লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশজুড়ে ফ্রিল্যান্সার সামিট বাংলাদেশ ২০২৬ আয়োজনের উদ্যোগ

দেশের ফ্রিল্যান্সিং শিল্পের বিকাশ, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির সুযোগ সৃষ্টি এবং ফ্রিল্যান্সারদের জন্য একটি সহায়ক ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার লক্ষ্যে সারাদেশে ‘ফ্রিল্যান্সার সামিট বাংলাদেশ ২০২৬’ আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই আয়োজনের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার জন্য মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সঙ্গে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কন্ট্যাক্ট সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্কো)-এর প্রতিনিধিদের একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের পক্ষ থেকে যুগ্মসচিব (আইসিটি প্রমোশন ও গবেষণা অনুবিভাগ) ড. মো. তৈয়বুর রহমান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের পরিচালক (অর্থ ও প্রশাসন) মো. মাহবুব আলম উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, বাক্কোর পক্ষ থেকে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ফয়সল আলিম ও পরিচালক আব্দুল কাদের সভায় অংশগ্রহণ করেন।

উক্ত সভায় জানানো হয় যে, দেশের ৬৪টি জেলাতেই পর্যায়ক্রমে এই সম্মেলন আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এই আয়োজনের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ের ফ্রিল্যান্সার ও আগ্রহীদের দক্ষতা উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেসে কাজের সুযোগ, ক্যারিয়ার গঠন এবং প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ড কর্মসূচি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ফ্রিল্যান্সারদের বাস্তব অভিজ্ঞতা, সমস্যা ও সম্ভাবনা তুলে ধরার জন্য একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম তৈরির বিষয়েও সভায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

জেলা পর্যায়ের আয়োজনের পাশাপাশি ঢাকায় একটি কেন্দ্রীয় ফ্রিল্যান্সার সামিট আয়োজনের প্রস্তাবও সভায় আলোচিত হয়েছে। প্রস্তাবিত কেন্দ্রীয় সম্মেলনে নীতিগত আলোচনা, সেমিনার, বিশেষজ্ঞ প্যানেল, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা, আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেসে অংশগ্রহণ, ডিজিটাল পেমেন্ট, উদ্যোক্তা উন্নয়নসহ ফ্রিল্যান্সিং খাতের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে সরকারি-বেসরকারি অংশীজনদের মধ্যে মতবিনিময় করা হবে।

বাক্কো জানিয়েছে, দেশের ফ্রিল্যান্সিং, বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং (বিপিও) ও আইটি এনাবলড সার্ভিস (আইটিইএস) খাতের টেকসই উন্নয়নে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে তাদের সম্মিলিত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশজুড়ে ফ্রিল্যান্সার সামিট বাংলাদেশ ২০২৬ আয়োজনের উদ্যোগ

দেশজুড়ে ফ্রিল্যান্সার সামিট বাংলাদেশ ২০২৬ আয়োজনের উদ্যোগ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৪১:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

দেশের ফ্রিল্যান্সিং শিল্পের বিকাশ, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির সুযোগ সৃষ্টি এবং ফ্রিল্যান্সারদের জন্য একটি সহায়ক ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার লক্ষ্যে সারাদেশে ‘ফ্রিল্যান্সার সামিট বাংলাদেশ ২০২৬’ আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই আয়োজনের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার জন্য মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সঙ্গে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কন্ট্যাক্ট সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্কো)-এর প্রতিনিধিদের একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের পক্ষ থেকে যুগ্মসচিব (আইসিটি প্রমোশন ও গবেষণা অনুবিভাগ) ড. মো. তৈয়বুর রহমান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের পরিচালক (অর্থ ও প্রশাসন) মো. মাহবুব আলম উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, বাক্কোর পক্ষ থেকে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ফয়সল আলিম ও পরিচালক আব্দুল কাদের সভায় অংশগ্রহণ করেন।

উক্ত সভায় জানানো হয় যে, দেশের ৬৪টি জেলাতেই পর্যায়ক্রমে এই সম্মেলন আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এই আয়োজনের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ের ফ্রিল্যান্সার ও আগ্রহীদের দক্ষতা উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেসে কাজের সুযোগ, ক্যারিয়ার গঠন এবং প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ড কর্মসূচি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ফ্রিল্যান্সারদের বাস্তব অভিজ্ঞতা, সমস্যা ও সম্ভাবনা তুলে ধরার জন্য একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম তৈরির বিষয়েও সভায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

জেলা পর্যায়ের আয়োজনের পাশাপাশি ঢাকায় একটি কেন্দ্রীয় ফ্রিল্যান্সার সামিট আয়োজনের প্রস্তাবও সভায় আলোচিত হয়েছে। প্রস্তাবিত কেন্দ্রীয় সম্মেলনে নীতিগত আলোচনা, সেমিনার, বিশেষজ্ঞ প্যানেল, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা, আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেসে অংশগ্রহণ, ডিজিটাল পেমেন্ট, উদ্যোক্তা উন্নয়নসহ ফ্রিল্যান্সিং খাতের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে সরকারি-বেসরকারি অংশীজনদের মধ্যে মতবিনিময় করা হবে।

বাক্কো জানিয়েছে, দেশের ফ্রিল্যান্সিং, বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং (বিপিও) ও আইটি এনাবলড সার্ভিস (আইটিইএস) খাতের টেকসই উন্নয়নে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে তাদের সম্মিলিত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।