লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নোয়াখালীর সেনবাগে নতুন গ্যাসকূপ খনন শুরু করল বাপেক্স

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের বড় চারিগাঁও গ্রামে নতুন একটি গ্যাসকূপ খননের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)। মঙ্গলবার দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে এই খনন কার্যক্রম শুরু করা হয় এবং পরদিন বুধবার সকাল থেকে পুরোদমে কাজ চলছে। প্রকল্পটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ খনন প্রকল্প’।

বাপেক্স সূত্রে জানা গেছে, এই কূপটি মাটির নিচে ১ হাজার ৫৫০ মিটার গভীর পর্যন্ত খননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। খননকাজ সম্পন্ন করতে প্রায় ৪৫ দিন সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মূল খনন শেষ হওয়ার পর ১৫ দিনের ডিএসটি বা ড্রিল স্টেম টেস্ট পরীক্ষা চালানো হবে, যার মাধ্যমেই কূপে গ্যাসের প্রকৃত মজুদ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

প্রকল্পের ড্রিলিং ইনচার্জ জাকির হোসেন খান জানান, খনন ও পরীক্ষামূলক কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও জানান, নির্ধারিত গভীরতায় পৌঁছানোর পর গ্যাসের পরিমাণ সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া সম্ভব হবে।

সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এই গ্যাসকূপটি সফল হলে তা দেশের জাতীয় জ্বালানি খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কূপটি থেকে দৈনিক প্রায় ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালী নিয়ে ইরান-ওমান আলোচনার খবরে তেলের দাম হ্রাস

নোয়াখালীর সেনবাগে নতুন গ্যাসকূপ খনন শুরু করল বাপেক্স

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:১৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের বড় চারিগাঁও গ্রামে নতুন একটি গ্যাসকূপ খননের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)। মঙ্গলবার দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে এই খনন কার্যক্রম শুরু করা হয় এবং পরদিন বুধবার সকাল থেকে পুরোদমে কাজ চলছে। প্রকল্পটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ খনন প্রকল্প’।

বাপেক্স সূত্রে জানা গেছে, এই কূপটি মাটির নিচে ১ হাজার ৫৫০ মিটার গভীর পর্যন্ত খননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। খননকাজ সম্পন্ন করতে প্রায় ৪৫ দিন সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মূল খনন শেষ হওয়ার পর ১৫ দিনের ডিএসটি বা ড্রিল স্টেম টেস্ট পরীক্ষা চালানো হবে, যার মাধ্যমেই কূপে গ্যাসের প্রকৃত মজুদ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

প্রকল্পের ড্রিলিং ইনচার্জ জাকির হোসেন খান জানান, খনন ও পরীক্ষামূলক কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও জানান, নির্ধারিত গভীরতায় পৌঁছানোর পর গ্যাসের পরিমাণ সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া সম্ভব হবে।

সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এই গ্যাসকূপটি সফল হলে তা দেশের জাতীয় জ্বালানি খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কূপটি থেকে দৈনিক প্রায় ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে।