লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৫:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতের বিষয়টি মাথা থেকে বের করতে হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কোনো বৈঠক হবে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির মন্তব্য করেন, ‘ব্রেকফাস্ট খাইতে ইন্ডিয়া, লাঞ্চ করতে ইন্ডিয়া, ডিনার করতে ইন্ডিয়া—তাহলে নিজের খাবার কখন খাবেন?’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ভারতের বিষয়টি মাথা থেকে বের করতে হবে। ভারত বাংলাদেশের আরেকটি প্রতিবেশী দেশ, যার সঙ্গে বাংলাদেশ ভালো দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক চায়। তবে সবসময় শুধু ভারতের কথা ভাবলে চলবে না, নিজেদের দেশের কথাও ভাবতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যার সঙ্গে যখন দ্বিপাক্ষিক বা বহুপাক্ষিকভাবে কথা বলা দরকার, বাংলাদেশ অবশ্যই তা বলবে। তবে সাইডলাইনে সবার সঙ্গে বৈঠক করা সম্ভব নয়। প্রধানমন্ত্রীর অনেক আমন্ত্রণ থাকবে এবং অনেক দেশের সঙ্গে আলোচনা হবে।’

এর আগে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন করে সাজাতে চায়। গত ১৫ বছর ধরে একটি স্বৈরাচারী, দুর্নীতিগ্রস্ত ও লুটেরা সরকারের সঙ্গে যে অস্বস্তিকর সম্পর্ক ছিল, সেখান থেকে বের হয়ে নতুন সম্পর্কের দিকে এগিয়ে যেতে চায় সরকার।’

তিনি জানান, এই সম্পর্ক বহুপাক্ষিক ফোরামের মাধ্যমে নয়, বরং দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে পুনর্গঠন করা উচিত। ভারতের সঙ্গে প্রথম আলোচনা সরাসরি দ্বিপাক্ষিক সফরের মাধ্যমে হওয়াই সবচেয়ে ভালো বলে তিনি মনে করেন। তবে বহুপাক্ষিক ফোরামে গিয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করা হবে না—এমন কোনো কথা তিনি বলেননি বলেও স্পষ্ট করেন। হুমায়ুন কবির বলেন, ‘কোনো বহুপাক্ষিক অনুষ্ঠানে গেলে কারও সঙ্গে দেখা করা হবে না—এমন কথা কখনো বলা হয়নি।’ তার এই বক্তব্য শুধু ভারতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ আইজিপির

ভারতের বিষয়টি মাথা থেকে বের করতে হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:০০:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কোনো বৈঠক হবে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির মন্তব্য করেন, ‘ব্রেকফাস্ট খাইতে ইন্ডিয়া, লাঞ্চ করতে ইন্ডিয়া, ডিনার করতে ইন্ডিয়া—তাহলে নিজের খাবার কখন খাবেন?’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ভারতের বিষয়টি মাথা থেকে বের করতে হবে। ভারত বাংলাদেশের আরেকটি প্রতিবেশী দেশ, যার সঙ্গে বাংলাদেশ ভালো দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক চায়। তবে সবসময় শুধু ভারতের কথা ভাবলে চলবে না, নিজেদের দেশের কথাও ভাবতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যার সঙ্গে যখন দ্বিপাক্ষিক বা বহুপাক্ষিকভাবে কথা বলা দরকার, বাংলাদেশ অবশ্যই তা বলবে। তবে সাইডলাইনে সবার সঙ্গে বৈঠক করা সম্ভব নয়। প্রধানমন্ত্রীর অনেক আমন্ত্রণ থাকবে এবং অনেক দেশের সঙ্গে আলোচনা হবে।’

এর আগে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন করে সাজাতে চায়। গত ১৫ বছর ধরে একটি স্বৈরাচারী, দুর্নীতিগ্রস্ত ও লুটেরা সরকারের সঙ্গে যে অস্বস্তিকর সম্পর্ক ছিল, সেখান থেকে বের হয়ে নতুন সম্পর্কের দিকে এগিয়ে যেতে চায় সরকার।’

তিনি জানান, এই সম্পর্ক বহুপাক্ষিক ফোরামের মাধ্যমে নয়, বরং দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে পুনর্গঠন করা উচিত। ভারতের সঙ্গে প্রথম আলোচনা সরাসরি দ্বিপাক্ষিক সফরের মাধ্যমে হওয়াই সবচেয়ে ভালো বলে তিনি মনে করেন। তবে বহুপাক্ষিক ফোরামে গিয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করা হবে না—এমন কোনো কথা তিনি বলেননি বলেও স্পষ্ট করেন। হুমায়ুন কবির বলেন, ‘কোনো বহুপাক্ষিক অনুষ্ঠানে গেলে কারও সঙ্গে দেখা করা হবে না—এমন কথা কখনো বলা হয়নি।’ তার এই বক্তব্য শুধু ভারতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।