লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্যাটিং ব্যর্থতায় আফগানিস্তানের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় বাংলাদেশের

ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজের শেষ রাউন্ড রবিন ম্যাচে আফগানিস্তানের কাছে ৭ উইকেটে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছে বাংলাদেশ। ৮৭ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় আফগানরা। ১৬০ রানের পুঁজি নিয়ে ফাইনালের স্বপ্ন পূরণ করা কঠিনই ছিল বাংলাদেশের জন্য।

টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। কিন্তু শুরুতেই বিপর্যয়ের মুখে পড়ে দলটি। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ৬ রানের মাথায় ইয়ামিন আহমাদজাইয়ের বলে তানজিদ হাসান (১) ও সৌম্য সরকার (০) সাজঘরে ফেরেন। হ্যাটট্রিক বল সামলালেও সপ্তম ওভারে আজমতউল্লাহ ওমারজাইয়ের পরপর দুই বলে নাজমুল হোসেন শান্ত (১৫) ও অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় (০) আউট হলে দলীয় সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৮ রানে ৪ উইকেট।

এই কঠিন পরিস্থিতি থেকে সাইফ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমন পঞ্চম উইকেটে ৯৩ রানের একটি প্রতিরোধমূলক জুটি গড়েন। সাইফ ৮২ বলে ৪১ রান করে নবীর শিকার হন। উল্লেখ্য, সাইফের এই ইনিংসে মারা ছক্কাটি ছিল গত তিন বছরে রশিদ খানের বিপক্ষে কোনো বাংলাদেশি ব্যাটারের প্রথম ছক্কা। পারভেজ হোসেন ইমন ৯৬ বলে ৭০ রান করে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফিফটি তুলে নেন। তবে তার আউটের পর মাত্র ৩৯ রানেই বাংলাদেশের শেষ ৬ উইকেট পড়ে যায়। রশিদ খান ৩১ রানে ৪ উইকেট শিকার করেন। এছাড়া অভিষেকে আলিস আল ইসলাম ১০ বল খেলে কোনো রান করতে পারেননি।

১৬১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে আফগানিস্তানও শুরুতে তাসকিন আহমেদের তোপের মুখে পড়ে। তাসকিন রহমান গুরবাজ (৬) ও সেদিকউল্লাহ আতালকে (৪) ফিরিয়ে আশা জাগিয়েছিলেন। তবে দলীয় ৯৫ রানে মোস্তাফিজুর রহমান ইব্রাহিম জাদরানকে আউট করলেও আর কোনো সাফল্য পায়নি বাংলাদেশ। রহমত শাহ ৯০ বলে অপরাজিত ৬৭ এবং হাশমতউল্লাহ শহীদি অপরাজিত ৩৬ রান করে ৬৬ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে আফগানিস্তানের জয় নিশ্চিত করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাজেকে সড়ক অবরোধকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলি

ব্যাটিং ব্যর্থতায় আফগানিস্তানের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় বাংলাদেশের

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৪৫:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজের শেষ রাউন্ড রবিন ম্যাচে আফগানিস্তানের কাছে ৭ উইকেটে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছে বাংলাদেশ। ৮৭ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় আফগানরা। ১৬০ রানের পুঁজি নিয়ে ফাইনালের স্বপ্ন পূরণ করা কঠিনই ছিল বাংলাদেশের জন্য।

টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। কিন্তু শুরুতেই বিপর্যয়ের মুখে পড়ে দলটি। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ৬ রানের মাথায় ইয়ামিন আহমাদজাইয়ের বলে তানজিদ হাসান (১) ও সৌম্য সরকার (০) সাজঘরে ফেরেন। হ্যাটট্রিক বল সামলালেও সপ্তম ওভারে আজমতউল্লাহ ওমারজাইয়ের পরপর দুই বলে নাজমুল হোসেন শান্ত (১৫) ও অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় (০) আউট হলে দলীয় সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৮ রানে ৪ উইকেট।

এই কঠিন পরিস্থিতি থেকে সাইফ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমন পঞ্চম উইকেটে ৯৩ রানের একটি প্রতিরোধমূলক জুটি গড়েন। সাইফ ৮২ বলে ৪১ রান করে নবীর শিকার হন। উল্লেখ্য, সাইফের এই ইনিংসে মারা ছক্কাটি ছিল গত তিন বছরে রশিদ খানের বিপক্ষে কোনো বাংলাদেশি ব্যাটারের প্রথম ছক্কা। পারভেজ হোসেন ইমন ৯৬ বলে ৭০ রান করে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফিফটি তুলে নেন। তবে তার আউটের পর মাত্র ৩৯ রানেই বাংলাদেশের শেষ ৬ উইকেট পড়ে যায়। রশিদ খান ৩১ রানে ৪ উইকেট শিকার করেন। এছাড়া অভিষেকে আলিস আল ইসলাম ১০ বল খেলে কোনো রান করতে পারেননি।

১৬১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে আফগানিস্তানও শুরুতে তাসকিন আহমেদের তোপের মুখে পড়ে। তাসকিন রহমান গুরবাজ (৬) ও সেদিকউল্লাহ আতালকে (৪) ফিরিয়ে আশা জাগিয়েছিলেন। তবে দলীয় ৯৫ রানে মোস্তাফিজুর রহমান ইব্রাহিম জাদরানকে আউট করলেও আর কোনো সাফল্য পায়নি বাংলাদেশ। রহমত শাহ ৯০ বলে অপরাজিত ৬৭ এবং হাশমতউল্লাহ শহীদি অপরাজিত ৩৬ রান করে ৬৬ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে আফগানিস্তানের জয় নিশ্চিত করেন।