লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোপালগঞ্জে এজলাসে বিচারকের ছোড়া পেপারওয়েটে আহত শিক্ষানবিশ আইনজীবী

গোপালগঞ্জ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এ বিচারিক কার্যক্রম চলাকালীন বিচারকের ছোড়া কাঁচের পেপারওয়েটের আঘাতে সাবিহা সুলতানা নামের এক শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবী গুরুতর আহত হয়েছেন। বুধবার ঘটা এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় মাথায় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত ওই আইনজীবীকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিচারক মো. সুজন মিয়ার আদালত চলাকালীন সময়ে এজলাসের পেছনের বেঞ্চে কয়েকজন আইনজীবী কথা বলছিলেন। এ সময় বিচারক আইনজীবীদের লক্ষ্য করে একটি কাঁচের পেপারওয়েট ছুড়ে মারেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে সাবিহা সুলতানার মাথায় আঘাত লাগলে তা ফেটে যায়।

এই ঘটনায় গোপালগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জুলকদর রহমান তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং বিচারকের এমন আচরণকে অনাকাঙ্ক্ষিত বলে উল্লেখ করেছেন। এছাড়া জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও জিপি অ্যাডভোকেট এম এ আলম সেলিমও ঘটনার নিন্দা জানিয়ে সুষ্ঠু তদন্ত এবং বিচার দাবি করেছেন।

এ বিষয়ে বিচারক মো. সুজন মিয়ার বক্তব্য জানার জন্য তার মোবাইল ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

জনপ্রিয় সংবাদ

নারীর অধিকার ও নিরাপত্তা: একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের পূর্বশর্ত

গোপালগঞ্জে এজলাসে বিচারকের ছোড়া পেপারওয়েটে আহত শিক্ষানবিশ আইনজীবী

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৪৯:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

গোপালগঞ্জ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এ বিচারিক কার্যক্রম চলাকালীন বিচারকের ছোড়া কাঁচের পেপারওয়েটের আঘাতে সাবিহা সুলতানা নামের এক শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবী গুরুতর আহত হয়েছেন। বুধবার ঘটা এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় মাথায় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত ওই আইনজীবীকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিচারক মো. সুজন মিয়ার আদালত চলাকালীন সময়ে এজলাসের পেছনের বেঞ্চে কয়েকজন আইনজীবী কথা বলছিলেন। এ সময় বিচারক আইনজীবীদের লক্ষ্য করে একটি কাঁচের পেপারওয়েট ছুড়ে মারেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে সাবিহা সুলতানার মাথায় আঘাত লাগলে তা ফেটে যায়।

এই ঘটনায় গোপালগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জুলকদর রহমান তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং বিচারকের এমন আচরণকে অনাকাঙ্ক্ষিত বলে উল্লেখ করেছেন। এছাড়া জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও জিপি অ্যাডভোকেট এম এ আলম সেলিমও ঘটনার নিন্দা জানিয়ে সুষ্ঠু তদন্ত এবং বিচার দাবি করেছেন।

এ বিষয়ে বিচারক মো. সুজন মিয়ার বক্তব্য জানার জন্য তার মোবাইল ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।