লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজীপুরে জুয়েলারি দোকানের ভেতর ব্যবসায়ীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

গাজীপুর মহানগরীর গাছা এলাকায় নিজের জুয়েলারি দোকানের ভেতর থেকে মো. আবুল কালাম আজাদ (৪০) নামে এক ব্যবসায়ীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে ভূষির মিল এলাকার আব্দুল গনি রোডের 'সাদিয়া জুয়েলার্স' থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আবুল কালাম আজাদ ওই দোকানের মালিক ছিলেন। এই মর্মান্তিক ঘটনায় স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, আবুল কালাম আজাদ প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতে দোকানের ভেতরেই ঘুমিয়েছিলেন। সাধারণত তিনি প্রতিদিন সকাল ৯টার মধ্যে দোকান খুলে ব্যবসা শুরু করতেন। তবে রোববার সকাল গড়িয়ে দুপুর হওয়ার পরও দোকান বন্ধ থাকায় আশপাশের ব্যবসায়ীদের মনে সন্দেহের উদ্রেক হয়। দোকানের ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে বিষয়টি জানান।

খবর পেয়ে গাছা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দোকানের ভেতর থেকে আবুল কালাম আজাদের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে। এরপর পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করেন। গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম রব্বানী জানিয়েছেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং কারা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহত আবুল কালাম আজাদের বাড়ি কুমিল্লার নাঙ্গলকোট থানার ভোলাইন গ্রামে। পুলিশ হত্যাকাণ্ডের কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজীপুরে জুয়েলারি দোকানের ভেতর ব্যবসায়ীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

গাজীপুরে জুয়েলারি দোকানের ভেতর ব্যবসায়ীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৩০:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

গাজীপুর মহানগরীর গাছা এলাকায় নিজের জুয়েলারি দোকানের ভেতর থেকে মো. আবুল কালাম আজাদ (৪০) নামে এক ব্যবসায়ীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে ভূষির মিল এলাকার আব্দুল গনি রোডের 'সাদিয়া জুয়েলার্স' থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আবুল কালাম আজাদ ওই দোকানের মালিক ছিলেন। এই মর্মান্তিক ঘটনায় স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, আবুল কালাম আজাদ প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতে দোকানের ভেতরেই ঘুমিয়েছিলেন। সাধারণত তিনি প্রতিদিন সকাল ৯টার মধ্যে দোকান খুলে ব্যবসা শুরু করতেন। তবে রোববার সকাল গড়িয়ে দুপুর হওয়ার পরও দোকান বন্ধ থাকায় আশপাশের ব্যবসায়ীদের মনে সন্দেহের উদ্রেক হয়। দোকানের ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে বিষয়টি জানান।

খবর পেয়ে গাছা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দোকানের ভেতর থেকে আবুল কালাম আজাদের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে। এরপর পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করেন। গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম রব্বানী জানিয়েছেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং কারা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহত আবুল কালাম আজাদের বাড়ি কুমিল্লার নাঙ্গলকোট থানার ভোলাইন গ্রামে। পুলিশ হত্যাকাণ্ডের কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে।