লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৪:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শ্যোন অ্যারেস্ট নিয়ে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করল আপিল বিভাগ

নির্দিষ্ট কোনো মামলা না থাকলে কোনো ব্যক্তিকে শ্যোন অ্যারেস্ট, গ্রেফতার কিংবা অন্য কোনোভাবে হয়রানি করা যাবে না—হাইকোর্টের এমন একটি আদেশ স্থগিত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। বুধবার (২৯ জুলাই) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন। একইসঙ্গে এ সংক্রান্ত হাইকোর্টের রুল চার সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট আদালতকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। অন্যদিকে আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার সারা হোসেন ও অ্যাডভোকেট সৈয়দ মামুন মাহবুব।

এর আগে, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট মামলা না থাকলে বিবাদীদের তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট, গ্রেফতার বা কোনো ধরনের হয়রানি না করার নির্দেশ দিয়ে রায় দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। কয়েকজন ব্যক্তির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই রায় প্রদান করেন।

হাইকোর্ট তার আদেশে একইসঙ্গে রুল জারি করেছিলেন। রুলে জানতে চাওয়া হয়েছিল, আবেদনকারীকে বারবার শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো এবং শুধুমাত্র হয়রানি, অপমান ও নিপীড়নের উদ্দেশ্যে গুরুতর প্রকৃতির মিথ্যা মামলায় জড়ানোর জন্য বিবাদীদের গৃহীত পদক্ষেপ কেন বেআইনি, আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত এবং আইনগত কার্যকারিতাবিহীন ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি, নির্দিষ্ট কোনো মামলা না থাকলে কেন তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট বা হয়রানি না করার নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা-ও জানতে চাওয়া হয়। পরবর্তীতে এই রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করলে আদালত তা স্থগিত করে নতুন এই নির্দেশনা প্রদান করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঝাড়খণ্ডে গ্রেফতার ভারতের একমাত্র জীবিত মাওবাদী পলিটব্যুরো সদস্য

শ্যোন অ্যারেস্ট নিয়ে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করল আপিল বিভাগ

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:১৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

নির্দিষ্ট কোনো মামলা না থাকলে কোনো ব্যক্তিকে শ্যোন অ্যারেস্ট, গ্রেফতার কিংবা অন্য কোনোভাবে হয়রানি করা যাবে না—হাইকোর্টের এমন একটি আদেশ স্থগিত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। বুধবার (২৯ জুলাই) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন। একইসঙ্গে এ সংক্রান্ত হাইকোর্টের রুল চার সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট আদালতকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। অন্যদিকে আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার সারা হোসেন ও অ্যাডভোকেট সৈয়দ মামুন মাহবুব।

এর আগে, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট মামলা না থাকলে বিবাদীদের তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট, গ্রেফতার বা কোনো ধরনের হয়রানি না করার নির্দেশ দিয়ে রায় দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। কয়েকজন ব্যক্তির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই রায় প্রদান করেন।

হাইকোর্ট তার আদেশে একইসঙ্গে রুল জারি করেছিলেন। রুলে জানতে চাওয়া হয়েছিল, আবেদনকারীকে বারবার শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো এবং শুধুমাত্র হয়রানি, অপমান ও নিপীড়নের উদ্দেশ্যে গুরুতর প্রকৃতির মিথ্যা মামলায় জড়ানোর জন্য বিবাদীদের গৃহীত পদক্ষেপ কেন বেআইনি, আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত এবং আইনগত কার্যকারিতাবিহীন ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি, নির্দিষ্ট কোনো মামলা না থাকলে কেন তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট বা হয়রানি না করার নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা-ও জানতে চাওয়া হয়। পরবর্তীতে এই রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করলে আদালত তা স্থগিত করে নতুন এই নির্দেশনা প্রদান করেন।