লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৮:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হবিগঞ্জে প্রবেশের মুখে এনসিপির গাড়িবহর আটকে দিল পুলিশ

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থেকে হবিগঞ্জে প্রবেশের পথে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গাড়িবহর আবারও পুলিশের বাধার মুখে পড়েছে। বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ তাদের পথরোধ করে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সন্ধ্যা পৌনে সাতটা নাগাদ এনসিপির নেতারা সেখানেই অবস্থান করছিলেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কামাইছড়া এলাকায় একটি বাস আড়াআড়িভাবে রেখে রাস্তা অবরোধ করে রাখা হয়েছে। হালকা বৃষ্টির মধ্যেও এনসিপির নেতারা রাস্তায় অবস্থান নিয়ে ‘বাহ্‌ পুলিশ চমৎকার, স্বৈরাচারের তাঁবেদার’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন। বাসের সামনে পুলিশ ও স্পেশাল সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রটেকশন ব্যাটালিয়নের (এসপিবিএন) দুই শতাধিক সদস্য সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

এর আগে বিকেল পাঁচটার দিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলার সাতগাঁও এলাকায় চা-কন্যা ভাস্কর্যের সামনে এনসিপির গাড়িবহরটি প্রথমবার আটকে দেওয়া হয়। ওই বহরে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ এবং জাতীয় নারী শক্তির সদস্যসচিব মাহমুদা মিতুসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশের বাধার মুখে নেতা-কর্মীরা সেখানেই অবস্থান নেন। সারজিস আলম এ সময় অভিযোগ করেন, ‘বিএনপি সরকার, তারা এখন সরকারকে দিয়ে প্রশাসনকে আবার আওয়ামী লীগের মতো ব্যবহার করবে। ওয়ান ফোরটিফোরের (১৪৪ ধারা) ধারে কাছেও যাইনি, আমাদেরকে আটকায়ে দিসে।’

উল্লেখ্য, হবিগঞ্জ পৌর শহরে বেলা ৩টায় এনসিপি সমাবেশের ডাক দিয়েছিল। একই সময়ে জেলা ছাত্রদল পাল্টা কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এড়াতে জেলা প্রশাসন শহরের নির্দিষ্ট এলাকায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি করে। এরপর এনসিপি সেখানে সংবাদ সম্মেলনের ঘোষণা দেয়। পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া না গেলেও, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানা গেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

দেবহাটায় ১০০ কেজি জেলি-পুশকৃত চিংড়ি জব্দ, তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানা

হবিগঞ্জে প্রবেশের মুখে এনসিপির গাড়িবহর আটকে দিল পুলিশ

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:১৭:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থেকে হবিগঞ্জে প্রবেশের পথে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গাড়িবহর আবারও পুলিশের বাধার মুখে পড়েছে। বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ তাদের পথরোধ করে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সন্ধ্যা পৌনে সাতটা নাগাদ এনসিপির নেতারা সেখানেই অবস্থান করছিলেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কামাইছড়া এলাকায় একটি বাস আড়াআড়িভাবে রেখে রাস্তা অবরোধ করে রাখা হয়েছে। হালকা বৃষ্টির মধ্যেও এনসিপির নেতারা রাস্তায় অবস্থান নিয়ে ‘বাহ্‌ পুলিশ চমৎকার, স্বৈরাচারের তাঁবেদার’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন। বাসের সামনে পুলিশ ও স্পেশাল সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রটেকশন ব্যাটালিয়নের (এসপিবিএন) দুই শতাধিক সদস্য সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

এর আগে বিকেল পাঁচটার দিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলার সাতগাঁও এলাকায় চা-কন্যা ভাস্কর্যের সামনে এনসিপির গাড়িবহরটি প্রথমবার আটকে দেওয়া হয়। ওই বহরে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ এবং জাতীয় নারী শক্তির সদস্যসচিব মাহমুদা মিতুসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশের বাধার মুখে নেতা-কর্মীরা সেখানেই অবস্থান নেন। সারজিস আলম এ সময় অভিযোগ করেন, ‘বিএনপি সরকার, তারা এখন সরকারকে দিয়ে প্রশাসনকে আবার আওয়ামী লীগের মতো ব্যবহার করবে। ওয়ান ফোরটিফোরের (১৪৪ ধারা) ধারে কাছেও যাইনি, আমাদেরকে আটকায়ে দিসে।’

উল্লেখ্য, হবিগঞ্জ পৌর শহরে বেলা ৩টায় এনসিপি সমাবেশের ডাক দিয়েছিল। একই সময়ে জেলা ছাত্রদল পাল্টা কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এড়াতে জেলা প্রশাসন শহরের নির্দিষ্ট এলাকায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি করে। এরপর এনসিপি সেখানে সংবাদ সম্মেলনের ঘোষণা দেয়। পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া না গেলেও, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানা গেছে।