লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার বিদিশা এরশাদ

সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের স্ত্রী বিদিশাকে গ্রেপ্তার করেছে গুলশান থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গুলশানের অ্যারাবিকা রেস্টুরেন্ট থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দাউদ হোসেন জানান, বিদিশার বিরুদ্ধে একটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল।

২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে গুলশান থানায় দায়ের করা একটি প্রতারণার মামলায় বিচার শেষে বিদিশাকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ঢাকার পল্লবী এলাকার ব্যবসায়ী এ কে এম মোশাররফ হোসেন সিকদার ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে এই মামলাটি করেছিলেন। মামলার বিবরণী অনুযায়ী, ২০০১ সালের ১০ জুলাই বারিধারার একটি ফ্ল্যাটের জন্য মোশাররফ বিদিশাকে ৭৫ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। চুক্তি অনুযায়ী ২০০২ সালের ১০ জুলাই ফ্ল্যাটটি বুঝিয়ে দেওয়ার কথা থাকলেও তা হস্তান্তর করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন বাদী।

পরবর্তীতে টাকা ফেরত পাওয়ার চেষ্টা করলে বিদিশা ৭৫ লাখ টাকার একটি চেক প্রদান করেন। তবে অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় ২০০৫ সালের ২ মে চেকটি প্রত্যাখ্যাত হয়। টাকা ফেরত চাওয়ার সময় বিদিশা হুমকি-ধামকি দিয়েছিলেন বলেও মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এই মামলায় চলতি বছরের ২০ মে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামশেদ আলম আসামির অনুপস্থিতিতে বিদিশাকে দুই বছরের সাজার রায় ঘোষণা করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

নভেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন

প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার বিদিশা এরশাদ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:০০:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের স্ত্রী বিদিশাকে গ্রেপ্তার করেছে গুলশান থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গুলশানের অ্যারাবিকা রেস্টুরেন্ট থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দাউদ হোসেন জানান, বিদিশার বিরুদ্ধে একটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল।

২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে গুলশান থানায় দায়ের করা একটি প্রতারণার মামলায় বিচার শেষে বিদিশাকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ঢাকার পল্লবী এলাকার ব্যবসায়ী এ কে এম মোশাররফ হোসেন সিকদার ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে এই মামলাটি করেছিলেন। মামলার বিবরণী অনুযায়ী, ২০০১ সালের ১০ জুলাই বারিধারার একটি ফ্ল্যাটের জন্য মোশাররফ বিদিশাকে ৭৫ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। চুক্তি অনুযায়ী ২০০২ সালের ১০ জুলাই ফ্ল্যাটটি বুঝিয়ে দেওয়ার কথা থাকলেও তা হস্তান্তর করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন বাদী।

পরবর্তীতে টাকা ফেরত পাওয়ার চেষ্টা করলে বিদিশা ৭৫ লাখ টাকার একটি চেক প্রদান করেন। তবে অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় ২০০৫ সালের ২ মে চেকটি প্রত্যাখ্যাত হয়। টাকা ফেরত চাওয়ার সময় বিদিশা হুমকি-ধামকি দিয়েছিলেন বলেও মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এই মামলায় চলতি বছরের ২০ মে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামশেদ আলম আসামির অনুপস্থিতিতে বিদিশাকে দুই বছরের সাজার রায় ঘোষণা করেন।