লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৫:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাক্ষীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে বিচার বাধাগ্রস্ত করা যাবে না: চিফ প্রসিকিউটর

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত ও বিচারকাজ কোনোভাবেই সাক্ষীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে বাধাগ্রস্ত করা যাবে না বলে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

চট্টগ্রামে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় আসামিপক্ষ থেকে সাক্ষীদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, বিষয়টি তার নজরে এসেছে। সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, কোনো মামলার সাক্ষীকে হুমকি দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। কোনো ধরনের চাপের মুখে ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া ব্যাহত হতে দেওয়া হবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে পরিবারের করা আবেদনের বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, রবিবার মেঘের মামা রোমান একটি লিখিত আবেদন নিয়ে তার কার্যালয়ে এসেছিলেন। পরিবারটি চায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা ঘটনাটি তদন্ত করুক, অথবা তারা পিবিআইয়ের তদন্তে সহযোগিতা করুক। আমিনুল ইসলাম জানান, আবেদনটি খতিয়ে দেখা হবে। তবে এটি যদি ‘ওয়াইডস্প্রেড’ বা ‘সিস্টেমেটিক অফেন্স’-এর আওতায় না পড়ে, তবে বিষয়টি পরিবারকে জানিয়ে দেওয়া হবে।

বর্তমানে পিবিআই সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত করছে এবং আপাতত একে একটি ‘ইন্ডিভিজুয়াল মার্ডার কেস’ হিসেবেই মনে করা হচ্ছে বলে তিনি জানান। তবে যে কেউ আবেদন করার অধিকার রাখেন এবং সেই সুযোগ থেকেই পরিবার আবেদন করেছে, যা তিনি গ্রহণ করেছেন। এটি খুব আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণের বিষয় নয় বলেও তিনি জানান।

সাগর-রুনির পরিবার আশা করছে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা যুক্ত হলে ফলপ্রসূ কিছু বেরিয়ে আসতে পারে। পরিবারটি দাবি করেছে, ঘটনার আগে ও পরে একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে একজন সামরিক কর্মকর্তার যোগাযোগ, কথোপকথন এবং একটি ডিস্ক লেনদেনের সূত্র তারা পেয়েছে, যা সামরিক কর্মকর্তার এক ঘনিষ্ঠ ব্যক্তির মাধ্যমে সম্পন্ন হচ্ছিল বলে তারা মনে করছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের বিষয়টি মাথা থেকে বের করতে হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

সাক্ষীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে বিচার বাধাগ্রস্ত করা যাবে না: চিফ প্রসিকিউটর

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:৩৪:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত ও বিচারকাজ কোনোভাবেই সাক্ষীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে বাধাগ্রস্ত করা যাবে না বলে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

চট্টগ্রামে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় আসামিপক্ষ থেকে সাক্ষীদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, বিষয়টি তার নজরে এসেছে। সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, কোনো মামলার সাক্ষীকে হুমকি দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। কোনো ধরনের চাপের মুখে ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া ব্যাহত হতে দেওয়া হবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে পরিবারের করা আবেদনের বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, রবিবার মেঘের মামা রোমান একটি লিখিত আবেদন নিয়ে তার কার্যালয়ে এসেছিলেন। পরিবারটি চায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা ঘটনাটি তদন্ত করুক, অথবা তারা পিবিআইয়ের তদন্তে সহযোগিতা করুক। আমিনুল ইসলাম জানান, আবেদনটি খতিয়ে দেখা হবে। তবে এটি যদি ‘ওয়াইডস্প্রেড’ বা ‘সিস্টেমেটিক অফেন্স’-এর আওতায় না পড়ে, তবে বিষয়টি পরিবারকে জানিয়ে দেওয়া হবে।

বর্তমানে পিবিআই সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত করছে এবং আপাতত একে একটি ‘ইন্ডিভিজুয়াল মার্ডার কেস’ হিসেবেই মনে করা হচ্ছে বলে তিনি জানান। তবে যে কেউ আবেদন করার অধিকার রাখেন এবং সেই সুযোগ থেকেই পরিবার আবেদন করেছে, যা তিনি গ্রহণ করেছেন। এটি খুব আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণের বিষয় নয় বলেও তিনি জানান।

সাগর-রুনির পরিবার আশা করছে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা যুক্ত হলে ফলপ্রসূ কিছু বেরিয়ে আসতে পারে। পরিবারটি দাবি করেছে, ঘটনার আগে ও পরে একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে একজন সামরিক কর্মকর্তার যোগাযোগ, কথোপকথন এবং একটি ডিস্ক লেনদেনের সূত্র তারা পেয়েছে, যা সামরিক কর্মকর্তার এক ঘনিষ্ঠ ব্যক্তির মাধ্যমে সম্পন্ন হচ্ছিল বলে তারা মনে করছেন।