষ্যতে গণতান্ত্রিক পদ্ধতির ওপর শুধু আস্থাই হারাবে না, বরং বিদ্রোহী হয়ে উঠবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিতে গিয়ে ৪ অভিবাসীর মৃত্যু

সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন নিয়ে সংসদে বিরোধী দলের ওয়াকআউট

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৩৩:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

গণভোটের রায় উপেক্ষা করে সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন করার অভিযোগ তুলে জাতীয় সংসদের অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সদস্যরা। সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদে চিফ হুইপ নরুল ইসলাম মনি সংবিধান সংশোধনসংক্রান্ত বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে গঠিত এই বিশেষ কমিটির সভাপতি করা হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেন।

ওয়াকআউটের আগে সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা দুটি শপথ নিয়েছি, একটি সংসদ সদস্য হিসেবে এবং অন্যটি সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে। এই দুটি শপথই এখন বিদ্যমান আছে। যদি এসবকে পাশ কাটিয়ে নতুন কমিটি করা হয়, তবে তা আমরা প্রত্যাখ্যান করছি। আমরা আমাদের আগের অবস্থানেই অটল আছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা মনে করি গণতন্ত্রের মূল দাবিই হচ্ছে জনগণের মতামতকে মেনে নেওয়া। ৭০ শতাংশের পাশাপাশি জনগণের গণভোটের মতামত যদি এভাবে উপেক্ষা করা হয়, তবে মানুষ ভবিষ্যতে গণতান্ত্রিক পদ্ধতির ওপর শুধু আস্থাই হারাবে না, বরং বিদ্রোহী হয়ে উঠবে।